স্বাধীনতা-পরবর্তী
বাংলাদেশে
গরু
উৎপাদন
বৃদ্ধি
কৃত্রিম
প্রজননে
(আর্টিফিশিয়াল ইনসিমিনেশন)
আরো
আধুনিক
প্রযুক্তির
প্রয়োগ
করা
হয়।
দু’দশক
ধরেই
চলমান
রয়েছে
গরু
মোটাতাজাকরণ
বা
হূষ্টপুষ্টকরণ।
মাংস
উৎপাদন
আরো
বৃদ্ধির
জন্য
দেড়
যুগ
আগে
আনা
হয়
ব্রাহামা
জাত।
মূলত
একটি
গরু
থেকে
বেশি
পরিমাণ
মাংস
পাওয়া
সম্ভব
এ
জাতটিতে।
গরু
পরিপক্ব
হতে
সময়
কমানোর
জন্য
কয়েক
বছর
আগে
প্রচলন
করা
হয়েছে
ব্রাজিলিয়ান
বুল।
আবার
অর্ধযুগ
আগে
পাশের
দেশ
ভারতের
সিদ্ধান্তে
ঘুরে
দাঁড়াতে
শক্তি
জোগায়
বাংলাদেশকে।
মাংসের
চাহিদার
পাশাপাশি
কৃষকের
জমি
আবাদে
লাঙ্গল
টানাসহ
পণ্য
পরিবহনের
কাজেও
এক
সময়
গরুর
চাহিদা
ছিল
প্রকট।
এজন্য
ভারতসহ
পাশের
দেশের
ওপর
গরু
আমদানিতে
অতিমাত্রায়
নির্ভরশীল
ছিল
বাংলাদেশ।
চাহিদা
মেটানোর
ক্ষেত্রে
একমাত্র
উপায়টি
২০১৪
সালে
বন্ধ
হওয়ার
কারণে
সব
ধরনের
প্রযুক্তি
একত্রে
প্রয়োগ
ও
অন্যান্য
বিকল্প
সুবিধা
প্রদানের
মাধ্যমে
তিন
বছরের
মধ্যেই
আসে
বড়
সফলতা।
কৃত্রিম প্রজনন
ও
গরু
মোটাতাজাকরণ
প্রযুক্তি
দুটি
মূলত
গরু
উৎপাদনে
সবচেয়ে
বড়
ভূমিকা
রেখেছে।
এক
সময়
প্রায়
২৫
লাখ
গরু
আমদানি
হতো
তা
অর্ধ
লাখে
নেমে
এসেছে—এটিই
বাংলাদেশের
অর্জন
ও
দেশের
সামর্থ্যের
বড়
বহিঃপ্রকাশ।
সরকারের
নীতি
ও
প্রযুক্তিগত
উন্নয়ন
ছাড়াও
খামারিদের
আগ্রহ
কাজ
করেছে।
বেসরকারি
উদ্যোগ
এ
সফলতায়
ক্রিয়াশীল
ভূমিকা
রেখেছে।
তবে
গরু
উৎপাদনে
বৈশ্বিক
অবস্থান
সুদৃঢ়
হলেও
মাংসের
দাম
বেশি।
জনপ্রতি
মাংস
ভোগে
বেশ
পিছিয়ে
রয়েছি।
গরু
লালন-পালনে
উৎপাদন
খরচ
বেশি
হওয়ার
কারণেই
মাংসের
দাম
কমানো
যাচ্ছে
না।
সেজন্য
কম
দামে
মাংস
সরবরাহ
করতে
পারলে
ভোগ
যেমন
বৃদ্ধি
করা
সম্ভব,
তেমনি
উৎপাদন
আরো
বৃদ্ধি
পাবে।
ভারতের দুগ্ধ
শিল্পের
বিকাশে
যেমন
ড.
ভি
কুরিয়েন
এককভাবে
অবদান
রেখেছেন।
বাংলাদেশে
এমন
একজন
মানুষ
তৈরি
না
হওয়ার
কারণে
মাংস
ও
দুধে
স্বয়ম্ভরতা
আসতে
দেরি
হয়েছে।
কেননা,
বৈশ্বিকভাবে
স্বীকৃত
বেশ
কয়েকটি
ভালো
প্রযুক্তি
থাকলেও
গরু
উৎপাদনে
তা
সম্মিলিতভাবে
ব্যবহার
করা
হয়নি।
২০১৪-পরবর্তী
সময়েই
সব
প্রযুক্তির
ব্যবহার
ও
বেসরকারি
খাতের
বিনিয়োগের
সম্মিলিত
প্রচেষ্টার
কারণে
গরু
উৎপাদনে
এখন
স্বয়ম্ভরতা
এসেছে।
ব্রাহামা
জাতটি
প্রাণিসম্পদ
অধিদপ্তরের
(ডিএলএস) সাবেক
মহাপরিচালক
কাজী
আবদুল
ফাত্তাহ্র
একান্ত
আগ্রহে
তত্কালীন
তত্ত্বাবধায়ক
সরকার
দেশে
প্রচলন
করেছিলেন।
পুরনো
প্রযুক্তির
আধুনিকায়ন
ও
নতুন
প্রযুক্তি
সরবরাহ
এবং
সহায়তা
বৃদ্ধি
করতে
হবে।
বিশেষ
করে
ভ্রূণ
ট্রান্সফার
প্রযুক্তি
গরুর
উৎপাদনকে
আরো
টেকসই
করতে
বড়
ভূমিকা
রাখবে।
আর এসবের
কারণে
দেশে
প্রাণিসম্পদ
উৎপাদন
বড়
হচ্ছে।
২০১৮-১৯
অর্থবছরে
গরু-ছাগল-হাঁস-মুরগিসহ
সব
ধরনের
প্রাণীর
উৎপাদন
হয়েছে
৪১
কোটি
২২
লাখ
৪৪
হাজার,
যা
তার
আগের
অর্থবছরে
ছিল
৪০
কোটি
২৫
লাখ
৬৩
হাজার।
দেশের
খামারিরা
প্রতিদিন
প্রায়
৪
কোটি
৬৮
লাখ
পিচ
ডিম
উৎপাদন
করছে।
মুরগির
উৎপাদন
দৈনিক
প্রায়
৩
হাজার
২৭
কোটি
টন।
এছাড়া
গত
অর্থবছরে
দুধের
উৎপাদন
ছিল
১
কোটি
৭
লাখ
টন।
অন্যদিকে
মাংসের
উৎপাদন
প্রায়
৭৭
লাখ
টন।
গত
কয়েক
দশকে
প্রাণিসম্পদ
খাতে
ধীরে
ধীরে
উন্নতি
হয়েছে।
তবে
সাম্প্রতিক
সময়ে
উন্নতি
একটু
বেশি
হয়েছে
কিছু
নীতি
ও
সম্প্রসারণ
সহায়তার
কারণে।
তবে
এখনো
বেশ
পিছিয়ে।
সারা
বিশ্বে
প্রাণিসম্পদ
খাতে
আধুনিক
প্রযুক্তির
ব্যবহার
যে
হারে
এগিয়েছে
তার
ধারেকাছেও
যেতে
পারেনি
বাংলাদেশ।
আমাদের
কৃষক
ও
খামারিরা
প্রযুক্তি
বাস্তবায়নে
পরিপূর্ণ
দক্ষ
না
হলেও
প্রযুক্তি
গ্রহণে
খুব
আগ্রহী।
কিন্তু
আমরা
সেই
প্রযুক্তি
দিতে
পারছি
না।
বিশেষ
করে
পশুর
জাত
উন্নয়নে
অনেক
পিছিয়ে
গেছি।
এখনো
প্রাচীন
একটি
ব্রিড
নিয়েই
গরু
মোটাতাজাকরণ
করে
যাচ্ছি।
দেশের
চিকিৎসা
ব্যবস্থা
ও
খাদ্যের
মানে
রয়েছে
অনেক
ঘাটতি।
পশুগুলো
এখনো
পর্যাপ্ত
পুষ্টিকর
খাবার
পাচ্ছে
না।
আবার
একজন
পশুচিকিৎসক
বা
ডাক্তারকে
কয়েক
লাখ
পশু-প্রাণীকে
সেবা
দিতে
হয়।
ফলে
সেবার
মানে
থেকে
যাচ্ছে
ঘাটতি।
ফলে
উন্নত
ব্রিড
না
থাকা,
খাদ্য
ও
চিকিৎসা
সেবার
মানে
পিছিয়ে
থাকার
কারণেই
প্রাণিসম্পদের
উৎপাদনশীলতায়
আমরা
পিছিয়ে
পড়ছি।
বাংলাদেশ
প্রাণিসম্পদ
গবেষণা
ইনস্টিটিউটের
গবেষণায়
দেখা
গেছে,
দেশে
বড়
ধরনের
গরুর
খামার
খুবই
কম।
একটি
পরিবারে
১
থেকে
৩টি
গরু
আছে,
এমন
পরিবারের
কাছেই
রয়েছে
দেশের
৯০
শতাংশ
গরু।
একটি
পরিবারে
৩
থেকে
১০টি
গরু
আছে,
এমন
পরিবারের
কাছে
রয়েছে
দেশের
প্রায়
৬
শতাংশ
এবং
যে
পরিবারের
কাছে
১০টি
গরু
আছে,
এমনসব
পরিবারের
কাছে
আছে
মাত্র
৪
শতাংশ
গরু।
দেশে এখনো
বাণিজ্যিকভাবে
গরু
পালনের
হার
খুব
কম।
মাত্র
চার
লাখ
গরু
বাণিজ্যিকভাবে
পালিত
হলেও
এখনো
বসতবাড়িতেই
পালন
হচ্ছে
সবচেয়ে
বেশি।
কৃত্রিম
প্রজনন
ও
মোটাতাজাকরণের
মাধ্যমে
মাংস
ও
দুধের
উৎপাদন
বাড়ানোর
চেষ্টা
থাকলেও
সেটা
খুব
সফলতা
পাচ্ছে
না।
বর্তমানে
দেশে
প্রায়
৪০
শতাংশ
গরু
কৃত্রিম
প্রজননের
আওতায়
এসেছে।
ফলে
উৎপাদনশীলতায়
আমরা
বেশ
পিছিয়ে।
বিশ্বব্যাংকের
তথ্য
বলছে,
বাংলাদেশে
প্রতিটি
গবাদি
পশুর
গড়
মাংস
হচ্ছে
৭১
দশমিক
২০
কেজি।
সেখানে
বৈশ্বিক
গড়
২১৯
দশমিক
৩৬
কেজি।
দক্ষিণ
এশিয়ার
দেশগুলোর
মধ্যে
পাকিস্তানে
এ
হার
১৯৬
কেজি,
শ্রীলংকায়
১৩৭
কেজি
এবং
ভারতে
১০৩
কেজি।
দেশে
ছাগলের
মাংস
গড়ে
৭
কেজি
করে
পাওয়া
গেলেও
বৈশ্বিক
গড়
১২
দশমিক
৩২০
কেজি,
যদিও
আফগানিস্তানে
ছাগলের
ওজন
১৩
কেজি
ও
শ্রীলংকায়
২০
কেজি
এবং
পাকিস্তানে
১৭
দশমিক
১৮
কেজি।
অন্যদিকে
মুরগির
মাংস
দিচ্ছে
এক
কেজির
নিচে
বা
প্রায়
৭০০
গ্রাম।
সেখানে
বৈশ্বিক
গড়
১
কেজি
৬৪০
গ্রাম।
আবার
হাঁসের
মাংস
প্রায়
১
কেজি
হলেও
বৈশ্বিক
গড়
১
কেজি
৪৯০
গ্রাম।
প্রতিটি
মুরগি
ডিম
দেয়ার
ক্ষেত্রে
বৈশ্বিক
গড়
১০
দশমিক
৪
কেজি।
সেখানে
বাংলাদেশের
গড়
উৎপাদন
২
দশমিক
১৯
কেজি।
যদিও
ভারতের
মুগরির
ক্ষেত্রে
তা
প্রায়
১৩
কেজি।
শ্রীলংকায়
তা
১২
দশমিক
২২
কেজি।
গত কয়েক
দশকে
পুষ্টিকর
খাবারের
অন্যতম
উৎস
হিসেবে
দুধ,
ডিম
ও
মাংসের
চাহিদা
বেড়েছে।
সামনের
দিনে
এসব
পণ্যের
চাহিদা
আরো
বাড়বে।
মানুষের
একটি
নির্দিষ্ট
আয়সীমার
পর
যদি
জনপ্রতি
আয়
বৃদ্ধি
পায়
তাহলে
প্রায়
আয়ের
সমান
শতাংশ
হারেই
প্রোটিন
জাতীয়
পণ্যের
চাহিদা
বৃদ্ধি
পায়।
পাশাপাশি
শর্করা
জাতীয়
পণ্যের
চাহিদা
কমে
আসে।
গত
কয়েক
বছরে
প্রায়
৭
থেকে
৮
শতাংশ
হারে
মাথাপিছু
আয়
বৃদ্ধি
পাচ্ছে।
ফলে
এই
হার
যদি
বিদ্যমান
থাকে
তাহলে
আগামী
১০
বছরে
প্রোটিন
জাতীয়
পণ্যের
চাহিদা
প্রায়
দ্বিগুণ
বৃদ্ধি
পাবে
এটা
স্বাভাবিক।
ফলে
সামনের
দিনে
দেশের
মানুষের
পুষ্টিনিরাপত্তা
ও
গ্রামীণ
অর্থনৈতিক
উন্নয়নের
অন্যতম
সহায়ক
এখন
প্রাণিসম্পদ
খাত।
খাদ্যাভাস্যের
পরিবর্তন
এবং
সুষম
খাবার
গ্রহণে
আগ্রহের
কারণেই
মানুষ
মাংস,
দুধ
ও
ডিমের
প্রতি
ঝুঁকছে।
তাছাড়া
মধ্যবিত্তের
এখনো
অন্যতম
প্রধান
পুষ্টিকর
খাবার
একটি
ডিম।
সামনের
দিনে
মূলত
প্রক্রিয়াজাত
প্রোটিন
পণ্যই
বেশি
গ্রহণ
করবে
তারা।
গত দেড়
দশক
ও
আগামী
এক
দশকের
ভোক্তাদের
ভোগের
চাহিদার
এ
পরিবর্তন
বিশ্লেষণ
করেছে
বিশ্বব্যাংক।
বাংলাদেশ
পরিসংখ্যান
ব্যুরোর
(বিবিএস) খানা
আয়-ব্যয়
জরিপের
তথ্য
পর্যালোচনা
করে
দেখিয়েছে,
২০০০
সালের
তুলনায়
২০১৬
সালে
ডিমের
ভোগ
বেড়েছে
প্রায়
১৬০
শতাংশ
এবং
মাংসের
৮৫
শতাংশ
এবং
দুগ্ধজাত
পণ্যের
চাহিদা
কমে
গেছে
১০
শতাংশ।
তবে
আগামী
এক
দশকে
যে
কয়টি
প্রাণিজ
পণ্যের
জনপ্রতি
প্রতিদিনের
চাহিদা
ক্রমবর্ধমান
হারে
বৃদ্ধি
পাবে
তার
মধ্যে
সবচেয়ে
এগিয়ে
থাকবে
ডিম,
মাংস
ও
মাছ।
ডিমের
চাহিদা
২০২৫
সাল
পর্যন্ত
৪০
শতাংশ
চাহিদা
বৃদ্ধি
পেলেও
২০৩০
সালে
তা
৭১
শতাংশে
উন্নীত
হবে।
অন্যদিকে
মাংসের
চাহিদা
২০২৫
সাল
পর্যন্ত
৩৮
শতাংশ
বৃদ্ধি
পেলেও
২০৩০
সালে
৬১
শতাংশে
উন্নীত
হবে।
এছাড়া
দুধের
চাহিদা
২০২৫
সালে
১৬
শতাংশ
হলেও
২০৩০
সালে
২০
শতাংশে
উন্নীত
হবে।
দেশের প্রাণিসম্পদ
খাত
এক
ধরনের
অবহেলা
ও
বঞ্চনার
মধ্য
দিয়ে
ধুঁকে
ধুঁকে
নিজেদের
প্রস্ফুটিত
করছে।
সম্ভাবনা
থাকলেও
বিকশিত
করার
উদ্যোগ
তেমন
নেওয়া
হয়নি।
করনার
মধ্যে
দেশের
গ্রামীণ
অর্থনীতি
টিকিয়ে
রাখতে
বড়
ভূমিকা
পালন
করেছে
প্রাণিসম্পদ
খাত।
এই
খাতকে
এগিয়ে
নিতে
বিশেষ
কিছুর
প্রয়োজন
নেই।
শুধু
সামান্য
প্রশিক্ষণ
ও
কিছু
অর্থায়ন
করলেই
দেশের
তরুণরা
এগিয়ে
নিতে
পারবে।
ইতিমধ্যে
দুগ্ধ
ও
গরু
মোটাতাজাকরণ
এবং
পোলট্রি
শিল্প
সেই
দৃষ্টান্ত
১৫
লাখের
বেশি
তরুণ
দেখিয়েছে।
এ
খাতে
আরো
কয়েক
লাখ
তরুণদের
নিয়োজিত
করা
সম্ভব।
দক্ষতা
এবং
প্রয়োজনীয়তা
অনুসারে
উৎপাদন
ও
বিপণন
ব্যবস্থায়
সহযোগিতা
করলেই
স্বয়ম্ভর
হবে
প্রাণিসম্পদ
খাত।
এজন্য
গরু
মোটাতাজাকরণের
উদ্যোগ
এগিয়ে
নিতে
হবে।
বিদেশ
থেকে
উন্নত
জাতের
ব্রিড
নিয়ে
আসতে
হবে।
উন্নত
জাত
আনা
সম্ভব
না
হলে
যে
জাত
আছে,
সেগুলোর
আর্টিফিশিয়াল
সিমেন
দিয়ে
কিংবা
ফার্টাইল
এমব্রয়
সিমেন
দিয়ে
উন্নত
করা
যেতে
পারে।
পশুখাদ্যের
দাম
সহনীয়
পর্যায়ে
রাখতে
হবে।
পশুখাদ্যের
আমদানি
শুল্ক
প্রত্যাহার
করে
টিসিবির
মতো
পশুখাদ্য
প্রতিটি
উপজেলায়
বিতরণের
ব্যবস্থা
করা
প্রয়োজন।
ইউটিলিটি
বিল
বাণিজ্যিকের
আওতা
থেকে
কৃষি
খাতের
আওতায়
আনতে
হবে।
উৎপাদন বাড়ানোর
ক্ষেত্রে
জাত
উন্নয়ন,
কৃত্রিম
প্রজনন,
মানসম্পন্ন
ব্রিড
তৈরিতে
বড়
ধরনের
প্রতিবন্ধকতা
রয়েছে।
উন্নত
জাত
না
আসায়
দেশি
গাভীর
দুধ
উৎপাদন
সক্ষমতায়
বিশ্বের
অন্যান্য
দেশের
তুলনায়
পিছিয়ে
পড়েছে।
ভালো
জাত
না
থাকায়
মাংস
উৎপাদনের
ক্ষেত্রে
খামারিদের
বেশি
পরিমাণে
খাবার
ও
শ্রম
দিয়ে
কম
মাংস
উৎপাদন
করতে
হচ্ছে।
এছাড়া
দেশে
দুধ
উৎপাদন
হলেও
আমদানিতে
দেয়া
হয়নি
তেমন
কোনো
বাণিজ্য
বাধা।
পাশাপাশি
মার্কেট
ভ্যালু
চেইন
উন্নয়ন,
রোগবালাই
দমন,
প্রক্রিয়াজাত
খাদ্য
উৎপাদনসহ
নানা
সহযোগিতা
প্রয়োজন।
পাশাপাশি
খামারিদের
স্বার্থ
সুরক্ষা
ও
খামারিদের
অর্থায়ন
জটিলতাগুলোকে
দূর
করতে
হবে।
বিশেষ
করে
ঋণ
ব্যবস্থাকে
সহজীকরণ
করতে
হবে,
এখনই
স্বল্প
সুদে
ব্যাপক
হারে
ঋণ
বিতরণ
ও
তা
তদারক
করতে
হবে।
গরু
উৎপাদন
ব্যবস্থায়
খামারিদের
খরচ
কমিয়ে
মুনাফা
বাড়াতে
পদক্ষেপ
নিতে
হবে।
কম
সময়ে
বা
কম
খাবারে
গরুর
মাংস
ও
দুধ
উৎপাদন
ক্ষমতা
যাতে
বৃদ্ধি
করা
যায়
সে
লক্ষ্যে
দেশে
প্রজননের
জন্য
যে
সিমেন
আনা
হয়েছে
সেগুলোকে
পরিবর্তন
করতে
হবে।
বিশেষ
করে
বেসরকারি
পর্যায়েও
সিমেন
আমদানির
মাধ্যমে
গরু
উৎপাদন
ব্যবস্থা
করতে
হবে।
সরকারিভাবে
২০-৩০
বছর
আগের
সিমেন
দিয়ে
গরু
উৎপাদন
কমিয়ে
আনতে
হবে।
আরো
সঠিকভাবে
কার্যকর
করতে
হবে
গরু
মোটাতাজাকরণ
কার্যক্রম।
চাহিদার শতভাগ
দেশে
উৎপাদিত
পশুর
মাধ্যমে
পূরণ
সম্ভব।
রফতানি
বাজারে
মাংসের
চাহিদা
মেটানোর
সুযোগ
কাজে
লাগাতে
পারে
বাংলাদেশ।
এজন্য
খামারিদের
অর্থনৈতিকভাবে
লাভবান
করতে
ঋণ
ব্যবস্থাকে
সহজীকরণ
করতে
হবে।
উৎপাদনশীল
গরুর
জবাই
বন্ধে
আইন
বাস্তবায়নে
কার্যকর
পদক্ষেপ
নিতে
হবে।
কম
সময়ে
বা
কম
খাবারে
গরু
উৎপাদন
সক্ষমতা
বৃদ্ধিতে
এখনই
কার্যকর
উদ্যোগ
প্রয়োজন।
বেসরকারি
পর্যায়েও
সিমেন
আমদানি,
উন্নত
ব্রিডের
মাধ্যমে
গরু
উৎপাদন
ব্যবস্থা
জোরদার
করতে
হবে।
গরু
মোটাতাজাকরণ
কার্যক্রম
আরো
বৈজ্ঞানিকভাবে
পরিচালনা
করতে
হবে।
মাংস
আমদানিতে
শুল্কারোপের
পাশাপাশি
অশুল্ক
বাধাগুলো
প্রয়োগ
করতে
হবে।
এছাড়া
মাংস
প্রক্রিয়াকরণসহ
গরু
উৎপাদন
প্রক্রিয়ার
নানান
মাধ্যমে
বেসরকারি
খাতকে
এগিয়ে
আসার
সুযোগ
করে
দিতে
হবে।
প্রাণিসম্পদ
খাতে
গত
৫০
বছরের
অর্জন
বেশ
ভালো।
আর
গত
এক
দশকে
এ
খাতের
উন্নয়ন
বেশ
সমৃদ্ধ
করেছে।
দেশকে
পুষ্টিসমৃদ্ধ
জাতি
হিসেবে
গড়ে
তোলার
পাশাপাশি
গ্রামীণ
অর্থনীতির
উন্নয়নে
এ
খাতের
অবদান
অনস্বীকার্য।
পশু
পালনকে
লাভজনক
খাত
হিসেবে
দাঁড়
করাতে
বেসরকারি
খাতের
অবারিত
সুযোগ
বিকশিত
করার
সুযোগ
রয়েছে।
প্রক্রিয়াজাতসহ
নানান
প্রক্রিয়ায়
বড়
প্রতিষ্ঠানগুলোকে
এ
খাতে
বিনিয়োগে
আকর্ষণে
পদক্ষেপ
নিতে
হবে।
তাহলেই
অর্জনটা
টেকসই
হবে।
আবার কয়েক
হাজার
কোটি
টাকার
হালাল
মাংসের
বৈশ্বিক
বাজারে
আমাদের
প্রবেশ
খুবই
সীমিত।
ছোট-বড়
ও
মাঝারি
উদ্যোক্তা
তৈরি
করে
প্রক্রিয়াজাত
প্রতিষ্ঠানের
মাধ্যমে
ভ্যালু
চেইন
উন্নয়ন
করা
সম্ভব
হলে
খুব
সহজেই
রফতানির
বাজার
তৈরি
করা
যেতে
পারে।
এতে
হালাল
মাংস
রফতানির
মাধ্যমে
দেশের
রফতানি
বাণিজ্যে
বৈচিত্র্য
আনা
সম্ভব
হবে।
এক
সময়
দুধ
ও
মাংসের
চাহিদা
এবং
উৎপাদনে
যোজন
যোজন
দূরত্ব
ছিল।
সেটি
অনেকটাই
কমিয়ে
আনা
সম্ভব
হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ
খাতের
উৎপাদন
বাড়ানোর
মাধ্যমে
যুব
কর্মসংস্থান
ও
গ্রামীণ
অর্থনীতিতে
এক
ধরনের
গতিশীলতা
আসছে।
এ
খাতের
উৎপাদন
বাড়াতে
বেসরকারি
খাতকে
আরো
যুক্ত
করা,
প্রক্রিয়াজাত
শিল্পের
বিকাশে
এগিয়ে
আসা,
উন্নত
প্রযুক্তি
ও
কারিগরি
সহায়তা
প্রদান
এবং
অর্থায়ন
বাধা
দূর
করতে
সমন্বিত
কার্যক্রম
পরিচালনা
করা
প্রয়োজন।
পণ্যের
উৎপাদন
যেমন
বাড়াতে
হবে,
তেমনি
প্রক্রিয়াজাত
করে
ভোক্তাদের
কাছে
পৌঁছানোর
যথাযথ
বিপণন
কৌশল
গ্রহণ
করতে
হবে।
সাহানোয়ার সাইদ
শাহীন:
উপ-নগর
সম্পাদক,
বণিক
বার্তা
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম





