শান্তিরক্ষী বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ট্র্যাক রেকর্ড থাকা উচিত নয়
বলে মনে করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি
ইন্টারন্যাশনাল। এ প্রেক্ষাপটে এক বিবৃতিতে শান্তিরক্ষী
বাহিনীতে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের বিষয়গুলো
পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
শুক্রবার
(২৩ জুন) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানায় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। আগামী ২৫ জুন
জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জাঁ পিয়ের ল্যাক্রোয়ার বাংলাদেশ সফর করবেন।
বিবৃতিতে তাকে বাংলাদেশের বাহিনীগুলোর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করার
আহ্বান জানানো হয়েছে। মূলত তার সফরকে কেন্দ্র করেই ওই বিবৃতি দিয়েছে অ্যামনেস্টি
ইন্টারন্যাশনাল।
বিবৃতিতে
বলা হয়,
বাংলাদেশ তিন দশক ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে
নিরাপত্তারক্ষী পাঠাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি শান্তিরক্ষী পাঠানো দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ।
অতীতে বাংলাদেশের নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীগুলোর বিশেষ করে র্যাপিড অ্যাকশন
ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বিবেচনায় নিলে বিষয়টি উদ্বেগের।










