২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় নিজের কর্তৃত্ব ব্যবহার করে সামরিক আইন জারি করেছিলেন ইউন। তবে তার জারি করা এ সামরিক আইন বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, ইউনের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছিলেন এ মামলার প্রসিকিউটররা। তাদের দাবি, সাবেক এ প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ড দেশটিতে এক নতুন রাজনৈতিক সংকটের জন্ম দিয়েছিল। সে সময় দেশটির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছিল।
দক্ষিণ কোরিয়ার আইন অনুযায়ী, বিদ্রোহের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। এর আগে দেশটি ২০১৬ সালে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিল। তবে ১৯৯৭ সালের পর থেকে দেশে কারো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি।
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে বিচারে এটিই ইউনের পাওয়া সর্বোচ্চ সাজা। আটটি বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়া ইউন এর আগে গ্রেফতারে বাধা দেয়া ও জালিয়াতির অভিযোগে আরেকটি মামলায় পাঁচ বছরের সাজা পেয়েছিলেন। ইউন ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন।
এদিকে এসব অভিযোগের সবই অস্বীকার করেছেন ৬৫ বছর বয়সী ইউন। তার দাবি, সামরিক আইন জারি করার মতো ক্ষমতা তার ছিল এবং সরকারের কাজে বাধার বিষয়ে সতর্ক করতে তিনি বিরোধী দলের বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক এ নেতা বর্তমানে সিউল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন।










