যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসী নির্বাসন পরিকল্পনাকে অসম্মানজনক বলে সমালোচনা করেছেন পোপ ফ্রান্সিস।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) ইতালীয় এক টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সমালোচনা করে বলেন, যদি ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয় তাহলে এটি খুবই ন্যাক্কারজনক হবে। হতদরিদ্র অভিবাসীদের বিতাড়িত করে দেয়া কোনো সমাধান না।
সোমবার শপথ নেয়া ট্রাম্প প্রশাসনের তালিকাভুক্ত অনিবন্ধিত অভিবাসী নির্বাসন পরিকল্পনা নিয়ে পোপ ফ্রান্সিসকে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের উচিত তাদেরকে এই সমাজেরই অংশ হিসেবে স্বাগত জানানো।
অভিবাসনের বিষয়টি পোপের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রতিফলিত করে। তার লেখা আত্মজীবনীতে তিনি উল্লেখ করেন কীভাবে তার দাদা-দাদী ও নানা-নানী এবং তার বাবা ১৯২৭ সালে ইতালির প্রিন্সিপেসা মাফাল্ডা থেকে আর্জেন্টিনায় আসেন। পথে নৌকাডুবিতে তাদের সঙ্গের অনেকেই প্রাণ হারান।
ওয়াশিংটনের পরবর্তী আর্চবিশপ হিসেবে কার্ডিনাল রবার্ট ম্যাকএলরয়কে নিয়োগ দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি স্থাপনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ম্যাকএলরয় অভিবাসী নির্বাসন পরিকল্পনাকে ক্যাথলিক মতবাদের সঙ্গে বেমানান বলে উল্লেখ করেছেন।
রোববার শিকাগোর আর্চডায়োসিসের আর্চবিশপ ব্লেস কুপিচও নির্বাসন পরিকল্পনার সমালোচনা করেন। এর আগে ২০১৬ সালে ফ্রান্সিস তৎকালীন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ট্রাম্পের অভিবাসন বিরোধী মতামতের জন্য খ্রিস্টান নন বলে অভিহিত করেছিলেন।
সিএনএনের টক শো ‘চে টেম্পো চে ফা’ তে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ফ্রান্সিস এই মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, ভ্যাটিকান সিটি রাজ্য পরিচালনার জন্য কমিশনের সভাপতি হিসেবে একজন সন্ন্যাসীকে দায়িত্ব দেয়া হবে। তিনি হলেন সিস্টার রাফায়েল পেত্রিনি। তিনি মার্চে আর্চবিশপের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেবেন। তিনিই প্রথম নারী সভাপতি হিসেবে ভ্যাটিকানে দায়িত্ব পালন করবেন। পোপের সিদ্ধান্তে তিনি এ দায়িত্ব পান।










