সভ্যতার উন্নয়নে
বড়
নিয়ামক
বিদ্যুৎ।
সেই
বিদ্যুতে
এখন
স্বয়ংসম্পন্ন
হয়ে
উঠেছে
বাংলাদেশ।
বিদ্যুৎ
নিয়ে
মহাপরিকল্পনার
পথ
ধরে
বেড়েছে
বিদ্যুতের
উৎপাদন
সক্ষমতা।
মাথাপিছু
বিদ্যুৎ
উৎপাদন
এখন
৫৬০
কিলোওয়াট
ঘণ্টা।
বিদ্যুৎ
খাতের
এ
অর্জন
সরকারি
উদ্যোগের
পাশাপাশি
বেসরকারি
বিনিয়োগ
সমৃদ্ধ
করেছে।
বিশেষত
বিদ্যুৎ
খাতে
প্রাইভেট
সেক্টর
পাওয়ার
জেনারেশন
পলিসি
প্রণয়ন
হওয়ায়
পর
বিদ্যুৎ
খাতে
বেসরকারি
বিনিয়োগের
দ্বার
উন্মুুক্ত
করা
হয়।
বর্তমানে
বিদ্যুৎ
খাতে
বেসরকারি
বিদ্যুতের
অংশগ্রহণ
প্রায়
৪৩
শতাংশ।
বর্তমানে
বেসরকারিভাবে
৮৮টি
বিদ্যুৎকেন্দ্র
উৎপাদনক্ষম
রয়েছে।
এসব
কেন্দ্র
থেকে
৯
হাজার
৪৮১
মেগাওয়াট
বিদ্যুৎ
বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ
উন্নয়ন
বোর্ডকে
(পিডিবি) সরবরাহ
করা
হচ্ছে।
বিদ্যুতে বেসরকারি
খাতকে
অগ্রাধিকারের
অংশ
হিসেবে
১৯৯৬
সালে
ঢাকার
অদূরে
নারায়ণগঞ্জের
হরিপুরে
৩৬০
মেগাওয়াট
বিদ্যুৎকেন্দ্র
নির্মাণ
করা
হয়।
একই
সময়ে
নারায়ণগঞ্জের
মেঘনাঘাটে
৪৫০
মেগাওয়াট
সক্ষমতার
আরো
একটি
বিদ্যুৎকেন্দ্র
নির্মাণ
করা
হয়।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক
কোম্পানি
এএসই
করপোরেশন
এ
বিদ্যুৎকেন্দ্র
নির্মাণ
করে।
১৯৯৭
সালে
বিদ্যুৎ
খাতে
বিনিয়োগ
শুরু
করে
সামিট।
১৯৯৮
সালে
প্রথম
বিদ্যুৎ
উৎপাদন
শুরু
করে
কোম্পানিটি।
সামিট
পাওয়ারের
কর্ণধার
মোহাম্মদ
আজিজ
খানের
হাত
ধরে
বেসরকারি
বিদ্যুৎ
খাত
সমৃদ্ধ
হতে
থাকে।
বর্তমানে
কোম্পানিটির
২০টি
বিদ্যুৎকেন্দ্র
রয়েছে,
যার
উৎপাদন
সক্ষমতা
১
হাজার
৯৪১
মেগাওয়াট।
এ
খাতে
কোম্পানিটির
মোট
সম্পদের
পরিমাণ
সাড়ে
৭
হাজার
কোটি
টাকার
বেশি।
দেশীয়
বিদ্যুৎ
খাতে
বিনিয়োগের
পাশাপাশি
আন্তর্জাতিক
অঙ্গনেও
সামিট
ব্যবসা
প্রসারিত
করেছে।
সামিটের মতো
১৯৯৭
সালে
বিদ্যুৎ
খাতে
বিনিয়োগ
শুরু
করে
ইউনাইটেড
পাওয়ার
জেনারেশন
অ্যান্ড
ডিস্ট্রিবিউশন
কোম্পানি
লিমিটেড।
ইউনাইটেড
পাওয়ারের
কর্ণধার
হাসান
মাহমুদ
রাজার
নেতৃত্বে
দেশে
বেসরকারি
বিদ্যুৎ
খাত
আরো
এক
ধাপ
সম্প্রসারিত
হয়।
১
হাজার
৩০০
মেগাওয়াট
বিদ্যুৎ
সরবরাহ
করছে
কোম্পানিটি।
দেশে
কম্বাইন্ড
সাইকেল
পাওয়ার
প্লান্টের
মাধ্যমে
বিদ্যুৎ
উৎপাদনে
কোম্পানিটি
দেশীয়
ও
আন্তর্জাতিক
অঙ্গনে
সুখ্যাতি
পেয়েছে।
বেসরকারি খাতকে
অগ্রাধিকার
দেয়ায়
বিদ্যুৎ
খাতে
ওরিয়ন,
বাংলা
ট্র্যাক,
বারাকা,
কনফিডেন্সের
মতো
বিদ্যুৎ
কোম্পানিগুলো
এ
খাতে
প্রতিযোগিতা
শুরু
করেছে।
বর্তমানে
৫১টি
কোম্পানি
বেসরকারিভাবে
বিদ্যুৎ
খাতে
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা
রাখছে।
এক হিসাবে
দেখা
গেছে,
বর্তমানে
নির্মাণাধীন
বিদ্যুৎকেন্দ্রের
মধ্যে
বেসরকারি
খাতে
বিনিয়োগের
পরিমাণ
প্রায়
৮
বিলিয়ন
মার্কিন
ডলার,
যার
মধ্যে
দরপত্র
প্রক্রিয়াধীন
বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর
বিনিয়োগের
পরিমাণ
প্রায়
৪
বিলিয়ন
মার্কিন
ডলার।
বিদ্যুৎ
খাতে
একসময়
বিদেশী
বিভিন্ন
অর্থায়নকারী
প্রতিষ্ঠানগুলোর
ওপর
নির্ভর
করা
হতো।
কিন্তু
এ
বিনিয়োগ
লাভজনক
হওয়ায়
বর্তমানে
দেশীয়
কোম্পানিগুলো
আগ্রহ
নিয়ে
বিনিয়োগ
শুরু
করেছে।
মিশ্র জ্বালানি
পরিকল্পনায়
জীবাশ্ম
জ্বালানির
ব্যবহার
বৃদ্ধির
পরিপ্রেক্ষিতে
সরকারের
বিনিয়োগের
পাশাপাশি
বেসরকারি
খাতও
বিনিয়োগে
অংশগ্রহণ
বাড়িয়েছে।
২০২৫
সালের
মধ্যে
জীবাশ্ম
জ্বালানি
থেকে
যে
বিদ্যুৎ
উৎপাদনের
পরিকল্পনা
নেয়া
হয়েছে,
সেখানে
সেখানে
এক-তৃতীয়াংশ
আসবে
বেসরকারি
খাত
থেকে।
দেশের
অর্থনৈতিক
উন্নয়ন
ও
বিনিয়োগে
অন্যতম
ভূমিকা
বিদ্যুৎ
খাতের
এ
অবস্থান
একদিনের
নয়।
দুই
দশকেরও
বেশি
সময়
ধরে
বেসরকারি
বিনিয়োগ
প্রসারিত
হয়েছে।
দেশ
স্বাধীনের
শুরু
থেকেই
বিদ্যুৎ
খাত
ছিল
মূলত
সরকারি
বিনিয়োগনির্ভর।
বেসরকারি
খাতের
অংশগ্রহণ
ছিল
না
বললেই
চলে।
১৯৯৬
সালে
‘প্রাইভেট
সেক্টর
পাওয়ার
জেনারেশন
পলিসি-১৯৯৬’
(সংশোধিত-২০০৪)
জারির
মাধ্যমে
বিদ্যুৎ
খাতে
বেসরকারি
উদ্যোক্তারা
বিনিয়োগে
আগ্রহী
হন।
বিদ্যুৎ
খাতে
‘বেসরকারি
অংশগ্রহণ
বৃদ্ধির
নীতিমালা-২০০৮’,
‘টেকসই
ও
নবায়নযোগ্য
জ্বালানি
উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষ
আইন-২০১২’,
‘বিদ্যুৎ
জ্বালানির
দ্রুত
সরবরাহ
আইন-২০১০’
(বিশেষ আইন)
প্রণয়নের
ফলে
বেসরকারি
খাতে
বিদ্যুৎ
উৎপাদন
উত্তরোত্তর
বেড়েছে।
বেসরকারি খাতে
বিদ্যুৎকেন্দ্র
নির্মাণের
জন্য
পিডিবির
‘ব্যাংকেবল
প্রজেক্ট
ডকুমেন্টস’
ও
চলমান
বিদ্যুৎ
কেন্দ্রগুলোর
ক্ষেত্রে
পিডিবি
‘কন্ট্রাক্ট
কমপ্লায়েন্স’
ও
‘পেমেন্ট
রেকর্ড’-এর
মাধ্যমে
উদ্যোক্তা
ও
অংশগ্রহণকারীদের
প্রকল্পে
পূর্ণ
আস্থা
ও
সন্তুষ্টি
বেড়ে
যায়।
বিশেষত
২০০৯
সাল
থেকে
বর্তমান
পর্যন্ত
১২
বছরে
বিদ্যুৎ
খাতে
যুগান্তকারী
উন্নয়ন
হয়েছে।
এ
১২
বছর
বিদ্যুৎ
খাতের
সোনালি
অধ্যায়
হিসেবে
বর্ণনা
করা
যেতে
পারে।
এর
আগ
পর্যন্ত
দেশের
বিদ্যুৎ
খাত
এক
প্রকার
অন্ধকারে
ছিল।
২০০৯
সালে
আওয়ামী
লীগ
সরকার
ক্ষমতা
গ্রহণের
পর
বিদ্যুতের
উন্নয়নে
নানামুখী
উদ্যোগ
নেয়।
ঘরে
ঘরে
বিদ্যুৎ
পৌঁছে
দেয়ার
অঙ্গীকার
করা
হয়
নির্বাচনী
ইশতেহারে।
পাওয়ার
সিস্টেম
মাস্টারপ্ল্যান
প্রণয়নের
পর
দেশে
বিদ্যুতের
বছরভিত্তিক
লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ
করা
হয়।
এ
পরিকল্পনা
বাস্তবায়নে
সরকার
কাজ
করে
যাচ্ছে।
এক দশকের
বেশি
সময়
ধরে
দেশে
বিদ্যুতের
ব্যবহার
বেড়েছে।
২০০৯
সালে
যেখানে
বিদ্যুতের
মাথাপিছু
ব্যবহার
ছিল
২২০
কিলোওয়াট
ঘণ্টা,
সেখানে
তা
বেড়ে
দাঁড়িয়েছে
৫৬০
কিলোওয়াট।
বিদ্যুতের
উন্নয়নে
গত
১০
বছরের
পরিসংখ্যান
বিশ্লেষণে
সে
তথ্যই
পাওয়া
যায়।
২০০৯
সালে
দেশে
মোট
বিদ্যুৎকেন্দ্র
ছিল
২৭টি।
উৎপাদন
সক্ষমতা
ছিল
৪
হাজার
৯৪২
মেগাওয়াট।
বর্তমানে
বিদ্যুৎকেন্দ্রের
সংখ্যা
১৪৬।
উৎপাদন
সক্ষমতা
বেড়ে
দাঁড়িয়েছে
২৫
হাজার
২৩৫
মেগাওয়াট।
২০০৯
সালের
আগ
পর্যন্ত
দেশের
সঞ্চালন
লাইন
ছিল
৮
হাজার
সার্কিট
কিলোমিটার,
বর্তমানে
১২
হাজার
৯৭৬
কিলোমিটার।
অর্থাৎ
গত
১২
বছরে
৪
হাজার
৯৭৬
কিলোমিটার
সঞ্চালন
লাইন
বেড়েছে।
গ্রিড
উপকেন্দ্র
ছিল
১৫
হাজার
৮৭০টি।
বর্তমানে
৫২
হাজার
৬৭৯টিতে
উন্নীত
হয়েছে।
২০০৯
সালে
বিতরণ
লাইন
ছিল
২
লাখ
৬০
হাজার
কিলোমিটার।
বর্তমানে
৬
লাখ
১৪
হাজার
কিলোমিটার।
বেড়েছে
৩
লাখ
৫৪
হাজার
কিলোমিটার।
বিদ্যুৎ
গ্রাহক
ছিল
১
কোটি
৮
লাখ।
বর্তমানে
তা
বেড়ে
৪
কোটি
৯
লাখে
দাঁড়িয়েছে।
৩
কোটি
১
লাখ
গ্রাহক
বেড়েছে।
সিস্টেম
লস
ছিল
১৪
দশমিক
৩৩
শতাংশ।
বর্তমানে
৮
দশমিক
৪৮
শতাংশ।
৫
দশমিক
৮৫
শতাংশ
সিস্টেম
লস
কমে
এসেছে।
সংবিধানের ১৬
নম্বর
অনুচ্ছেদে
নগর
ও
গ্রামাঞ্চলের
জীবনযাত্রার
মানের
বৈষম্য
ক্রমাগতভাবে
দূর
করার
উদ্দেশ্যে
গ্রামাঞ্চলে
বৈদ্যুতিকীকরণের
ব্যবস্থা,
অন্যান্য
শিল্পের
বিকাশ
রাষ্ট্র
কর্তৃক
কার্যকর
ব্যবস্থা
গ্রহণের
অঙ্গীকার
করা
হয়।
স্বাধীনতার
পর
জাতির
জনক
বঙ্গবন্ধু
প্রেসিডেন্সিয়াল
অর্ডার
৫৯
(পিও-৫৯)-এর
মাধ্যমে
১৯৭২
সালের
৩১
মে
ওয়াপদাকে
দুই
ভাগে
বিভক্ত
করে
বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ
উন্নয়ন
বোর্ড
(বিউবো) ও
বাংলাদেশ
পানি
উন্নয়ন
বোর্ড
(পাউবো) গঠন
করা
হয়।
এতে
সমগ্র
দেশে
বিদ্যুৎ
উৎপাদন,
সঞ্চালন
ও
বিতরণের
দায়িত্ব
অর্পিত
হয়
বিদ্যুৎ
উন্নয়ন
বোর্ডের
ওপর।
১৯৭২-৭৫
সময়ে
আশুগঞ্জ,
ঘোড়াশাল
ও
সিদ্ধিরগঞ্জে
তিনটি
পাওয়ার
হাব
প্রতিষ্ঠা
করা
হয়।
১৯৯৬ সালে
শেখ
হাসিনার
নেতৃত্বে
আওয়ামী
লীগ
সরকার
ক্ষমতায়
আসার
পর
বিদ্যুৎ
খাতে
বড়
ধরনের
পরিবর্তন
সূচিত
হয়।
এ
সময়
বিদ্যুৎ
খাত
বেসরকারি
মালিকানার
জন্য
উন্মুক্ত
করা
হয়।
আইপিপি
অর্থাৎ
ইনডিপেনডেন্ট
পাওয়ার
প্রডিউসার
নীতিমালা
করা
হয়।
এ
সরকারের
আমলেই
দেশী-বিদেশী
অনেক
বিনিয়োগ
হয়
বিদ্যুৎ
উৎপাদন
খাতে।
বেসরকারি
খাত
থেকেই
সে
সময়
১
হাজার
২৯০
মেগাওয়াট
বিদ্যুৎ
উৎপাদনের
চুক্তি
করা
হয়।
বিদ্যুৎ
খাতে
এটি
ছিল
একটি
ঐতিহাসিক
ঘটনা।
এরপর
ক্রমেই
বিদ্যুৎ
উৎপাদন
বাড়তে
থাকে।
বিদ্যুতের
সর্বোচ্চ
ব্যবহার
বাড়াতে
১৯৭৭
সালে
বাংলাদেশ
পল্লী
বিদ্যুতায়ন
বোর্ড
(আরইবি) গঠন
করা
হয়।
সে
সময়
সংস্থাটির
নাম
ছিল
রুরাল
ইলেকট্রিফিকেশন
বোর্ড।
গ্রামাঞ্চলে
বিদ্যুৎ
বিতরণ
করাই
আরইবির
কাজ।
পাশাপাশি
পল্লী
অঞ্চলে
বিদ্যুৎ
সরবরাহ
লাইন
নির্মাণ
করা।
এটি
বিদ্যুৎ
খাতে
একটি
ঐতিহাসিক
ঘটনা।
বিশ্বব্যাংকের
অর্থায়নে
এ
বিতরণ
অবকাঠামো
নির্মাণ
কার্যক্রম
পরিচালিত
হয়।
কিন্তু
উৎপাদন
ঘাটতি
থাকার
কারণে
গ্রামাঞ্চলে
বিদ্যুৎ
সরবরাহ
ছিল
খুবই
কম।
অন্যদিকে
শহর
অঞ্চলে
বিদ্যুৎ
সরবরাহে
কাজ
করছে
পিডিবিসহ
অন্যান্য
কোম্পানি।
পরবর্তী সময়ে
বিদ্যুৎ
উৎপাদন
বৃদ্ধির
সঙ্গে
পল্লী
অঞ্চলে
বিতরণ
অবকাঠামোও
দ্রুত
বাড়তে
থাকে।
এখন
সারা
দেশের
৯৯
দশমিক
৫০
শতাংশ
মানুষ
বিদ্যুৎ
সুবিধার
আওতায়
আছে।
শুধু
পাহাড়ি
ও
দুর্গম
কিছু
এলাকা
ছাড়া
সারা
দেশেই
পল্লী
বিদ্যুতের
লাইন
আছে।
বর্তমানে
আরইবির
গ্রাহকই
৩
কোটি
১১
লাখ।
৮০টি
সমিতির
মাধ্যমে
সারা
দেশের
গ্রামাঞ্চলে
এ
বিদ্যুৎ
সরবরাহ
করা
হচ্ছে।
দেশে বিদ্যুৎ
উৎপাদনে
এখন
বহুমুখী
জ্বালানির
ব্যবহার
বাড়ছে।
তেল,
কয়লা,
প্রাকৃতিক
গ্যাস
ও
নবায়নযোগ্য
জ্বালানি
থেকে
বিদ্যুৎ
উৎপাদন
করা
হচ্ছে।
বর্তমানে
বিদ্যুৎ
উৎপাদনে
প্রাকৃতিক
গ্যাসের
ব্যবহার
হচ্ছে
৫১
দশমিক
৯৭
শতাংশ,
ফার্নেস
অয়েল
২৭
দশমিক
২৫,
ডিজেল
৫
দশমিক
৮৬,
কয়লা
৮
দশমিক
শূন্য
৩,
জলবিদ্যুৎ
১
দশমিক
শূন্য
৪,
গ্রিড
সোলার
দশমিক
২৭
শতাংশ
ও
বিদ্যুৎ
আমদানি
৫
দশমিক
২৭
শতাংশ।
পরবর্তী
সময়ে
ভিশন
২০৩০-এ
পরিবর্তন
আনা
হয়েছে।
পরিবেশদূষণ
ও
এসডিজির
দিকে
লক্ষ
রেখে
সরকার
মাস্টারপ্ল্যান
রিভিউতে
কয়লার
ব্যবহার
কমিয়ে
আনার
সিদ্ধান্ত
নেয়া
হয়েছে।
বিদ্যুৎ খাতের
উন্নয়নে
২০৪১
সালের
মধ্যে
৬০
হাজার
মেগাওয়াট
উৎপাদন
লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ
করেছে
সরকার।
এরই
অংশ
হিসেবে
দেশে
কয়লা,
পরমাণু
ও
নবায়নযোগ্য
জ্বালানি
ব্যবহার
বাড়ানো
হচ্ছে।
পাবনার
রূপপুরে
নির্মাণ
করা
হচ্ছে
২
হাজার
৪০০
মেগাওয়াট
পারমাণবিক
বিদ্যুৎকেন্দ্র,
পটুয়াখালীর
পায়রায়
আল্ট্রা
সুপার
ক্রিটিক্যাল
প্রযুক্তি
ব্যবহার
করে
১
হাজার
৩২০
মেগাওয়াট
বিদ্যুৎকেন্দ্র
ও
বাগেরহাটের
রামপালে
১
হাজার
৩২০
মেগাওয়াট।
বিদ্যুতের
অবকাঠামো
উন্নয়নে
এসব
অঞ্চলে
জাপান,
চীন,
ভারত
ও
সিঙ্গাপুরের
মতো
দেশ
বিনিয়োগ
করছে।
খালেদ মাহমুদ: সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)





