‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার
জন্য’ ইসরায়েল ও ইউক্রেনের যুদ্ধে সফল হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট
জো বাইডেন। এসব দেশের যুদ্ধে সমর্থন ও সাহায্য প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমেরিকার নিরাপত্তার
বিবেচনায়, এটি একটি স্মার্ট বিনিয়োগ যার লভ্যাংশ ভোগ করবে আগামী প্রজন্ম।’
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) রাতে
হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে দেয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি। খবর ভয়েস অব আমেরিকা।
এ সময় ইসরায়েল ও ইউক্রেনের জন্য কয়েক
হাজার কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা চাওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশ দুটির সঙ্গে মার্কিন
সম্পৃক্ততার যুক্তি তুলে ধরেন বাইডেন।
হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিস ভাষণ দেয়ার
ক্ষেত্রে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্লাটফর্মগুলোর মধ্যে একটি। একজন প্রেসিডেন্ট সংকটের
মুহূর্তে জাতির উদ্দেশে বক্তব্য রাখার জন্য এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে থাকেন।
বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে এ ধরনের
আর একটি ভাষণ দিয়েছেন। সেটা ছিল দেশটির ঋণ খেলাপি হওয়া এড়াতে কংগ্রেস যখন দ্বিপক্ষীয়
বাজেট আইন পাস করে, তারপরে।
তিনি বলেন, ‘যদি আন্তর্জাতিক আগ্রাসন
অব্যাহত থাকে তাহলে বিশ্বের অন্যান্য অংশে সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়তে পারে।’
বাইডেন বলেন, ‘হামাস ও পুতিন ভিন্ন
ধরনের হুমকি। কিন্তু তাদের মধ্যে এই একটি বিষয়ে মিল রয়েছে। তারা উভয়েই প্রতিবেশীর
গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করতে চায়।’
আরো বলেন, কংগ্রেসের কাছে একটি জরুরি
তহবিলের অনুরোধ পাঠাবেন যা আগামী বছরের জন্য আনুমানিক ১০ হাজার কোটি ডলার হবে বলে আশা
করা হচ্ছে। মানবিক সহায়তা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি ইউক্রেন, ইসরায়েল, তাইওয়ানের
জন্য অর্থের প্রস্তাবটি আজ শুক্রবার উত্থাপন করা হবে।
বাইডেন বলেন, ‘আমেরিকার নিরাপত্তার
বিবেচনায়, এটি একটি স্মার্ট বিনিয়োগ যার লভ্যাংশ ভোগ করবে আগামী প্রজন্ম।’
বাইডেন আশা করেন যে এই সবগুলো বিষয়কে
একটি আইনের আওতায় একত্রিত করে পেশ করলে কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য তা প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক
জোট তৈরি করবে।
ইসরায়েল সফরের একদিন পরে এ ভাষণ
দিলেন বাইডেন। সফরে তিনি হামাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন
এবং গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের জন্য আরো মানবিক সহায়তার ওপর জোর দেন।
বাইডেন তেল আবিবে সংক্ষিপ্ত সফর থেকে
ফিরে বলেছিলেন, তিনি ইসরায়েলি নেতাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।










