১৫ নভেম্বর, ১৮৬২
সালে
দর্শনা-জগতি
স্টেশনের
মধ্যে
তদানীন্তন
ইস্ট
বেঙ্গল
রেলওয়ের
ট্রেন
চলাচলের
মাধ্যমে
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
যাত্রা
শুরু।
বাংলাদেশ
রেলওয়ে
একটি
সেবামূলক
সংস্থা।
দেশের
যোগাযোগ
ব্যবস্থার
উন্নয়নে
বর্তমান
বাংলাদেশ
সরকারের
ক্ষমতা
গ্রহণের
পর
থেকে
বাংলাদেশ
রেলওয়েকে
প্রকৃত
গণপরিবহন
মাধ্যম
হিসেবে
ঢেলে
সাজাতে
ও
একুশ
শতকের
চ্যালেঞ্জ
মোকাবেলার
জন্য
বাংলাদেশ
রেলওয়েকে
গড়ে
তুলতে
গত
এক
দশকে
ব্যাপক
উন্নয়ন
কার্যক্রম
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
বাংলাদেশ
রেলওয়েকে
আধুনিক,
যুগোপযোগী
গণপরিবহন
মাধ্যম
হিসেবে
গড়ে
তোলার
লক্ষ্যে
বর্তমান
সরকার
সর্বাধিক
গুরুত্ব
দিয়েছে।
রেলওয়ে নেটওয়ার্ক:
১)
বাংলাদেশের
অন্তর্ভুক্ত
রেলওয়ে
নেটওয়ার্ক
ব্রিটিশ
উপনিবেশকালে
ব্রিটিশ-ভারত
রেলওয়ের
অংশ
হিসেবে
নির্মাণ
করা
হয়েছিল।
ব্রিটিশ-ভারত
থেকে
উত্তরাধিকার
সূত্রে
প্রাপ্ত
রেলওয়ে
নেটওয়ার্ক
বর্তমানে
পরিবর্তিত
ট্রাফিক
প্রবাহ
চাহিদা
মেটাতে
সক্ষম
হচ্ছে
না।
বর্তমান
প্রেক্ষাপট
অনুযায়ী
রাজধানীমুখী
রেলওয়ে
নেটওয়ার্ক
পরিবর্তন,
চট্টগ্রাম
বন্দর
ও
গুরুত্বপূর্ণ
শহরের
মধ্যে
বিদ্যমান
দূরত্ব
কমানো
এবং
রেলওয়ে
নেটওয়ার্কের
বহির্ভূত
জেলাগুলোকে
রেলওয়ের
নেটওয়ার্কভুক্ত
করা
সময়ের
দাবি।
২)
খুলনা-মোংলা
রেল
সংযোগ,
ঈশ্বরদী-ঢালারচর
রেলপথ,
পাচুরিয়া-ফরিদপুর-ভাঙ্গা
রেলপথ,
কালুখালী-কাশিয়ানী
রেলপথ,
খুলনা-দর্শনা
ডাবল
লাইন
নির্মাণ
ইত্যাদি
চলমান
প্রকল্পগুলোর
মাধ্যমে
রেলওয়ের
বিদ্যমান
নেটওয়ার্ক
বর্ধিতকরণ/পুনরায়
চালুকরণ
হচ্ছে।
বাংলাদেশ
সরকার
সপ্তম-পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনার
অধীনে
কয়েকটি
মেগা
প্রকল্প
যেমন—পদ্মা
সেতু
রেলসংযোগ,
দোহাজারী-কক্সবাজার
ও
রামু-গুনদুম
পর্যন্ত
ডুয়াল
গেজ
ট্র্যাক
নির্মাণ,
ঢাকা-কুমিল্লা-চট্টগ্রাম
এক্সপ্রেস
রেলপথ,
ভাঙ্গা-বরিশাল-পায়রা
সমুদ্রবন্দর
রেলপথ
নির্মাণ,
মাতারবাড়ী/সোনাদিয়া
গভীর
সমুদ্রবন্দর
রেল
সংযোগ,
কাশিয়ানী-টুঙ্গিপাড়া
রেলপথ
নির্মাণ
ইত্যাদি
বাস্তবায়নের
উদ্যোগ
নিয়েছে।
বাংলাদেশ
সরকার
বিভিন্ন
মেয়াদে
সব
জেলা
ও
গুরুত্বপূর্ণ
স্থানগুলোয়
রেলপথ
সংযোগের
লক্ষ্যে
৩০
বছর
মেয়াদি
(২০১৬-২০৪৫)
মাস্টারপ্ল্যান
গ্রহণ
করেছে।
অপারেশনাল প্রতিবন্ধকতা:
১)
লাইন
ক্যাপাসিটির
সীমাবদ্ধতা
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
গুরুত্বপূর্ণ
করিডোরে
বিদ্যমান
সিঙ্গেল
রেললাইন
সুষ্ঠু
ট্রেন
পরিচালনায়
চরম
প্রতিবন্ধকতা,
যা
দ্রুত
সমাধান
প্রয়োজন।
বর্তমানে
ঢাকা-চট্টগ্রাম
ডাবল
লাইন
নির্মাণকাজ
চলমান।
জাইকা
ও
বাংলাদেশ
সরকারের
আর্থিক
সহায়তায়
লাকসাম-চিনকী
আস্তানা
সেকশনে
নির্মিত
৬১
কিমি
ডাবল
লাইন
১৮
এপ্রিল
২০১৫
উদ্বোধন
করা
হয়েছে।
এছাড়া
এডিবি
ও
বাংলাদেশ
সরকারের
আর্থিক
সহায়তায়
টঙ্গী-ভৈরব
বাজার
সেকশনে
নির্মিত
৬৪
কিমি
ডাবল
লাইন
২৫
ফেব্রুয়ারি
২০১৬
উদ্বোধন
করা
হয়েছে।
রেলওয়ে
অ্যাপ্রোচসহ
দ্বিতীয়
ভৈরব
ও
দ্বিতীয়
তিতাস
সেতু
৯
নভেম্বর
২০১৭
উদ্বোধন
করা
হয়।
এডিবি,
ইআইবি
ও
বাংলাদেশ
সরকারের
আর্থিক
সহায়তায়
অবশিষ্ট
আখাউড়া-লাকসাম
সিঙ্গেল
লাইন
সেকশন
(৭২ কিমি)
ডাবল
লাইনে
উন্নীত
করার
কাজ
চলমান।
বাংলাদেশ
সরকার
পর্যায়ক্রমে
সব
গুরুত্বপূর্ণ
করিডরে
ডাবল
লাইন
নির্মাণ
ও
সব
নতুন
প্রকল্পের
আওতায়
ডুয়াল
গেজ
ডাবল
লাইন
নির্মাণের
বিবেচনায়
ভূমি
অধিগ্রহণের
পরিকল্পনা
গ্রহণ
করেছে।
২)
বন্ধ
ইন্টারচেঞ্জ
পয়েন্টস
ভারতীয়
রেলওয়ের
সঙ্গে
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
আটটি
ইন্টারচেঞ্জ
পয়েন্টস
রয়েছে,
এর
মধ্যে
পাঁচটি
চালু
রয়েছে।
বন্ধ
ইন্টারচেঞ্জ
পয়েন্টগুলো
পুনরুজ্জীবিত
ও
নতুন
একটি
ইন্টারচেঞ্জ
পয়েন্ট
চালুর
জন্য
প্রকল্প
চলমান।
এছাড়া
বান্দরবানের
গুনদুমে
মিয়ানমার
বর্ডারের
সঙ্গে
ও
আখাউড়া-আগরতলা
বর্ডারে
নতুন
আরো
দুটি
ইন্টারচেঞ্জ
পয়েন্ট
প্রতিষ্ঠার
জন্য
বাংলাদেশ
সরকারের
পরিকল্পনা
রয়েছে
এবং
এ
লক্ষ্যে
প্রকল্প
চলমান।
চলমান
প্রকল্পগুলো
আঞ্চলিক
ও
উপআঞ্চলিক
রেলওয়ে
পরিবহন
ব্যবস্থা
সুগম
করবে।
৩)
সেতু
ক্যাপাসিটির
সীমাবদ্ধতা
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
প্রথম
বৃহৎ
উন্নয়ন
অর্জন
যমুনা
নদীর
ওপর
নির্মিত
বঙ্গবন্ধু
সেতুতে
রেল
সংযোগ।
কিন্তু
সেতুর
ওপর
মালামাল
পরিবহনে
লোড
ও
গতির
সীমাবদ্ধতা
একটি
অপারেশনাল
সীমাবদ্ধতা।
বাংলাদেশ
সরকার
জাইকার
আর্থিক
সহায়তায়
বিদ্যমান
বঙ্গবন্ধু
সেতুর
৩০০
মিটার
উজানে
স্বতন্ত্র
রেলওয়ে
সেতু
নির্মাণ
কার্যক্রম
চলমান।
অধিকন্তু
ইডিসিএফ
কোরিয়ার
অর্থায়নে
কর্ণফুলী
নদীর
ওপর
রেল-কাম-সড়ক
সেতুও
নির্মাণ
করা
হবে।
বাংলাদেশ
সরকার
আঞ্চলিক
ও
উপআঞ্চলিক
যান
চলাচলের
উপযোগিতার
লক্ষ্যে
নতুন
সেতু
নির্মাণ
ও
বিদ্যমান
সেতু
পুনর্নির্মাণ/পুনর্বাসন
করার
পরিকল্পনা
গ্রহণ
করেছে।
গেজ ইউনিফিকেশন প্রতিবন্ধকতা:
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
মাস্টারপ্ল্যানে
গেজ
ইউনিফিকেশনের
(ব্রড গেজ)
সংস্থান
রয়েছে।
অন্তর্বর্তী
ব্যবস্থা
হিসেবে
সরকার
বিদ্যমান
সব
মিটার
গেজ
সেকশনকে
ডুয়াল
গেজে
রূপান্তর
ও
সব
নতুন
রেলপথ
ডুয়াল
গেজে
নির্মাণ
করার
সিদ্ধান্ত
গ্রহণ
করেছে।
যাত্রী
ও
মালামাল
পরিবহন
ক্যাপাসিটি
বৃদ্ধিকরণ,
আঞ্চলিক
যোগাযোগ
সুসংহতকরণ,
অধিকতর
যাত্রী
সুবিধাদান
ও
নিরাপত্তা
বৃদ্ধিকল্পে
এডিবির
আর্থিক
সহায়তায়
ঢাকা-চট্টগ্রাম-দোহাজারী
মিটার
গেজ
সেকশনকে
ডুয়াল
গেজে
রূপান্তরকরণের
প্রকল্প
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
বাংলাদেশ
সরকার
পর্যায়ক্রমে
সব
মিটার
গেজ
রেললাইনকে
ডুয়াল
গেজে
রূপান্তরসহ
নতুন
রেললাইনগুলো
ব্রড
গেজ/ডুয়াল
গেজ
হিসেবে
নির্মাণের
পরিকল্পনা
গ্রহণ
করেছে।
পর্যাপ্ত জনবলস্বল্পতা:
বর্তমানে
বাংলাদেশ
রেলওয়েতে
মঞ্জুরীকৃত
৪০
হাজার
২৭৫
জনবলের
বিপরীতে
মাত্র
২৪
হাজার
৫৭৩
জনবল
কর্মরত।
এ
অবস্থায়
বাংলাদেশ
রেলওয়ে
বর্তমানে
অপারেশনাল
জনবল
যেমন
স্টেশনমাস্টার,
লোকোমাস্টার
(চালক), পোর্টার,
লেভেল
ক্রসিং
গেটম্যান
ইত্যাদি
জনবল
সংকটে
রয়েছে।
২০১০
সাল
থেকে
বাংলাদেশ
রেলওয়েতে
১৩
হাজার
৯৮১
জনবল
নিয়োগ
করা
হলেও
দক্ষতার
সঙ্গে
দৈনন্দিন
অপারেশন
ও
রক্ষণাবেক্ষণ
কার্য
এবং
উন্নয়ন
প্রকল্প
বাস্তবায়নের
নিমিত্তে
বাংলাদেশ
রেলওয়েতে
অধিক
জনবল
নিয়োগ
প্রয়োজন।
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
৪৭
হাজার
৭০৩টি
পদসংবলিত
সংশোধিত
জনবল
কাঠামো
গত
আগস্ট,
২০২০
জনপ্রশাসন
মন্ত্রণালয়
কর্তৃক
অনুমোদন
হয়েছে।
ওই
জনবল
কাঠামো
গত
১
নভেম্বর,
২০২০
সালে
অর্থ
মন্ত্রণালয়ের
অনুমোদন
পেয়েছে।
প্রস্তাবিত
জনবল
কাঠামোটি
মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী
কর্তৃক
২
সেপ্টেম্বর
২০২১
সালে
৪৭
হাজার
৬৩৭টি
পদসংবলিত
সংশোধিত
জনবল
কাঠামো
অনুমোদন
হয়।
এ
সংশোধিত
জনবল
কাঠামোতে
নিয়োগ
হলে
জনবলস্বল্পতা
হ্রাস
পাবে
ও
জনগণকে
তাদের
কাঙ্ক্ষিত
সেবা
প্রদান
সম্ভব
হবে
বলে
আশা
করা
যাচ্ছে।
এছাড়া
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
ক্যাডারবহির্ভূত
কর্মচারী
নিয়োগ
বিধিমালা-২০২০
২২
নভেম্বর,
২০২০
সালে
জনপ্রশাসন
মন্ত্রণালয়
কর্তৃক
অনুমোদন
হয়েছে
ও
এ
নিয়োগ
বিধিমালার
আলোকে
বর্তমানে
তৃতীয়
ও
চতুর্থ
শ্রেণীর
কর্মচারী
নিয়োগ
কার্যক্রম
চলমান।
রক্ষণাবেক্ষণ প্রতিবন্ধকতা:
১.
আধুনিক
ওয়ার্কশপ
ও
কারখানাস্বল্পতা:
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
রোলিং
স্টকগুলোর
নিয়মিত
রক্ষণাবেক্ষণের
দক্ষতা
বৃদ্ধির
জন্য
নিম্নোক্ত
ওয়ার্কশপগুলোর
আধুনিকায়ন
প্রয়োজন:
লোকোমোটিভ
রক্ষণাবেক্ষণ
ওয়ার্কশপ:
(১) কেন্দ্রীয়
লোকোমোটিভ
কারখানা,
পার্বতীপুর;
(২) ডিজেল
ওয়ার্কশপ
পাহাড়তলী,
চট্টগ্রাম;
(৩) ডিজেল
ওয়ার্কশপ,
ঢাকা;
ও
(৪) ডিজেল
ওয়ার্কশপ,
পার্বতীপুর।
ক্যারেজ
ও
ওয়াগন
রক্ষণাবেক্ষণ
ওয়ার্কশপ:
(১) ক্যারেজ
ও
ওয়াগন
শপ,
সৈয়দপুর,
নীলফামারী;
(২) ক্যারেজ
ও
ওয়াগন
শপ,
পাহাড়তলী,
চট্টগ্রাম।
শেড
ও
ডিপো:
১৩টি
লোকোশেড
ও
২০টি
ক্যারেজ
এবং
ওয়াগন
ডিপো।
প্লান্ট/ফ্যাক্টরি:
(১) কংক্রিট
স্লিপার
প্লান্ট,
ছাতক
বাজার,
সিলেট
(মিটার গেজ
কংক্রিট
স্লিপার
তৈরির
জন্য);
(২) স্লিপার
ট্রিটমেন্ট
প্লান্ট,
কাঞ্চননগর,
চট্টগ্রাম
(কাঠের স্লিপার
ট্রিটমেন্ট
করার
জন্য)।
২.
ঢাকা-চট্টগ্রাম
করিডর
ডুয়াল
গেজে
রূপান্তরিত
হচ্ছে
বিধায়
ঢাকা
ও
চট্টগ্রামে
বিদ্যমান
ওয়ার্কশপ
ও
প্লান্ট,
নতুন
লোকোশেড,
ডিপো,
ফুয়েলিং
সুবিধা
ইত্যাদি
ব্রড
গেজ
রোলিং
স্টকের
জন্য
নির্মাণ
করতে
হবে।
ব্রড
গেজ
ও
ডুয়াল
গেজ
কংক্রিট
স্লিপার
তৈরির
কারখানা,
মেকানাইজড
রেলপথ
রক্ষণাবেক্ষণ
ওয়ার্কশপ
ইত্যাদি
নির্মাণের
পরিকল্পনা
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
রয়েছে
এবং
নতুন
ওয়ার্কশপ
তৈরি,
বিদ্যমান
ওয়ার্কশপগুলোর
আধুনিকায়ন
ও
সম্প্রসারণের
বিষয়ে
সমীক্ষা
ও
বিশদ
ডিজাইন
প্রণয়নপূর্বক
এবং
বিনিয়োগ
প্রকল্পের
ব্যয়
প্রাক্কলনের
লক্ষ্যে
‘বাংলাদেশ
রেলওয়ের
রোলিং
স্টক
অপারেশন
উন্নয়ন
(রোলিং স্টক
সংগ্রহ)’
শীর্ষক
প্রকল্প
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
রেলপথের সক্ষমতা বৃদ্ধি:
রেলওয়ের
গুরুত্বপূর্ণ
সেকশনগুলো
ডাবল
লাইনে
উন্নীত
হলে
এসব
সেকশনে
অধিকসংখ্যক
ট্রেন
পরিচালনা,
সময়ানুবর্তিতা
রক্ষা
ও
ট্রেন
যাত্রার
সময়
হ্রাস
সম্ভব
হবে।
সরকারের
উন্নয়ন
কার্যক্রমের
আওতায়
অধিকসংখ্যক
ট্রেন
পরিচালনা,
ট্রেনের
গতি
বৃদ্ধি
ও
উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন
মালবাহী
ট্রেন
পরিচালনার
সক্ষমতা
বৃদ্ধির
জন্য
গৃহীত
কার্যক্রম
নিম্নে
উল্লেখ
করা
হলো:
১)
বর্তমান
সরকার
ক্ষমতা
গ্রহণের
পর
দেশের
সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ
রেলপথ,
ঢাকা-চট্টগ্রাম
রেলওয়ে
করিডরকে
ডাবল
লাইনে
উন্নীত
করার
কাজ
শুরু
হয়।
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
ঢাকা-চট্টগ্রাম
করিডরের
দূরত্ব
৩২১
কিলোমিটার।
এর
নমধ্যে
১১৮
কিলোমিটার
ডাবল
লাইন
বিদ্যমান
ছিল।
তিনটি
প্রকল্পের
আওতায়
অর্থাৎ
লাকসাম-চিনকি
আস্তানা
সেকশনে
৬১
কিলোমিটার,
টঙ্গী-ভৈরব
বাজার
সেকশনে
৬৪
কিলোমিটার
এবং
দ্বিতীয়
ভৈরব
ও
দ্বিতীয়
তিতাস
সেতু
নির্মাণ
প্রকল্পের
আওতায়
৬
কিমি
ডাবল
লাইন
নির্মাণকাজ
সমাপ্তির
ফলে
বর্তমানে
ঢাকা-চট্টগ্রাম
করিডরের
৩২১
কিলোমিটারের
মধ্যে
২৪৯
কিলোমিটার
রেলপথে
ডাবল
লাইনে
ট্রেন
চলাচল
শুরু
হওয়ায়
ট্রেন
পরিচালনার
ক্ষেত্রে
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
সক্ষমতা
বৃদ্ধি
পেয়েছে।
এডিবি
ও
ইআইবির
অর্থায়নে
আখাউড়া
থেকে
লাকসাম
পর্যন্ত
৭২
কিমি
ডুয়াল
গেজ
ডাবল
রেললাইন
নির্মাণ
এবং
বিদ্যমান
রেললাইনকে
ডুয়াল
গেজে
রূপান্তর
প্রকল্পের
আওতায়
রেলপথ
নির্মাণকাজ
চলমান।
প্রকল্পটি
সম্পন্ন
হলে
ঢাকা-চট্টগ্রাম
করিডরের
৩২১
কিমি
রেলপথের
পুরো
অংশেই
ডাবল
লাইনে
ট্রেন
চলাচল
শুরু
হবে।
ফলে
ট্রেন
পরিচালনার
ক্ষেত্রে
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
সক্ষমতা
বহু
গুণ
বাড়বে।
২)
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ
সেকশনে
বিদ্যমান
লাইনের
সমান্তরাল
একটি
ডুয়াল
গেজ
লাইন
নির্মাণের
কাজ
হাতে
নেয়া
হয়েছে।
প্রকল্পের
মূল
কাজ
বাস্তবায়নের
লক্ষ্যে
ঠিকাদারের
সঙ্গে
২০
জুন
২০১৭
চুক্তিপত্র
সম্পাদন
করা
হয়েছে।
বর্তমানে
মাঠপর্যায়ে
কাজ
চলমান।
৩)
যমুনা
নদীর
ওপর
বিদ্যমান
বঙ্গবন্ধু
সেতুর
সমান্তরালে
ডুয়াল
গেজ
ডাবল
ট্র্যাকসম্পন্ন
‘বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিব
রেলওয়ে
সেতু
নির্মাণ’
শীর্ষক
প্রকল্প
গ্রহণ
করা
হয়।
গত
২৯
নভেম্বর
২০২০
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিব
সেতু
নির্মাণের
ভিত্তিপ্রস্তর
উদ্বোধন
করা
হয়।
৪)
খুলনা-দর্শনা
সেকশন
ডাবল
লাইনে
রূপান্তরের
জন্য
‘বাংলাদেশ
রেলওয়ের
খুলনা-দর্শনা
ডাবল
লাইন
নির্মাণ’
শীর্ষক
প্রকল্পটি
দ্বিতীয়
ভারতীয়
লাইন
অফ
ক্রেডিটের
আওতায়
বাস্তবায়নের
পদক্ষেপ
নেয়া
হয়েছে।
প্রকল্পের
ডিপিপি
গত
৮
মে
২০১৮
একনেক
সভায়
অনুমোদন
হয়।
পরামর্শক
প্রতিষ্ঠান
নিয়োগের
কার্যক্রম
চলমান।
৫)
‘পার্বতীপুর
থেকে
কাউনিয়া
পর্যন্ত
মিটার
গেজ
রেলওয়ে
লাইনকে
ডুয়াল
গেজে
রূপান্তর’
শীর্ষক
প্রকল্পটি
দ্বিতীয়
ভারতীয়
লাইন
অব
ক্রেডিটের
আওতায়
বাস্তবায়নের
পদক্ষেপ
নেয়া
হয়েছে।
প্রকল্পের
ডিপিপি
গত
২৭
ফেব্রুয়ারি
২০১৮
একনেক
সভায়
অনুমোদন
হয়।
বর্তমানে
পরামর্শক
প্রতিষ্ঠান
নিয়োগের
কার্যক্রম
চলমান।
৬)
জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ-জামালপুর
সেকশন
ডাবল
লাইনে
রূপান্তরের
জন্য
‘জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ-জামালপুর
সেকশনে
বিদ্যমান
রেললাইনের
সমান্তরাল
একটি
ডুয়াল
গেজ
রেললাইন
নির্মাণ’
শীর্ষক
প্রকল্পটি
চীনা
সরকারের
জিটুজি
অর্থায়নে
বাস্তবায়নের
লক্ষ্যে
চূড়ান্ত
হয়েছে।
বাণিজ্যিক
চুক্তি
স্বাক্ষরের
লক্ষ্যে
চীনা
প্রতিষ্ঠান
চায়না
রেলওয়ে
ইন্টারন্যাশনাল
গ্রুপ
লিমিটেডের
(সিআরআই) সঙ্গে
নেগোসিয়েশন
চলমান।
এছাড়া
প্রকল্পটির
সম্ভাব্যতা
সমীক্ষা
সমাপ্ত
হয়েছে।
৭)
আখাউড়া-সিলেট
সেকশন
ডুয়াল
গেজে
রূপান্তরের
জন্য
‘বাংলাদেশ
রেলওয়ের
আখাউড়া-সিলেট
সেকশনের
বিদ্যমান
মিটার
গেজ
রেললাইনকে
ডুয়াল
গেজে
রূপান্তর’
শীর্ষক
প্রকল্পটি
চীনা
সরকারের
অর্থায়নে
জি
টুজিভিত্তিতে
বাস্তবায়নের
জন্য
উদ্যোগ
নেয়া
হয়েছে।
প্রকল্পটি
গত
৯
এপ্রিল
২০১৯
অনুষ্ঠিত
একনেক
সভায়
অনুমোদন
হয়েছে।
চীনা
সরকারের
মালিকানাধীন
প্রতিষ্ঠান
চায়না
রেলওয়ে
কনস্ট্রাকশন
ব্রিজ
ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যুরো
গ্রুপ
কোম্পানি
লিমিটেডের
(সিআরবিজি) সঙ্গে
বাণিজ্যিক
চুক্তি
স্বাক্ষরের
জন্য
পরবর্তী
কার্যক্রম
চলমান।
রেলপথ পুনর্বাসন ও নতুন
রেলপথ নির্মাণ:
১)
আখাউড়া-আগরতলা
ডুয়াল
গেজ
রেল
সংযোগ
নির্মাণ
(বাংলাদেশ অংশ)
শীর্ষক
প্রকল্পটি
১৬
আগস্ট
২০১৬
একনেক
সভায়
অনুমোদন
হয়।
প্রকল্পের
মূল
কাজ
বাস্তবায়নের
লক্ষ্যে
২১
মে
২০১৮
ঠিকাদারের
সঙ্গে
চুক্তি
স্বাক্ষরিত
হয়।
বর্তমানে
মাঠপর্যায়ে
নির্মাণকাজ
চলমান।
২)
ঢাকা
থেকে
পদ্মা
সেতু
হয়ে
ফরিদপুর
জেলার
ভাঙ্গা-যশোর
পর্যন্ত
রেলপথ
নির্মাণের
লক্ষ্যে
পদ্মা
সেতু
রেল
সংযোগ
প্রকল্প
(প্রথম সংশোধিত)
একনেক
কর্তৃক
অনুমোদন
হয়েছে।
২৭
এপ্রিল
২০১৮
চায়না
এক্সিম
ব্যাংকের
সঙ্গে
ঋণচুক্তি
স্বাক্ষরিত
হয়
যা
১৮
মে
২০১৮
কার্যকর
হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী
জননেত্রী
শেখ
হাসিনা
১৪
অক্টোবর
২০১৮
প্রকল্পের
মূল
কাজের
আনুষ্ঠানিক
উদ্বোধন
করেন।
বর্তমানে
মাঠপর্যায়ে
নির্মাণকাজ
চলমান।
৩)
এডিবির
আর্থিক
সহযোগিতায়
দোহাজারী
থেকে
রামু
হয়ে
কক্সবাজার
ও
রামু
থেকে
মিয়ানমারের
কাছে
গুনদুম
পর্যন্ত
সিঙ্গেল
লাইন
ডুয়াল
গেজ
ট্র্যাক
নির্মাণ
প্রকল্পটি
বাস্তবায়নের
কাজ
হাতে
নেয়া
হয়েছে।
প্রকল্পটি
১৯
এপ্রিল
২০১৬
একনেক
সভায়
অনুমোদন
হয়।
দোহাজারী-কক্সবাজার
পর্যন্ত
১০০
কিমি
রেললাইন
নির্মাণকাজের
জন্য
ঠিকাদার
প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে
১৬
সেপ্টেম্বর
২০১৭
চুক্তিপত্র
স্বাক্ষর
হয়।
মাঠ
পর্যায়ে
নির্মাণকাজ
চলমান।
৪)
পায়রা
সমুদ্রবন্দরকে
রেলওয়ে
নেটওয়ার্কের
আওতায়
আনার
লক্ষ্যে
ভাঙ্গা-বরিশাল
হয়ে
পায়রা
সমুদ্রবন্দর
পর্যন্ত
রেলপথ
নির্মাণের
সম্ভাব্যতা
সমীক্ষা
প্রস্তাব
গত
৯
অক্টোবর
২০১৬
পরিকল্পনামন্ত্রী
কর্তৃক
অনুমোদন
হয়।
পরামর্শক
প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে
গত
১৯
জুন
২০১৮
চুক্তি
স্বাক্ষরিত
হয়েছে।
মাঠপর্যায়ে
সমীক্ষা
কার্যক্রম
শেষ
পর্যায়ে।
৫)
ভারতীয়
লাইন
অব
ক্রেডিটের
আওতায়
সম্ভাব্যতা
সমীক্ষাসহ
খুলনা-মংলা
পোর্ট
পর্যন্ত
ব্রড
গেজ
রেললাইন
নির্মাণ
প্রকল্পটি
২১
ডিসেম্বর
২০১০
একনেকে
অনুমোদন
হয়।
বর্তমানে
মাঠ
পর্যায়ে
প্রকল্পের
কাজ
চলমান।
৬)
চট্টগ্রামের
জানালীহাট
স্টেশন-চুয়েট-কাপ্তাই
পর্যন্ত
ডুয়াল
গেজ
রেললাইন
নির্মাণের
জন্য
সম্ভাব্যতা
সমীক্ষা
শীর্ষক
সমীক্ষা
প্রস্তাবটি
গত
২৮
ডিসেম্বর
২০১৬
অনুমোদন
হয়।
প্রকল্পটি
জুন,
২০১৯-এ
সমাপ্ত
হয়েছে।
৭)
বগুড়া
থেকে
শহীদ
এম
মনসুর
আলী
স্টেশন
পর্যন্ত
নতুন
ডুয়াল
গেজ
রেললাইন
নির্মাণের
উদ্যোগ
নেয়া
হয়েছে।
প্রকল্পটি
তৃতীয়
ভারতীয়
লাইন
অব
ক্রেডিটের
আওতায়
বাস্তবায়নের
জন্য
অন্তর্ভুক্ত
হয়েছে।
প্রকল্পটি
৩০
অক্টোবর
২০১৮
একনেকে
অনুমোদন
হয়েছে।
বর্তমানে
পরামর্শক
নিয়োগ
চুক্তিপত্র
সম্পন্ন
হয়েছে।
৮)
ফরিদপুর
জেলার
‘মধুখালী
থেকে
কামারখালী
হয়ে
মাগুরা
শহর
পর্যন্ত
ব্রড
গেজ
রেলপথ
নির্মাণ’
শীর্ষক
প্রকল্প
২৯
মে
২০১৮
একনেকে
অনুমোদন
হয়।
২৯
মে
২০১৯
পরামর্শক
প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে
চুক্তি
স্বাক্ষর
হয়েছে।
পরামর্শক
কর্তৃক
মাঠ
পর্যায়ে
সমীক্ষা
কার্যক্রম
শেষ
হয়েছে।
গত
২৭
মে
২০২১
মধুখালী
থেকে
মাগুরা
পর্যন্ত
রেললাইন
নির্মাণের
উদ্বোধন
করা
হয়।
৯)
ঢাকা
শহরের
চতুর্দিকে
বৃত্তাকার
রেলপথ
নির্মাণের
জন্য
একটি
সম্ভাব্যতা
সমীক্ষা
প্রস্তাব
গত
২৭
ডিসেম্বর
২০১৭
পরিকল্পনামন্ত্রী
কর্তৃক
অনুমোদন
হয়েছে।
পরামর্শক
প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে
গত
৩০
এপ্রিল
২০১৯
চুক্তিপত্র
স্বাক্ষরিত
হয়েছে।
মাঠ
পর্যায়ে
সমীক্ষা
কার্যক্রম
চলমান।
১০)
ঢাকা-চট্টগ্রাম
ভায়া
কুমিল্লা/লাকসাম
দ্রুতগতির
রেলপথ
নির্মাণে
সম্ভাব্যতা
সমীক্ষা
ও
বিশদ
ডিজাইন
শীর্ষক
একটি
সমীক্ষা
প্রকল্প
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
সমীক্ষা
প্রকল্পটি
১৮
মার্চ
২০১৭
অনুমোদন
হয়।
সম্ভাব্যতা
সমীক্ষা
ও
বিশদ
ডিজাইন
কার্যক্রম
সম্পন্ন
করার
লক্ষ্যে
৩১
মে
২০১৮
পরামর্শক
প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে
চুক্তি
সম্পাদন
করা
হয়েছে।
বর্তমানে
বিশদ
নকশা
প্রণয়ন
চলমান।
১১)
‘দর্শনা
থেকে
ডামুড়হুদা
ও
মুজিবনগর
হয়ে
মেহেরপুর
পর্যন্ত
নতুন
ব্রড
গেজ
রেললাইন
নির্মাণের
জন্য
সম্ভাব্যতা
যাচাই
ও
বিশদ
ডিজাইন’
শীর্ষক
প্রকল্পটি
১৬
সেপ্টেম্বর
২০১৮
অনুমোদন
হয়।
বর্তমানে
পরামর্শক
কর্তৃক
মাঠ
পর্যায়ে
সমীক্ষা
কার্যক্রম
চলমান।
আন্তঃদেশীয়
যোগাযোগের
ক্ষেত্রে
রেলওয়ের
অর্জন:
বাংলাদেশ-ভারত
কানেক্টিভিটি:
ভারতীয়
রেলওয়ের
সঙ্গে
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
সংযোগের
জন্য
আটটি
ইন্টারচেঞ্জ
পয়েন্ট
রয়েছে।
এ
আটটি
ইন্টারচেঞ্জ
পয়েন্টের
মধ্যে
পাঁচটি
বর্তমানে
চালু
রয়েছে।
বন্ধ
তিনটি
ইন্টারচেঞ্জ
পয়েন্টের
মধ্যে
একটি
চালু
করার
পদক্ষেপ
নেয়া
হয়েছে।
এছাড়া
বর্তমানে
আরো
দুটি
নতুন
ইন্টারচেঞ্জ
পয়েন্ট
নির্মাণের
উদ্যোগ
নেয়া
হয়েছে।
বাংলাদেশ-মিয়ানমার কানেক্টিভিটি:
‘দোহাজারী
থেকে
রামু
হয়ে
কক্সবাজার
এবং
রামু
থেকে
মিয়ানমারের
কাছে
গুনদুম
পর্যন্ত
সিঙ্গেল
লাইন
ডুয়াল
গেজ
ট্র্যাক
নির্মাণ’
প্রকল্প
বাস্তবায়নের
মাধ্যমে
বাংলাদেশ-মিয়ানমার
কানেক্টিভিটি
স্থাপিত
হতে
পারে।
উল্লিখিত
প্রকল্পটি
১৮
হাজার
৩৪
কোটি
৪৭
লাখ
টাকা
প্রাক্কলিত
ব্যয়ে
৬
জুলাই
২০১০
সালে
একনেকে
অনুমোদন
হয়।
প্রকল্পের
আওতায়
দোহাজারী
থেকে
পর্যটন
নগরী
কক্সবাজার
এবং
রামু
থেকে
গুনদুম
পর্যন্ত
স্টেশন
অবকাঠামোসহ
১২৯
কিমি
নতুন
ডুয়াল
গেজ
রেললাইন
নির্মাণ
করা
হবে।
প্রকল্পের
ভৌত
অগ্রগতি
জুন,
২০২১
পর্যন্ত
প্রায়
৬০
শতাংশ।
প্রকল্পটি
২০২২
সালের
মধ্যে
সমাপ্তির
লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ
করা
হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বাংলাদেশ
রেলওয়ে
সাসেক
রেল
যোগাযোগ
বিনিয়োগ
কার্যক্রমের
জন্য
কারিগরি
সহায়তা
প্রকল্পের
আওতায়
রেলওয়ের
মাস্টারপ্ল্যান
হালনাগাদ
করার
কার্যক্রম
গ্রহণ
করে।
এ
প্রকল্পের
আওতায়
রেলওয়ে
মাস্টারপ্ল্যান
হালনাগাদ
করা
হয়েছে,
যা
সরকার
কর্তৃক
২৯
জানুয়ারি
২০১৮
সালে
অনুমোদন
হয়েছে।
নতুন
অনুমোদিত
রেলওয়ের
মাস্টারপ্ল্যানে
জুলাই
২০১৬
থেকে
জুন
২০৪৫
পর্যন্ত
ছয়টি
পর্যায়ে
বাস্তবায়নের
জন্য
৫
কোটি
৫৩
লাখ
৬৬২
কোটি
টাকা
ব্যয়ে
২৩০টি
প্রকল্প
অন্তর্ভুক্ত
আছে।
রেলওয়ের
মাস্টারপ্ল্যানের
আওতায়
প্রকল্পগুলো
বাস্তবায়ন
করা
হলে
সমগ্র
বাংলাদেশকে
রেলওয়ে
নেটওয়ার্কের
আওতায়
আনার
পদক্ষেপ
গ্রহণ
করা
হবে।
বাংলাদেশ
সরকার
এসডিজি
বাস্তবায়নের
জন্য
এরই
মধ্যে
নীতি-কৌশল
গ্রহণ
করেছে।
সে
পরিপ্রেক্ষিতে
পরিকল্পনা
কমিশনের
সাধারণ
অর্থনীতি
বিভাগ
প্রণীত
ম্যাপিং
অনুযায়ী
রেলপথ
মন্ত্রণালয়
চারটি
এসডিজি
গোলের
আওতায়
আটটি
টার্গেট
অর্জনের
নিমিত্তে
অ্যাকশন
প্ল্যান
প্রণয়ন
করেছে
ও
সে
অনুযায়ী
প্রকল্প/কার্যক্রম
গ্রহণ
এবং
বাস্তবায়ন
করে
যাচ্ছে।
বাংলাদেশের
মতো
জনবহুল
দেশে
গণপরিবহন
হিসেবে
রেলওয়ের
গুরুত্ব
অপরিসীম।
অথচ
দীর্ঘদিন
রেলওয়ে
সেক্টর
অবহেলিত
ছিল।
নিরাপদ,
সাশ্রয়ী,
পরিবেশবান্ধব
হওয়ায়
রেলওয়ের
জনপ্রিয়তা
যেমন
বৃদ্ধি
পাচ্ছে,
তেমনি
জনগণের
মাঝে
রেলভ্রমণের
আগ্রহ
উত্তরোত্তর
বৃদ্ধি
পাচ্ছে।
বাংলাদেশ
রেলওয়েকে
একটি
শক্তিশালী
পরিবহন
নেটওয়ার্ক
হিসেবে
গড়ে
তোলার
লক্ষ্যে
বর্তমান
সরকার
বদ্ধপরিকর।
এ
লক্ষ্যে
বহুমুখী
পদক্ষেপ
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
গৃহীত
চলমান
উদ্যোগ
বাস্তবায়নের
মাধ্যমে
প্রত্যাশিত
সমৃদ্ধ
ও
উন্নত
বাংলাদেশ
বিনির্মাণে
বাংলাদেশ
রেলওয়ে
নিরন্তর
কাজ
করে
যাচ্ছে।
এস এম
সলিমুল্লাহ বাহার:
প্রধান
পরিকল্পনা
কর্মকর্তা
বাংলাদেশ রেলওয়ে





