অবরুদ্ধ গাজায় দিন দিন তীব্র হচ্ছে
খাদ্য সংকট। এ পরিস্থিতির উত্তরণে উপত্যকায় আরো মানবিক সহায়তার প্রয়োজন বলে উল্লেখ
করেছে জাতিসংঘ। ইসরায়েলি হামলার ফলে সেখানে ত্রাণ সহায়তা ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ
করেছেন সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। খবর রয়টার্স।
গতকাল শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) গাজায়
বাধাহীনভাবে মানবিক সহায়তা প্রবেশাধিকারের বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘের
নিরাপত্তা পরিষদ। এছাড়া বৈঠকে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির বিষয়ে জোর দেয়া হয়।
ভেটো নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিলেও এবার যুক্তরাষ্ট্র
বিরত থাকায় নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবটি পাস হয়েছে। অবশ্য প্রস্তাবের প্রাথমিক খসড়া থেকে কিছু সংশোধন আনা হয়েছে। এর আগে গাজায় ১১ সপ্তাহের এ যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ এবং সেখানে
ত্রাণ সহায়তা বিতরণে ইসরায়েলের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানিয়েছিল নিরাপত্তা পরিষদ।
তেল আবিবকে ওয়াশিংটনের অন্ধ সমর্থনের
ফলেই গাজা সংকট আরো তীব্র হচ্ছে, এমন সমালোচনা সত্ত্বেও বরাবরই আত্মরক্ষার নামে ইসরায়েলি
হামলাকে সমর্থন দিয়ে আসছে ওয়াশিংটন।
এদিন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত
গিলাদ ইরদান বলেছেন, আমি মনে করি নিরাপত্তা পরিষদের জিম্মিদের মুক্তির ব্যাপারে বেশি
মনোযোগী হওয়া উচিত। গাজায় ত্রাণ বিতরণে প্রতিবন্ধকতা বিষয়ে জাতিসংঘের বক্তব্য অস্বীকার
করে বলেন, সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে সহায়তার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুসারে, ইসরায়েলের সামরিক হামলার ফলে গাজায় নিহত ২০ হাজার ৫৭ জনের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী ও শিশু। ৭ অকে্টাবর থেকে চলমান এ হামলায় আহত হয়েছে ৫৩ হাজার ৩২০ জন ফিলিস্তিনি। এছাড়া গাজার ২৩ লাখ অধিবাসীর বেশির ভাগই বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
অন্যদিকে তেল আবিবের দাবি, হামাসের হামলায় নিহত হয়েছেন
প্রায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি। এছাড়া গত ২০ অক্টোবর স্থল অভিযান শুরুর পর থেকে ১৪০ জন
সেনা হারিয়েছে তেল আবিব।










