৪ অক্টোবর ১৯৫৭,
এ
দিন
উেক্ষপণ
করা
হয়
পৃথিবীর
প্রথম
কৃত্রিম
উপগ্রহ
ইন্টারস্পুটনিক।
শুরু
হয়
মানব
সভ্যতার
মহাকাশযাত্রা।
৬৪
বছর
আগের
এ
দিন
থেকে
পৃথিবীতে
শুরু
হয়
মহাকাশযাত্রার
যুগ।
এর
ঠিক
১৭
বছর
পর
জাতির
পিতা
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবুর
রহমান
মহাকাশ
জয়ের
সুদূরপ্রসারী
স্বপ্নের
প্রথম
পদক্ষেপ
হিসেবে
বেতাবুনিয়ায়
একটি
স্যাটেলাইট
গ্রাউন্ড
স্টেশন
উদ্বোধন
করেন।
এ
স্বপ্ন
পূরণে
‘ডিজিটাল
বাংলাদেশ’
নামে
একটি
প্রকল্প
হাতে
নেন
তার
সুযোগ্য
কন্যা
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনা।
সিদ্ধান্ত
নেন
বাংলাদেশের
প্রথম
স্যাটেলাইট
উেক্ষপণের।
সে
পদাঙ্ক
অনুসরণ
করে
প্রধানমন্ত্রীর
তথ্য
ও
যোগাযোগ
প্রযুক্তিবিষয়ক
উপদেষ্টার
নিবিড়
তত্ত্বাবধানে
২০১৮
সালের
১২
মে
বাংলাদেশ
সময়
ভোর
২টা
১৪
মিনিটে
উেক্ষপিত
হয়
বঙ্গবন্ধু
স্যাটেলাইট-১।
যুক্তরাষ্ট্রের
ফ্লোরিডা
অঙ্গরাজ্যের
কেপ
ক্যানাভেরাল
থেকে
স্পেসএক্সের
অত্যাধুনিক
রকেট
ফ্যালকের
মাধ্যমে
স্যাটেলাইটটি
উেক্ষপণ
করা
হয়।
স্যাটেলাইট
যুগে
পদার্পণের
আগে
টেলিযোগাযোগ
ব্যবস্থা
এত
সহজ
ছিল
না।
একটা
সময়
ছিল
যখন
মানুষ
ধোঁয়া,
কবুতরের
মাধ্যমে
একে
অপরের
সঙ্গে
যোগাযোগ
স্থাপন
করত।
আধুনিক
টেলিযোগাযোগ
পদ্ধতি
শুরু
হয়েছিল
‘গ্রিক
হাইড্রোলিক
সেমফোর
সিস্টেম’র
মাধ্যমে।
পরবর্তী
সময়ে
তা
‘টেলিগ্রাফ
সিস্টেমে’
উন্নীত
হয়।
এ
অবস্থার
পরিবর্তন
হয়
উনিশ
শতকে
উন্নত
প্রযুক্তিগত
উদ্ভাবনের
মাধ্যমে।
রেললাইনের
সঙ্গে
বসানো
হয়
টেলিগ্রাফ
লাইন।
১৮১৬
সালে
ফ্রান্সিস
রোনাল্ডস
তৈরি
করেন
প্রথম
বৈদ্যুতিক
টেলিগ্রাফ
সিস্টেম
যা
স্ট্যাটিক
বিদ্যুতের
মাধ্যমে
কাজ
করত।
১৮৫১
সালে
ইংলিশ
চ্যানেলজুড়ে
প্রথমবারের
মতো
স্থাপিত
হয়
সাবমেরিন
কেবল।
১৮৫৭-৫৮
সালে
পরীক্ষামূলকভাবে
বসানো
হয়
ট্রান্সআটলান্টিক
কেবল।
তবে
ট্রান্সআটলান্টিক
টেলিগ্রাফ
কেবলের
সফলতা
এসেছিল
১৮৬৬
সালের
২৭
জুলাই।
প্রথমবারের
মতো
ক্রমাগত
ট্রান্সআটলান্টিক
টেলিকমিউনিকেশনের
অনুমোদন
পায়
এ
প্রযুক্তি।
১৮৭০
সালের
কোনো
এক
সময়
আবিষ্কৃত
হয়
বৈদ্যুতিক
টেলিফোন
সিস্টেমের।
১৮৭৬
সালে
প্রখ্যাত
বিজ্ঞানী
ও
উদ্ভাবক
আলেকজান্ডার
গ্রাহাম
বেল
পেটেন্ট
করেন
টেলিযোগাযোগের
এ
মাধ্যমটির,
যা
আজও
জনপ্রিয়।
১৮৬৭
সালে
গাণিতিকতত্ত্ব
‘ম্যাক্সওয়েল
ইকুয়েশন’
নিয়ে
হাজির
হন
স্কটিশ
গাণিতিক
পদার্থবিদ
জেমস
ক্লার্ক
ম্যাক্সওয়েল।
এ
তত্ত্ব
বিশ্বকে
‘রেডিও
তরঙ্গে’র
সঙ্গে
পরিচয়
করিয়ে
দিয়েছিল।
ম্যাক্সওয়েলের
এ
রেডিও
তরঙ্গের
তত্ত্বটি
টেলিযোগাযোগের
সঙ্গে
মিলিয়ে
ইতালিয়ান
আবিষ্কারক
গুগলিয়েলমো
মার্কোনি
তৈরি
করেন
প্রথম
ব্যবহারিক
রেডিও
ট্রান্সমিটার
ও
রিসিভার।
যার
ফলস্বরূপ
১৮৯৪
সালে
প্রথম
ওয়্যারলেস
টেলিগ্রাফিক
সিস্টেম
আবিষ্কার
হয়।
যার
ফলে
মার্কোনি
নোবেল
পুরস্কারে
ভূষিত
হন।
তত্কালীন
সময়
রেডিওই
ছিল
গণমানুষের
সঙ্গে
যোগাযোগের
প্রথম
ও
প্রধান
প্রযুক্তি।
১৮৯৪
থেকে
১৮৯৬
সালের
কোনো
এক
সময়
রেডিও
বিজ্ঞানের
অন্যতম
জনক
বাঙালি
পদার্থবিদ
স্যার
জগদীশ
চন্দ্র
বসু
বর্তমান
মাইক্রোয়েভ
যোগাযোগ
প্রযুক্তির
সঙ্গে
বিশ্ববাসীর
পরিচয়
করান।
‘মিলিমিটার
তরঙ্গ
যোগাযোগ’
ব্যবস্থার
অনুসন্ধান
করেন
তিনি।
এ
অনুসন্ধান
উচ্চ
তরঙ্গকে
(ইএইচ৬এফ) ৬০
গিগাহার্টজ
পর্যন্ত
পৌঁছে
দিতে
সাহাজ্য
করে। বর্তমানে
৬০
গিগাহার্টজের
উচ্চ
তরঙ্গ
জ্যোতির্বিদ্যা
ও
স্যাটেলাইটভিত্তিক
রিমোর্ট
সেন্সিংয়ে
ব্যবহূত
হয়।
বিনোদন
শিল্পের
ক্ষেত্রে
১৯২৪
থেকে
১৯২৭
সালের
দিকে
ইলেকট্রনিক
টেলিভিশন
প্রযুক্তির
অগ্রগতি
শুরু
হয়।
কিছু
দেশে
কোয়াক্সিয়াল
কেবল
ও
মাইক্রোওয়েভ
রেডিও
রিলের
মাধ্যমে
টেলিভিমন
নেটওয়ার্ক
বিস্তার
লাভ
করতে
সক্ষম
হয়।
১৯৫৭
সালে
সোভিয়েত
ইউনিয়ন
পৃথিবী
থেকে
প্রথমবারের
মতো
কৃত্রিম
উপগ্রহ
মহাকাশে
পাঠায়,
যার
নাম
স্পুটনিক-১।
১৯৬২
সালে
উেক্ষপিত
হয়
প্রথম
যোগাযোগ
স্যাটেলাইট।
এরপর
থেকে
এ
ধরনের
স্যাটেলাইট
বিশ্বব্যাপী
যোগাযোগের
গুরুত্বপূর্ণ
মাধ্যম
হিসেবে
বিবেচিত
হয়ে
আসছে।
বছরটিতে
প্রথমবারের
মতো
সরাসরি
ট্রান্সআটলান্টিক
সম্প্রচার
করা
হয়
টেলিভিশনে,
যা
লাখ
লাখ
মানুষকে
বিনোদিত
করেছিল।
স্যাটেলাইট
যুগের
আগে
যা
ছিল
অসম্ভব।
কৃত্রিম
উপগ্রহগুলো
কক্ষপথে
থাকলে
তরঙ্গগুলো
সরাসরি
মহাকাশে
পাঠানো
যায়।
পরবর্তী
সময়ে
অন্যান্য
উপগ্রহেও
তা
পাঠানো
সম্ভব
বা
সরাসরিও
পাঠানো
যেতে
পারে। তবে
সরলরেখায়
ঘুরতে
থাকায়
দূরবর্তী
গন্তব্যে
পৌঁছতে
সংকেতগুলো
পৃথিবীর
চারপাশে
বাঁক
নিতে
পারে
না।
তত্কালীন
ব্রিটিশ
ভারতীয়
অঞ্চলাধীন
অবস্থায়
বাংলাদেশে
টেলিকমিউনিকেশন
চালু
হয়
খুবই
অল্প
পরিসরে।
১৮৮৫
সালে
প্রযুক্তিগত
সেবা
নিশ্চিতে
প্রথমবারের
মতো
টেলিগ্রাফ
আইন
চালু
হয়।
১৯৩৩
সালে
ওয়্যারলেস
টেলিগ্রাফিক
আইনের
মাধ্যমে
পূববর্তী
আইনকে
উন্নীত
করা
হয়েছিল।
১৮৫৩
সালে
ব্রিটেন-অধ্যুষিত
ভারতে
চার
হাজার
মাইল
টেলিগ্রাফ
লাইন
স্থাপন
করা
হয়।
পরবর্তী
সময়ে
১৮৫৫
সালে
এটি
সর্বজনীন
করা
হয়েছিল।
১৯৭১
সালে
মুক্তিযুদ্ধের
পর
এটি
ডাক
ও
টেলিযোগাযোগ
মন্ত্রণালয়ের
অধীনে
বাংলাদেশ
টেলিগ্রাফ
ও
টেলিফোন
বিভাগ
হিসেবে
পুনর্গঠিত
হয়।
১৯৭৫
সালের
জুনের
পর
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবুর
রহমান
বেতাবুনিয়ায়
যে
স্যাটেলাইট
গ্রাউন্ড
স্টেশন
উদ্বোধন
করেছিলেন,
তখন
দেশে
টেলিযোগাযোগের
ক্ষেত্রে
টুইওয়ানএস
বা
৪
এমবিপিএস
পেয়েছিল।
১৯৮১
সালে
‘ডিজিটাল
টেলিক্স
এক্সচেঞ্জ’
ও
১৯৮৩
সালে
‘অটোমেটিক
ডিজিটাল
আইটিএসক্স’
প্রতিষ্ঠিত
হয়
ঢাকায়।
এরপর
১৯৮৯
সালে
২০০টি
উপজেলায়
সুইচিং
সেন্টার
স্থাপন
করে
দ্য
বাংলাদেশ
রুরাল
টেলিকমিউনিকেশন
অথরিটি।
একই
বছর
দেশে
প্রথমবারের
মতো
কোনো
সেলুলার
কোম্পানি
লাইসেন্স
পায়।
টেরিস্ট্রিয়াল
অপটিক্যাল
ফাইবারের
সংযোগ
ও
টেরিস্ট্রিয়াল
মাইক্রোওয়েভ
লিংকের
ক্ষেত্রে
বাংলাদেশ
বেশ
সমৃদ্ধ।
তার
পরও
স্যাটেলাইট
যোগাযোগের
বেশ
চাহিদা
এখানে
রয়েছে।
বিশেষ
করে
সম্প্রচার
খাতে
এ
চাহিদা
সবচেয়ে
বেশি।
একটা
সময়
পর্যন্ত
যার
পুরোটাই
বিদেশি
স্যাটেলাইট
সেবার
ওপর
নির্ভরশীল
ছিল।
ফলে
এ
বাবদ
প্রচুর
অর্থ
দেশের
বাইরে
পাঠাতে
হতো।
এ
খাতে
স্বনির্ভর
হওয়ার
ইচ্ছা
থেকে
বাংলাদেশ
প্রথমবারের
মতো
বঙ্গবন্ধু
স্যাটেলাইট-১
(বিএস-১)
উেক্ষপণ
করে।
এ
স্যাটেলাইটটির
৪০টি
ট্রান্সপন্ডারর্স
রয়েছে
যার
মধ্যে
১৪টি
সি-ব্যান্ড
ও
২৬টি
কেইউ-ব্যান্ড।
বিএস-১
এমনভাবে
নকশা
করা
হয়েছে
যেন
এর
শক্তিশালী
কেইউ-ব্যান্ড
বিমের
সাহায্যে
এটি
বাংলাদেশ,
ভারত,
নেপাল,
ভুটান,
শ্রীলংকা,
পাকিস্তান,
ইন্দোনেশিয়া
ও
ফিলিপাইনকে
সেবা
দিতে
পারে।
সি-ব্যান্ডের
সঙ্গে
এ
স্যাটেলাইটটি
এসব
দেশের
পাশাপাশি
মিয়ানমার,
আফগানিস্তান,
কিরগিজস্তান,
তাজিকিস্তান,
তুর্কমেনিস্তান,
উজবেকিস্তান
ও
কাজাখস্তানকেও
সেবা
দিতে
সক্ষম।
একটি
জিওস্টেশনারি,
সম্প্রচারমূলক
ও
যোগযোগ
স্যাটেলাইট
হিসেবে
বিএস-১
সম্প্রচার
ও
ভিস্যাট
উভয়
ধরনের
সেবাই
দিয়ে
থাকে।
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড ও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সেবা সম্পর্কে:
বঙ্গবন্ধু
স্যাটেলাইট-১-এর
পরিচালনা
ও
বাংলাদেশের
স্যাটেলাইট
সম্পর্কিত
নানা
কার্যক্রম
পরিচালনার
জন্য
গঠন
করা
হয়
বাংলাদেশ
স্যাটেলাইট
কোম্পানি
লিমিটেড
(বিএসসিএল)।
বিক্রয়
ও
বিএস-১-এর
রক্ষণাবেক্ষণের
ক্ষেত্রে
উত্কর্ষের
সঙ্গে
নিজের
দায়িত্ব
পালন
করেছে
বিএসসিএল।
বিএস-১
উেক্ষপণের
স্বল্পসময়ের
মধ্যেই
বিএসসিএল
রাষ্ট্রীয়
মালিকানাধীন
টেলিভিশন
চ্যানেল
বিটিভিসহ
বাংলাদেশের
সব
টেলিভিশন
চ্যানেলগুলো
এর
মাধ্যমে
সম্প্রচার
শুরু
করে।
এছাড়া
সহজেই
স্যাটেলাইটে
তথ্য
আপলিংক
করার
জন্য
দেশে
মাল্টিপল
ক্যারিয়ার
পার
চ্যানেল
(এমসিপিসি) প্রযুক্তিও
চালু
করেছে
বিএসসিএল।
গভীর
সমুদ্রে
অবস্থানরত
সমুদ্রযানগুলোর
কার্যক্রম
পর্যবেক্ষণে
স্যাটেলাইটভিত্তিক
ভেসেল
ট্র্যাকিং
অ্যান্ড
মনিটরিং
সিস্টেম
(ভিটিএমএস) ব্যবহার
করা
হচ্ছে,
যা
বাংলাদেশের
অর্থনীতিতে
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা
রাখছে।
দেশের
প্রত্যন্ত
অঞ্চলে
বিএস-১
ব্যবহার
করে
টেলিমেডিসিন
ও
ই-এডুকেশন
সেবা
দেয়ার
উদ্যোগও
নেয়া
হচ্ছে।
এসব
পরিষেবার
পরীক্ষামূলক
প্রদর্শনীও
এরই
মধ্যে
সম্পন্ন
হয়েছে।
ভি-স্যাট
ব্যবহার
করে
বাংলাদেশ
ডাক
বিভাগের
ডিজিটাল
পোস্ট
অফিসের
মাধ্যমে
দেশজুড়ে
নিরবচ্ছিন্ন
সংযোগ
স্থাপনের
কাজ
চলমান।
বাংলাদেশের
ব্যাংকগুলোও
তাদের
শাখা
ও
এটিএম
বুথের
জন্য
ভিস্যাট
প্রযুক্তি
ব্যবহারে
গভীর
আগ্রহ
দেখিয়েছে।
বিএসসিএল
এরই
মধ্যে
বিএস-১
ব্যবহার
করে
কিছু
প্রতিষ্ঠিত
ব্যাংককে
ভিস্যাট
সংযোগ
সেবা
দিচ্ছে।
মাধ্যমিক
ও
উচ্চমাধ্যমিক
শিক্ষা
বোর্ডের
সঙ্গেও
কাজ
করছে
বিএসসিএল।
বিএস-১
ব্যবহার
করে
শিক্ষা
টিভির
কার্যক্রম
চালু
করতে
কাজ
চলছে।
কৃষি
মন্ত্রণালয়ের
সঙ্গে
মিলে
কৃষি
টিভি
চালুর
প্রাথমিক
কাজও
শুরু
হয়েছে।
সাইক্লোন
শেল্টারগুলোতে
ভিস্যাট
সংযোগ
ব্যবহারের
বিষয়ে
দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা
মন্ত্রণালয়ের
সঙ্গে
আলোচনা
চলছে।
যেকোনো
প্রাকৃতিক
দুর্যোগের
সময়
এ
শেল্টারগুলোতে
এ
ধরনের
টেলিযোগাযোগ
সেবা
খুবই
কার্যকর।
এছাড়া
বিভিন্ন
প্রত্যন্ত
অঞ্চলে
পর্যটকদের
জন্য
বিএস-১
ব্যবহার
করে
টেলিযোগাযোগ
সেবা
দেয়ার
বিষয়টিও
কর্মপরিকল্পনায়
রয়েছে।
বাংলাদেশ
সশন্ত্র
বাহিনীও
বিএন-১-এর
প্রধান
ব্যবহারকারী
হিসেবে
পরিচিত
হতে
চলেছে,
যা
বিএস-১-এর
সাফল্যের
মুকুটে
আরেকটি
পালক
যোগ
করবে,
কারণ
এর
মাধ্যমে
জাতীয়
মর্যাদাপূর্ণ
আরেকটি
সংস্থার
জন্য
কাজ
করবে
স্যাটেলাইটটি।
জাতীয়
পর্যায়
ছাড়াও
বিএস-১-এর
সক্ষমতা
অন্যান্য
দেশের
কাছে
বিক্রির
বিষয়টি
নিয়েও
এখন
আলোচনা
চলছে।
এসব
উদ্যোগ
ও
কর্মকাণ্ড
ডিজিটাল
বাংলাদেশ
গড়তে
ও
ডিজিটাল
বিভাজন
কমাতে
সাহায্য
করবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও উপসংহার:
বিএস-১-এর
সাফল্যের
পর
বাংলাদেশ
এখন
আরো
স্যাটেলাইট
উেক্ষপণের
কথা
ভাবছে।
যার
মাধ্যমে
আরো
বিস্তৃত
পরিসরে
স্যাটেলাইটভিত্তিক
বিভিন্ন
সেবা
দেয়া
যাবে।
বর্তমান
সরকারের
নির্বাচনী
ইশতেহারেও
দ্বিতীয়
স্যাটেলাইটের
কথা
উল্লেখ
করা
আছে।
সে
অনুযায়ী
দেশের
পরবর্তী
স্যাটেলাইট
উেক্ষপণ
সম্পর্কে
কাজ
করতে
শুরু
করেছে
বিএসসিএল।
এখন
পরবর্তী
স্যাটেলাইটের
কার্যকারিতার
ধরন
নির্ধারণের
কাজ
চলছে।
আমরা
বিশ্বাস
করি,
স্যাটেলাইটভিত্তিক
সেবার
প্রতিটি
ক্ষেত্রে
স্বনির্ভর
হওয়ার
মাধ্যমে
এ
দেশ
সত্যিকারের
ডিজিটাল
বাংলাদেশ
হয়ে
উঠবে।
ড. শাহজাহান মাহমুদ: চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড





