গত কয়েক
বছর দেশে
খাদ্যশস্য (চাল
ও গম)
আমদানি বেড়েই
চলেছে। সরকারি
তথ্যে দেখা
যায়, ২০০৯-১০
অর্থবছরে যখন
দেশে আমদানীকৃত
খাদ্যশস্যের পরিমাণ
ছিল ৩৪
লাখ ৫৪
হাজার টন,
তখন এক
দশক পর
অর্থাৎ ২০২০-২১
অর্থবছরে আমদানীকৃত
খাদ্যশস্যের পরিমাণ
দাঁড়ায় ৬৬
লাখ ৫৬
হাজার টনে।
এ আমদানিনির্ভরতা
এক যুগের
বেশি সময়
ধরে ক্ষমতায়
থাকা বর্তমান
সরকারের খাদ্যে
স্বনির্ভরতা অর্জন
লক্ষ্যের সঙ্গে
সংগতিপূর্ণ নয়।
কেন আমরা
খাদ্যশস্যে আমদানিনির্ভর
হয়ে পড়ছি,
তা আলোচনা
করাই এ
নিবন্ধের উদ্দেশ্য।
চাল আমাদের
প্রধান খাদ্যশস্য।
দেশের কম-বেশি
৯০ শতাংশ
মানুষ খাবার
হিসেবে মূলত
চাল থেকে
তৈরি ভাতের
ওপর নির্ভরশীল।
খাদ্যশস্যের তালিকায়
দ্বিতীয় অবস্থানে
রয়েছে গম
এবং খাদ্যপণ্যটির
চাহিদা ক্রমেই
বাড়ছে। এ
দুটি খাদ্যপণ্যের
চাহিদা মেটাতে
আমাদের আমদানিনির্ভরতা
বাড়ছে, যদিও
গম আমদানির
পরিমাণের তুলনায়
চাল আমদানির
পরিমাণ অনেক
কম। প্রথমে
আমাদের প্রধান
খাদ্যশস্য চাল
আমদানির কারণগুলো
আলোচনা করা
যেতে পারে।
চাল আমদানির
কারণগুলোর মধ্যে
রয়েছে এক.
কৃষি খাতে
(শস্য, মত্স্য
ও প্রাণিসম্পদ
ও বন
উপখাতগুলো নিয়ে
কৃষি খাত
গঠিত) প্রবৃদ্ধির
হারে নিম্নমুখিতা।
সরকারি তথ্য
মোতাবেক ১৯৯৯-২০০০
অর্থবছরে কৃষি
খাতে প্রবৃদ্ধির
হার ছিল
৬ দশমিক
৯ শতাংশ।
এরপর প্রবৃদ্ধির
হার কমে
২০০৩-০৪
অর্থবছরে তা
৪ দশমিক
৩৮ শতাংশে
দাঁড়ায় (সূত্র:
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক
সমীক্ষা-২০০৫)।
এরপর প্রবৃদ্ধির
হার একটু
একটু করে
বেড়ে ২০০৯-১০
অর্থবছরে ৬
দশমিক ১৫
শতাংশে দাঁড়ায়।
পরবর্তী বছরগুলোতে
কৃষি খাতে
প্রবৃদ্ধির এ
হার ধরে
রাখা সম্ভব
হয়নি। ২০১৯-২০
অর্থবছরের বাজেট
বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী
আ হ
ম মুস্তফা
কামাল জানান,
গত ১০
বছরে কৃষি
খাতে ৩
দশমিক ৭
শতাংশ গড়
প্রবৃদ্ধি অর্জিত
হয়েছে। ২০১৯-২০
অর্থবছরে এ
হার ৪
দশমিক ৫৯
শতাংশ। বিবিএসের
তথ্য অনুযায়ী,
২০২০-২১
অর্থবছরে প্রাথমিক
হিসাবে কৃষি
খাতে প্রবৃদ্ধির
হার ৩
দশমিক ৪৫
শতাংশ, যা
১৯৯৯-২০০০
অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির
হারের অর্ধেক।
দুই. চাল উৎপাদনে
কৃষি খাতের
নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধি
হারের বিরূপ
প্রভাব: কৃষি
খাতে প্রবৃদ্ধি
নিম্নমুখী হওয়ার
কারণে সবচেয়ে
বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
হয় শস্য
উপখাত। অর্থ
মন্ত্রণালয়ের অর্থ
বিভাগ থেকে
প্রতি বছর
প্রকাশিত বাংলাদেশ
অর্থনৈতিক সমীক্ষা
থেকে দেখা
যায়, ২০১১-১২
থেকে ২০১৬-১৭
সময়ে শস্য
উপখাতের প্রধান
ফসল চাল
উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির
হার নেতিবাচক
থেকে ১
দশমিক ৩৩
শতাংশ ইতিবাচকের
মধ্যে সীমাবদ্ধ
থাকে। প্রবৃদ্ধির
এ হার
ছিল জনসংখ্যা
বৃদ্ধির হারের
(১ দশমিক
৩৭ শতাংশ)
চেয়ে কম।
২০১৭-১৮
অর্থবছরে চালের
উৎপাদন বৃদ্ধি
পেয়ে দাঁড়ায়
৩ কোটি
৬২ লাখ
৭৯ হাজার
টনে। আগের
অর্থবছরের ঋণাত্মক
প্রবৃদ্ধির পরিবর্তে
এ অর্থবছরে
৭ দশমিক
৩ শতাংশ
ধনাত্মক প্রবৃদ্ধি
ঘটে। ২০১৮-১৯
অর্থবছরে ৩
কোটি ৬৭
লাখ টন
চাল উৎপাদনের
মধ্য দিয়ে
প্রবৃদ্ধির হার
হ্রাস পেয়ে
১ দশমিক
১৬ শতাংশ
দাঁড়ায়। ২০১৯-২০
অর্থবছরে দেশে
মোট ৩
কোটি ৫৮
লাখ ৫০
হাজার টন
চাল উৎপাদন
হয় (সূত্র:
ইউএসডিএ)।
আগের অর্থবছরের
তুলনায় প্রবৃদ্ধি
হার ছিল
ঋণাত্মক। ২০২০-২১
অর্থবছরে চাল
উৎপাদনের সরকারি
তথ্য এখন
পর্যন্ত পাওয়া
যায়নি। তবে
তা গত
অর্থবছরের তুলনায়
কিছুটা ধনাত্মক
হলেও দেশে
জনসংখ্যা বৃদ্ধির
হারের (১
দশমিক ৩০
শতাংশ) চেয়ে
বেশি হবে
বলে মনে
হয় না।
তিন. খাদ্যশস্যের প্রবৃদ্ধির
হারের তুলনায়
বেশি হারে
জনসংখ্যা বৃদ্ধি:
পঞ্চম আদমশুমারিতে
(২০১১) দেশে
জনসংখ্যা দাঁড়ায়
১৪ কোটি
২৩ লাখ
১৯ হাজারে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান
ব্যুরোর (বিবিএস)
এক সাম্প্রতিক
জরিপ (২০২০)
মোতাবেক দেশের
জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে
১৬ কোটি
৮২ লাখে।
গত এক
দশকে জনসংখ্যা
বেড়েছে ২
কোটি ৫৮
লাখ ৮১
হাজার। আর
প্রতি বছর
জনসংখ্যা বেড়েছে
প্রায় ২৬
লাখ করে।
বছরে জনসংখ্যা
বৃদ্ধির এ
হার আমাদের
খাদ্যশস্য উৎপাদনে
প্রবৃদ্ধির হারের
চেয়ে বেশি।
চার. উল্লেখযোগ্য পরিমাণে
ধান-চাল
নষ্ট হয়ে
যাওয়া: ৩
সেপ্টেম্বর বণিক বার্তার এক
প্রতিবেদনে বলা
হয়েছে, ব্যবস্থাপনাগত
ত্রুটি, প্রাকৃতিক
দুর্যোগ, কৃষক
পর্যায় ও
জাতের কারণে
প্রতি বছর
৬৭ লাখ
টন চাল
নষ্ট হয়।
চালের ঘাটতি
মেটাতে বছরে
৩৫-৪০
লাখ টন
আমদানি করতে
হয়। অথচ
প্রতি বছর
উৎপাদন পর্যায়ে
ধান বিনষ্ট
হওয়া প্রতিরোধ
করা গেলে
চালের আমদানিনির্ভরতা
কাটিয়ে ওঠা
কঠিন হতো
না। তাই
ফলন-পূর্ববর্তী
ও পরবর্তী
অপচয়ের রাশ
টেনে ধরতে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
গ্রহণে সরকারকে
বিশেষভাবে তত্পর
হতে হবে।
খাদ্যশস্যে দ্বিতীয়
অবস্থানে থাকা
গম উৎপাদন
মোটেই সন্তোষজনক
নয়। সরকারি
তথ্য মোতাবেক
১৯৯৮-৯৯
অর্থবছরে দেশে
গমের উৎপাদন
দাঁড়িয়ে ছিল
১৯ লাখ
৮ হাজার
টনে, আর
এখন তা
১২-১৩
লাখ টনের
মধ্যে সীমাবদ্ধ।
জলবায়ু পরিবর্তনের
প্রভাবে দেশে
শীতের তীব্রতা
ও স্থায়িত্ব
হ্রাস, গম
ফসলে মারাত্মক
ব্লাস্ট রোগের
আক্রমণ ইত্যাদি
কারণে একরপ্রতি
উৎপাদনশীলতা হ্রাস
পাওয়ায় গম
চাষে কৃষকের
কিছুটা অনীহা
দেখা দেয়ায়
দেশে গমের
উৎপাদন ভীষণভাবে
হ্রাস পেয়েছে।
চাহিদার তুলনায়
পণ্যটির উৎপাদনের
পরিমাণ পাঁচ
ভাগের এক
ভাগে নেমে
আসায় দেশ
গমে প্রায়
পুরোপুরি আমদানিনির্ভর
হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক
সমীক্ষা, খাদ্য
মন্ত্রণালয়, খাদ্য
অধিদপ্তর ও
অন্যান্য সূত্রে
পাওয়া তথ্যে
দেখা যায়,
গত কয়েক
বছরে চাল
উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি
নিম্নমুখী হওয়ায়
দাম স্থিতিশীল
রাখতে সরকারি
ও বেসরকারি
খাতে বিপুল
পরিমাণ চাল
আমদানি করা
হয়েছে। ২০১০-১১
অর্থবছরে সরকারি
ও বেসরকারি
খাত মিলে
চাল আমদানির
পরিমাণ দাঁড়ায়
১৫ লাখ
৫৪ হাজার
টন। ২০১১-১২
অর্থবছরে সরকারি
ও বেসরকারি
খাতে আমদানির
পরিমাণ ছিল
৫ লাখ
১৩ হাজার
টন। ২০১২-১৩
ও ২০১৩-১৪
অর্থবছরে চাল
আমদানি পরিমাণ
কমে এলেও
২০১৪-১৫
অর্থবছরে আমদানির
পরিমাণ ছিল
১৪ লাখ
৯০ হাজার
টন। ২০১৫-১৬
ও ২০১৬-১৭
অর্থবছরে চাল
আমদানির ওপর
যথাক্রমে ১০
ও ২৮
শতাংশ শুল্ক
আরোপ করায়
আমদানির পরিমাণ
ভীষণভাবে কমে
যায়। ২০১৬-১৭
অর্থবছরে শুধু
বেসরকারি খাতে
চাল আমদানির
পরিমাণ দাঁড়ায়
১ লাখ
৩৩ হাজার
টনে। ২০১৭-১৮
অর্থবছরে চাল
আমদানির পরিমাণ
দাঁড়ায় ৩৮
লাখ টনে,
যা সাম্প্রতিককালের
সর্বোচ্চ পরিমাণ
চাল আমদানি।
২০১৮-১৯
অর্থবছরে সরকারি-বেসরকারি
খাতে ১
লাখ ৫০
হাজার টন
চাল আমদানি
করা হয়।
২০১৯-২০
অর্থবছরে শুধু
বেসরকারি খাতে
চার হাজার
টন চাল
আমদানি করা
হয়। সদ্যসমাপ্ত
অর্থবছরে ১৩
লাখ টনের
কিছু বেশি
চাল আমদানি
করা হয়েছে।
আগেই উল্লেখ
করা হয়েছে,
প্রধান খাদ্যশস্য
চাল আমদানির
তুলনায় খাদ্যশস্যের
তালিকায় দ্বিতীয়
অবস্থানে থাকা
গমের আমদানির
পরিমাণ বহুগুণ
বেশি। গত
পাঁচ বছরে
গম আমদানির
তথ্য পর্যালোচনা
করলে দেখা
যায়, দেশে
গমের মোট
চাহিদার (কম-বেশি
৭০ লাখ
টন) প্রায়
তিন-চতুর্থাংশ
মেটানো হয়েছে
আমদানির মাধ্যমে।
তবে গম
আমদানির পরিমাণ
সর্বোচ্চ পর্যায়ে
পৌঁছে ২০১৭-১৮
অর্থবছরে। ওই
অর্থবছরে সরকারি-বেসরকারি
খাতে আমদানীকৃত
গমের পরিমাণ
ছিল প্রায়
৬০ লাখ
টন। গত
অর্থবছরে গম
আমদানির পরিমাণ
দাঁড়িয়েছে ৫৩
লাখ টনে।
সরকারি তথ্যের
বরাত দিয়ে
গত ২৪
আগস্ট বণিক বার্তার এক
প্রতিবেদনে গত
১২ অর্থবছরে
(২০০৯-১০
থেকে ২০২০-২১)
আমদানীকৃত খাদ্যশস্যের
(চাল ও
গম) একটি
বিবরণী প্রকাশিত
হয়েছে। এতে
দেখা যায়,
একটানা ১২
বছরের বেশি
সময় ক্ষমতায়
আসীন আওয়ামী
লীগ সরকারের
প্রথম অর্থবছরে
(২০০৯-১০)
যেখানে খাদ্যশস্য
আমদানির পরিমাণ
ছিল ৩৪
লাখ ৫৪
হাজার টন,
সেখানে সদ্যসমাপ্ত
অর্থবছরে (২০২০-২১)
অর্থাৎ দলটির
ক্ষমতায় থাকার
দ্বাদশ বছরে
খাদ্যশস্য আমদানির
পরিমাণ দাঁড়িয়েছে
৬৬ লাখ
৫৬ হাজার
টনে। তবে
এর আগে
২০১৭-১৮
অর্থবছরে খাদ্যশস্য
আমদানির পরিমাণ
ছিল ৯৭
লাখ ৭৪
হাজার টন।
এটাই প্রমাণ
করে, চাহিদা
মেটাতে আমরা
কীভাবে খাদ্যশস্য
আমদানির ওপর
নির্ভরশীল হয়ে
পড়ছি।
খাদ্যশস্যে আমদানিনির্ভরতা
বাড়লেও কোনো
কোনো মন্ত্রী
ও ক্ষমতাসীন
দলের নেতাকে
বলতে শোনা
যায়, দেশ
খাদ্যোৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
তাদের আত্মতৃপ্তিতে
ভোগা থেকে
সরে এসে
বাস্তবতার নিরিখে
চাল ও
গমসহ অন্য
সব খাদ্যপণ্যের
প্রবৃদ্ধির হার
কীভাবে বাড়ানো
যায় সেদিকে
মনোযোগ দিতে
হবে। খাদ্যশস্যসহ
সার্বিক খাদ্যোৎপাদন
বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা
কমিয়ে আনতে
নিচে কিছু
সুপারিশ দেয়া
হলো।
ক. বাড়িঘর
নির্মাণ, শিল্প
স্থাপন, রাস্তা
নির্মাণ ইত্যাদি
কারণে দেশে
কৃষিজমির পরিমাণ
দ্রুত হ্রাস
পাচ্ছে। সবচেয়ে
বেশি কৃষিজমি
চলে যাচ্ছে
আবাসন খাতে,
বিশেষ করে
গ্রামাঞ্চলে বাড়িঘর
নির্মাণে। তাই
কৃষিজমি অকৃষি
খাতে স্থানান্তর
এক রকম
বন্ধই করতে
হবে এবং
২০১৪ সালে
সমবায়ভিত্তিক ভবন
নির্মাণে নেয়া
পরীক্ষামূলক ‘পল্লী
জনপদ’ প্রকল্পটি
বাস্তবায়ন করে
সারা দেশের
গ্রামাঞ্চলে এটির
বিস্তার ঘটাতে
হবে।
খ. খাদ্যশস্য,
বিশেষ করে
প্রধান খাদ্যশস্য
চালে স্বনির্ভরতা
অর্জনের লক্ষ্যে
সার্বিক প্রচেষ্টা
নিতে হবে।
উত্তরাঞ্চলের সার্বিক
কৃষি খাত
রক্ষায় এবং
পরিবেশ বিপর্যয়
এড়াতে আমাদের
তিস্তার পানির
ন্যায্য হিস্যা
পেতেই হবে।
তাই যত
শিগগির সম্ভব
তিস্তার পানির
ন্যায্য হিস্যা
বণ্টনে চুক্তি
সম্পাদনে ভারতকে
রাজি করাতে
জোর কূটনৈতিক
প্রচেষ্টা চালাতে
হবে। একই
সঙ্গে চীনের
আর্থিক সহায়তায়
তিস্তা প্রকল্প
বাস্তবায়নে সর্বাত্মক
প্রচেষ্টা নিতে
হবে।
গ. দেশের
উত্তরাঞ্চলে ভূ-উপরিস্থ
পানি ধরে
রাখার আধারগুলো
সংস্কারের মাধ্যমে
সেগুলোর ধারণক্ষমতা
বাড়ানো গেলে
এবং গ্রীষ্মকালে
ওই পানি
বোরো চাষে
ব্যবহার হলে
ভূগর্ভস্থ পানির
ব্যবহার বহুলাংশে
কমে যাবে।
এতে উত্তরাঞ্চলে
বোরো চাষ
হ্রাসের ঝুঁকি
নেয়ার প্রয়োজনীয়তা
এড়ানো সম্ভব
হতে পারে।
ঘ. ২০২১
সালের জুনে
অর্থ মন্ত্রণালয়ের
অর্থ বিভাগ
কর্তৃক ‘মধ্যমেয়াদি
সামষ্টিক অর্থনৈতিক
নীতি বিবৃতি:
২০২১-২৪’
প্রকাশ করা
হয়েছে। এতে
উল্লেখিত চলমান
কার্যক্রম ও
সুপারিশগুলোর বাস্তবায়ন
ত্বরান্বিত করতে
হবে।
ঙ. জলবায়ু
পরিবর্তনের ফলে
দেশে শীতের
প্রকোপ ও
স্থায়িত্ব কমে
যাওয়ায় উষ্ণ
আবহাওয়া-সহনশীল
জাতের গম
উদ্ভাবনের ওপর
জোর দিতে
হবে।
চ. সাম্প্রতিক
বছরগুলোয় খাদ্যশস্য
উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির
হার কমে
যাওয়ায় চাহিদা
মেটাতে দেশ
আমদানিনির্ভরশীল হয়ে
পড়লেও কৃষিতে
ভর্তুকির পরিমাণ
একই অংকে
(৯ হাজার
কোটি টাকা)
ঘুরপাক খাচ্ছে।
কৃষি খাতে
ভর্তুকির পরিমাণ
বাড়াতে হবে।
ছ. মনুষ্যসৃষ্ট
যেসব কারণ
কৃষির প্রবৃদ্ধির
পথে হুমকি
হয়ে দাঁড়িয়েছে,
সেগুলো মোকাবেলায়
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
নিতে হবে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
ও জলবায়ু
পরিবর্তনের ফলে
সৃষ্ট হুমকি
মোকাবেলায় প্রশমনমূলক
কার্যক্রম গ্রহণ
করতে হবে।
মো. আবদুল লতিফ মণ্ডল: সাবেক খাদ্য সচিব





