আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে ভারি গোলাগুলিতে কমপক্ষে পাঁচ আফগান নাগরিক নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আফগান কর্তৃপক্ষ। আফগান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক এলাকায় সংঘাত শুরু হয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়। উভয় দেশ একে অন্যকে এ ঘটনার জন্য দায়ী করছে। খবর রয়টার্স ও আল জাজিরা। আফগান তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, সৌদি আরবে শান্তি আলোচনার ব্যর্থতার পর সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। পাকিস্তানি বাহিনী স্পিন বোলদাকে আক্রমণ করলে আফগান বাহিনী জবাব দেয়। পাকিস্তান সরকারও অভিযোগ করেছে, আফগান বাহিনী চামান সীমান্তে ‘অপ্রত্যাশিতভাবে’ গোলাবর্ষণ করেছে। তবে পরে উভয় পক্ষ পুনরায় শান্তি চুক্তি করেছে।
তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর কাবুল ও ইসলামাবাদের সম্পর্ক ক্রমেই তিক্ত হয়ে উঠেছে। পাকিস্তান অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তান পাকিস্তানের তালেবান (টিটিপি), বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি ও আইএসআইএস সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে। তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অক্টোবরে দুই দেশের সীমান্তে সংঘর্ষে প্রায় ৭০ জন নিহত হন এবং শতাধিক আহত হন। পরবর্তী সময়ে দোহায় সাময়িক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর হলেও তা স্থায়ী হয়নি।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া তালেবানদের প্রধান বিচারপতি আবদুল হাকিম হাক্কানিসহ চার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নতুন আর্থিক নিষেধাজ্ঞা ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওয়ং জানিয়েছেন, এ কর্মকর্তারা নারীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত। এ নিষেধাজ্ঞায় অস্ত্র রফতানি এবং আফগানিস্তানে সেবা রফতানি সংক্রান্ত বিধিনিষেধও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।










