দক্ষিণ চীন সাগরের স্বাধীনতা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। তিনি বলেন, ‘ফিলিপাইনের নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহাযোগিতা অব্যাহত রাখবে জাপান। আশা করি, এর মাধ্যমে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।’ সম্প্রতি ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় সরকারি সফরে এক বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। খবর রয়টার্স।
সফরে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটিতে চীনা প্রভাব বাড়তে থাকায় সামরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও একমত হয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা ও ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র।
এশীয় দেশগুলোর মধ্যে ফিলিপাইন ও জাপান যুক্তরাষ্ট্রের দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র। সমুদ্র সার্বভৌমত্ব নিয়ে কয়েক দশকের পুরনো বিরোধের মধ্যে চীনের আগ্রাসী আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশগুলো।
গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনের সামরিক মহড়া পর্যবেক্ষণের পর জুনে প্রথমবারের মতো ফিলিপাইন ও জাপানের কোস্ট গার্ড সদস্যরা যৌথ প্রশিক্ষণে অংশ নেয়।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী জানান, ফিলিপাইনকে উপকূলীয় নজরদারি রাডার প্রদানে সম্মত হয়েছে তার দেশ। এটি টোকিওর অফিশিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিসটেন্স (ওএসএ) প্রোগ্রামের অধীনে বিশ্বের প্রথম সহযোগিতা প্রকল্প। যার লক্ষ্য টোকিওর অংশীদার দেশগুলোর প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।
চীন, ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনাম সব রাষ্ট্রই দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করে আসছে। যদিও দক্ষিণ চীন সাগরে জাপানের কোনো দাবি নেই। তবে পূর্ব চীন সাগরে চীনের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ রয়েছে দেশটির।
বিবদমান দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফুমিও কিশিদা বলেন, ‘বল প্রয়োগ করে নয়। আসুন আমরা আইন মেনে সামুদ্রিক শৃঙ্খলা রক্ষা করি।’










