তানজানিয়ার ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণ
হারিয়েছেন অন্তত ৪৭ জন। এছাড়া আহত হয়েছেন ৮৫ জন। ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে এ হতাহতের ঘটনায়
দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
গত ২ ডিসেম্বর শুরু হওয়া ভারী বর্ষণের
ফলে প্লাবিত হয় তানজানিয়ার উত্তরাঞ্চলের শহর কাতেশ। শহরটি রাজধানী থেকে ১৮৬ মাইল উত্তরে
অবস্থিত।
স্থানীয় জেলা কমিশনার জানেথ মায়াঞ্জা
জানিয়েছেন, গতকাল রোববার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪৭ নাগরিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া
গেছে। সঙ্গে ৮৫ জনের আহতের খবরও জানান তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে
পারে।
পরিস্থিতি মোকাবেলা ও উদ্ধার তৎপরতা
জোরদারে জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট সামিয়া
সুলুহু হাস্সান। বর্তমানে তিনি কপ-২৮ সম্মেলনে যোগ দিতে দুবাইতে অবস্থান করছেন।
স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শহরের রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড়িসহ যানবাহন পানির স্রোতে তলিয়ে গেছে।
বিভিন্ন স্থানে ভূমিধসের ফলে ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন স্থানীয়রা।
চলতি বছরে ভয়াবহ খরার পর এবার বন্যার
কবলে পড়ল তানজানিয়া। এর আগে পূর্ব আফ্রিকার সোমালিয়াতে বন্যার ফলে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ
ক্ষতির মুখে পড়ে। ওই সেই বন্যায় প্রাণ হারিয়েছিলেন কয়েকশ মানুষ।
চলতি মাসে এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে
বলে সতর্ক করেছে তানজানিয়ার আবহাওয়া সংস্থা।










