প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও হাউস স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির মধ্যস্থতায় ৩১.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণসীমা উঠিয়ে দেয়ার পথে এগুচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।  বিলটি এখন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে প্রেরণ করা হচ্ছে।  আজ বুধবার (৩১ মে) বিতর্ক ও ভোটের জন্য পূর্ণ সদস্য প্রতিনিধি পরিষদে উঠবে। খবর রয়টার্স।

গতকাল বিতর্কের জন্য পাঠাতে হাউস রুলস কমিটি ৭-৬ ভোট দিয়েছে। দুই কমিটির রিপাবলিকান প্রতিনিধি চিপ রয় ও রালফ নরম্যান বিলের বিরোধিতা করেন।

প্রতিনিধি পরিষদে ২২২-২১৩ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নিয়ন্ত্রণ করছে রিপাবলিকানরা।  সেখান থেকে বিলটি যাবে সিনেটে।  মার্কিন ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঋণ পরিশোধের জন্য অর্থ বিভাগের তহবিল শেষ হয়ে যাওয়ায় ৫ জুনের আগে এই বিলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।

এখন অর্থ বিভাগ যদি অর্থ পরিশোধ করতে না পারে বা পিছিয়ে দিতে বাধ্য হয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।

বাইডেন ও ম্যাকার্থি আশাবাদী যে, ৫ জুনের সময়সীমার আগে ৯৯ পৃষ্ঠার বিলটি পাস করার জন্য পর্যাপ্ত ভোট পাবেন।

গতকাল কংগ্রেসের নির্দলীয় বাজেট স্কোরকিপার বলেছেন, আইনটি ২০২৪ সাল থেকে ১০ বছরে আনুমানিক দেড় ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হ্রাস করবে।

কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস আরো বলেছে, বিলটি আইনে পরিণত হলে সরকারি ঋণের সুদ কমবে ১৮ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।

বিলটিকে ‘‌সবচেয়ে রক্ষণশীল বিল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন হাউস স্পিকার ম্যাকার্থি।  তা সত্ত্বেও হাউসের সবচেয়ে রক্ষণশীল রিপাবলিকানদের মধ্যে নারাজি দেখা যাচ্ছে।