সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ও যুক্তরাষ্ট্রের
সাবেক পয়েট লরিয়েট লুইস গ্লুক মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) খবরটি নিশ্চিত
করেছেন তার সম্পাদক জোনাথন গ্যালাসি। মৃত্যুকালে গ্লুকের বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। খবর দ্য
গার্ডিয়ান।
দুঃখ, স্মৃতিচারণ ও দার্শনিক অন্তর্দৃষ্টির
সঙ্গে ধ্রুপদী পৌরাণিক গল্পের মেলবন্ধনে নিজের কথা সাজাতেন গ্লুক। সাহিত্যে অবদান রাখার
জন্য ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার পান তিনি।
বিচারকরা প্রশংসা করে বলেছিলেন, গ্লুকের
দ্ব্যর্থহীন কাব্যিক কণ্ঠস্বরে রয়েছে কঠোর সৌন্দর্য। যা ব্যক্তি অস্তিত্বকে সর্বজনীন
করে তোলে। তার কবিতাগুলো সংক্ষিপ্ত। যেখানে ইচ্ছাকৃত নীরবতার মাধ্যমে অনেক অব্যক্তকে
স্পষ্ট করে তোলেন।
নিউইয়র্কের বাসিন্দা গ্লুক কবিতা ছাড়াও
সাহিত্যের নানান শাখায় কাজ করেছেন। প্রকাশ করেছেন প্রবন্ধ, সংক্ষিপ্ত গদ্য ও ফিকশন।
তার লেখনিতে পুরাণ, উইলিয়াম শেক্সপিয়র ও টি এস এলিয়টের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।
১৯৯৩ সালে কবিতার বই ‘ওয়াইল্ড আইরিস’-এর
জন্য পুলিৎজার পুরস্কার পান লুইস গ্লুক। অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে দ্য সেভেন এজস,
দ্য ট্রায়াম্ফ অব অ্যাকিলিস, ভিটা নোভা এবং ১৯৬২-২০১২ সালে লেখা কবিতার সংকলন।
পুলিৎজার ছাড়াও সমগ্র সাহিত্যকীর্তির
জন্য ২০০১ সালে পান বোলিংজেন পুরস্কার, ২০১৪ সালে ‘ফেইথফুল অ্যান্ড ভার্চুয়াস নাইট’-এর
জন্য ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড। কয়েক"দশকের শক্তিশালী গীতিকবিতার জন্য ২০১৫ সালে
ন্যাশনাল হিউম্যানিটিজ মেডেল। তিনি ২০০৩-০৪
সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পয়েট লরিয়েট নিযুক্ত হন। এছাড়া স্ট্যানফোর্ড ও ইয়েলের
মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।
১৯৪৩ সালে ২২ এপ্রিল নিউ ইয়র্ক সিটিতে
জন্মগ্রহণ করেন ইহুদিদের বংশোদ্ভূত লুইস গ্লুক। তার বেড়ে উঠা লং আইল্যান্ডে বেড়ে ওঠেন।










