গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ক্রমশ বেড়ে চলেছে।
বাড়ছে নিহতের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালে মর্গে মরদেহ রাখার স্থান পাওয়া যাচ্ছে
না।
আজ শনিবার (১৪ অক্টোবর) হাল নাগদ খবরে
কাতার ভিত্তিক আলজাজিরা জানায়, ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনিদের মরদেহ রাখার জন্য
হাসপাতালের মর্গে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। তাই অনেক মৃতদেহ আইসক্রিমের ফ্রিজে সংরক্ষণ
করা হয়েছে।
এদিকে জাতিসংঘের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে,
প্রায় সপ্তাহব্যাপী ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে গাজা উপত্যকায় এক হাজার ৩০০টির বেশি ভবন
ধ্বংস হয়েছে। এতে প্রায় পাঁচ হাজার ৫৪০টি আবাসন ইউনিট রয়েছে। এছাড়া তিন হাজার ৭৫০টি
বাড়ি এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে বসবাসের অবস্থায় নেই।
এদিকে গতকাল শুক্রবার (১৩ অক্টোবর)
উত্তর গাজার প্রায় ১১ লাখ বাসিন্দাকে বসতি ছেড়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি
কর্তৃপক্ষ। তবে সময় বেঁধে দিলেও এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা করেছে ইসরায়েলি।
এমন একটি হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিত হাজার
হাজার রকেট নিক্ষেপ করে হামাস। এ সময় গোষ্ঠীটির যোদ্ধারা ইসরায়েলে ঢুকে শতাধিক মানুষকে
জিম্মি করে আনে। এরপর সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরুর ঘোষণা দেয় ইসরায়েল।
সপ্তাহব্যাপী এ সংঘাতে গাজায় নিহত হয়েছে
প্রায় দুই হাজার। অন্যদিকে ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ৩০০ এর মতো।










