জাপানের প্রতিরক্ষা বাহিনী গ্রাউন্ড সেলফ ডিফেন্স ফোর্স (জিএসডিএফ) গতকাল ফুজি পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত এক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সামরিক মহড়া চালিয়েছে। ১৯৬১ সাল থেকে অনুষ্ঠিত এ বার্ষিক মহড়া জাপান সরকারের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সম্প্রসারণ এবং প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর সিদ্ধান্তের পর পরই অনুষ্ঠিত হয়েছে। খবর জাপান টুডে।
মহড়াটিতে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ জিএসডিএফ কর্মী অংশ নেন। এতে ৭০টি ট্যাঙ্ক, বিশেষ যুদ্ধযান, ড্রোন ও ভি২২ অস্প্রে উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১০৭ কোটি ইয়েন মূল্যের প্রায় ৫৭ টন সক্রিয় গুলি ব্যবহার করা হয়েছে এ মহড়ায়। জাপানের দক্ষিণের একটি দ্বীপ পুনরায় দখল করার দৃশ্যের ওপর ভিত্তি করে মহড়াটি পরিচালিত হয়। দ্বীপটি একসময় শত্রু বাহিনীর দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল।
জিএসডিএফের এ মহড়া প্রতি বছর আয়োজিত সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান। এর আগে মহড়াটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল। প্রতি বছর ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ এতে অংশ নিত। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে তিন বছর ধরে এ প্রদর্শনী বাতিল করা হয়েছিল।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ মহড়ায় একটি প্রত্যন্ত জাপানি দ্বীপকে আক্রমণ করা হয়। গোয়েন্দা কর্মীরা হেলিকপ্টার থেকে নেমে এলাকা পর্যবেক্ষণের জন্য ড্রোন ব্যবহার করেন। তাদের পেছনে ছিল র্যাপিড ডিপ্লয়মেন্ট ব্রিগেড, যারা জল-স্থলে অবতরণ অভিযানে দক্ষ। ব্রিগেড যুদ্ধের যানবাহন থেকে গুলি চালায় এবং দ্বীপটি পুনরায় দখল করার কৌশল অধ্যয়ন করে।










