মানহানির মামলায় পাওয়া সাজা স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন ভারতীয় কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে আজ শুক্রবার (৭ জুলাই) তার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন গুজরাট হাইকোর্ট।

আদালত মনে করেন, মোদী পদবি নিয়ে কটূক্তির জেরে নিম্ন আদালত রাহুলকে যে সাজা দিয়েছেন তা যথার্থ। হাইকোর্টের এ ঘোষণার ফলে রাহুলের সংসদ সদস্য পদ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা আরো কমে এল বলে উল্লেখ করেছে সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান। তবে তিনি চাইলে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করতে পারেন। তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে যদি তার আবেদন অগ্রাহ্য হয়, তবে আগামী জাতীয় নির্বাচনেও প্রার্থী হতে পারবেন না তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে কর্ণাটকে এক নির্বাচনি সমাবেশে রাহুল বলেছিলেন, ‘‌সব চোরের পদবি মোদী হয় কী করে? —নীরব মোদী, ললিত মোদী, নরেন্দ্র মোদী।’ এ বক্তব্যের জেরে মোদী পদবিধারী সবাইকে অপমান করা হয়েছে অভিযোগ তুলে রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন বিজেপির বিধায়ক পুর্নেশ মোদী। পরে এ মামলায় আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। অবশ্য উচ্চ আদালতে আপিলসহ সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাহুলকে গ্রেফতার না করারও নির্দেশ দেয়া হয়।

আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে লোকসভায় অযোগ্য ঘোষণা করা হয়। রায় নিয়ে রাহুল প্রথমে দায়রা আদালতে গিয়েছিলেন। সেখানে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখা হয়। এবার উচ্চ আদালতও বহাল রাখল ওই রায়। এখন তার সামনে খোলা শুধু সুপ্রিম কোর্ট।