মহাকাশে গুপ্তচর স্যাটেলাইট পাঠানোর পরিকল্পনায়
প্রথমবার ব্যর্থ হয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি জানায়, উৎক্ষেপণের সময় দুর্ঘটনায় এটি সমুদ্রে
বিধ্বস্ত হয়েছে। খবর বিবিসি।
এর আগে উত্তর কোরিয়া ঘোষণা করেছিল, মার্কিন
সামরিক কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণের জন্য ১১ জুনের মধ্যে একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা
করছে।
প্রথম চেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার পর বলছে, যত
তাড়াতাড়ি সম্ভব দ্বিতীয়বার উৎক্ষেপণের চেষ্টা করবে।
পিয়ংইয়ং-এর উৎক্ষেপণ চেষ্টার মাঝে প্রতিবেশী
দেশে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে বাজানো হয় ‘ফলস অ্যালার্ম’। অন্যদিকে ওকিনাওয়ার
বাসিন্দাদের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছিল জাপান।
আজ বুধবার (৩১ মে) সকালে বিমান সাইরেনের
শব্দে জেগে উঠে সিউলের বাসিন্দারা। এ নিয়ে বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি দেখা দেয়। পরে জরুরি
বার্তা নিয়ে ভুল স্বীকার করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী বলেছে,
রকেটটি মাঝ-আকাশে ভেঙে যেতে পারে বা রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পর বিধ্বস্ত হতে
পারে।
অন্যদিকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও
কিশিদা বলেছেন, উত্তর কোরিয়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে মনে
হচ্ছে। উৎক্ষেপণের পর এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
গতকাল উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয়
সামরিক কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান রি পিয়ং চোল উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। জানান,
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার ‘বেপরোয়া সামরিক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিক্রিয়া হিসেবে
তারা এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর
বলেছিল, উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেকোনো উৎক্ষেপণ
তা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একাধিক প্রস্তাব লঙ্ঘন করবে।
সামরিক উপগ্রহ ব্যবস্থাকে উত্তর কোরিয়ার
নেতা কিম জং-উন তার দেশের প্রতিরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান চিহ্নিত করে আসছেন।










