প্রমত্তা পদ্মার
বুকে
গড়ে
উঠছে
স্বপ্নের
সেতু।
রূপপুরের
পারমাণবিক
বিদ্যুৎকেন্দ্র
দেখাচ্ছে
নতুন
আলোর
দিশা।
পায়রা
সমুদ্রবন্দর
প্রশস্ত
করছে
বৈদেশিক
বাণিজ্যের
পথ।
যানজটে
নাকাল
ঢাকাবাসী
ভরসা
পাচ্ছে
মেট্রোরেলে।
পর্যটনকে
বিকশিত
করতে
তৈরি
হচ্ছে
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার
রেলপথ।
চট্টগ্রামে
কর্ণফুলী
নদীতে
টানেল,
রামপাল
ও
মাতারবাড়ীতে
বিদ্যুৎকেন্দ্র,
ঢাকায়
এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে,
বাস
র্যাপিড
ট্রানজিট
(বিআরটি), উত্তরাঞ্চল
থেকে
ঢাকায়
যোগাযোগের
জন্য
চার
লেনের
সড়ক
আর
যমুনায়
রেলসেতু,
মহেশখালীতে
এলএনজি
টার্মিনাল,
সোনাদিয়ায়
গভীর
সমুদ্রবন্দরের
মতো
প্রকল্পগুলো
বাস্তবায়নের
মাধ্যমে
গড়ে
উঠছে
নতুন
এক
বাংলাদেশ।
পদ্মা সেতু:
টাকার
অঙ্কে
সবচেয়ে
বড়
না
হলেও
গুরুত্বের
দিক
দিয়ে
এ
মুহূর্তে
বাংলাদেশের
সবচেয়ে
বড়
মেগাপ্রকল্প
পদ্মা
বহুমুখী।
৩০
হাজার
১৯৩
কোটি
টাকার
সেতুটি
যানবাহন
আর
ট্রেন
চলাচলের
জন্য
প্রায়
প্রস্তুত।
আগামী
বছরের
জুনে
সেতুটি
যানবাহন
চলাচলের
জন্য
উন্মুক্ত
করে
দেয়ার
পরিকল্পনা
করছে
সরকার।
উদ্বোধনের
দিন
ট্রেন
চলাচলে
কিছুটা
অনিশ্চয়তা
থাকলেও
কর্তৃপক্ষ
এখনো
হাল
ছাড়েননি।
পদ্মা
সেতুর
জন্য
ঢাকার
যাত্রাবাড়ী
থেকে
ফরিদপুরে
ভাঙ্গা
পর্যন্ত
ছয়
লেনের
মহাসড়ক
তৈরি
করা
হয়েছে।
মহাসড়কটির
চারটি
লেন
পুরোপুরি
‘এক্সেস
কন্ট্রোল’
সেটিকে
অভিহিত
করা
হচ্ছে
এক্সপ্রেসওয়ে
হিসেবে।
পদ্মা
সেতু
চালুর
পর
তা
দেশের
জিডিপি
২
শতাংশ
পর্যন্ত
বৃদ্ধিতে
অবদান
রাখবে।
বিশেষজ্ঞরা
বলছেন,
পদ্মা
সেতু
শুধু
দেশের
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের
অপেক্ষাকৃত
বঞ্চিত
ও
পিছিয়ে
পড়া
জনগোষ্ঠীকে
রাজধানী
ঢাকা
ও
চট্টগ্রামের
অর্থনৈতিক
লাইফলাইনের
সঙ্গে
সংযুক্ত
করবে
না,
এটা
পুরো
অর্থনীতিকে
আক্ষরিক
অর্থে
এক
সূত্রে
গাঁথার
সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ
মাধ্যম
ও
অনুঘটকের
ভূমিকা
পালন
করবে।
এটা
ঢাকা
থেকে
মাওয়া-জাজিরা-ভাঙ্গা-পায়রা-কুয়াকাটা-যশোর-খুলনা-মোংলা
পর্যন্ত
সুবিস্তৃত
ইকোনমিক
করিডোর
হিসেবে
দেশের
অর্থনীতির
দ্বিতীয়
সর্বোত্তম
লাইফলাইন
হয়ে
উঠবে।
মেট্রোরেল: ঢাকা মহানগরী
আর
পাশের
এলাকার
যানজট
নিরসনে
ও
পরিবেশ
উন্নয়নে
ছয়টি
মেট্রোরেলের
সমন্বয়ে
প্রায়
১২৯
কিলোমিটার
দীর্ঘ
একটি
আধুনিক
যোগাযোগ
নেটওয়ার্ক
গড়ে
তোলা
হচ্ছে।
এরই
ধারাবাহিকতায়
উত্তরা
থেকে
মতিঝিলের
মধ্যে
নির্মাণ
করা
হচ্ছে
ঢাকার
প্রথম
মেট্রোরেল
লাইন
এমআরটি-৬।
২০
কিলোমিটার
দীর্ঘ
লাইনটি
তৈরি
করতে
খরচ
হচ্ছে
প্রায়
২২
হাজার
কোটি
টাকা।
লাইনটি
আগামী
বছরের
ডিসেম্বরে
চালুর
পরিকল্পনার
কথা
জানিয়েছেন
সংশ্লিষ্টরা।
লাইনটি
চালু
হলে
দৈনিক
পাঁচ
লাখ
যাত্রী
মেট্রোরেল
ব্যবহার
করে
চলাচল
করতে
পারবেন।
২০২৬
সালে
এমআরটি
লাইন-১
বা
বাংলাদেশের
প্রথম
পাতাল
মেট্রোরেল
চালু
হলে
দৈনিক
আরো
আট
লাখ
যাত্রী
মেট্রোরেলে
যাতায়াত
করতে
পারবেন।
অল্প
সময়ে
অধিক
সংখ্যায়
যাত্রী
পরিবহন
সম্ভব
হবে।
ছোট
ছোট
যানবাহনের
ব্যবহার
ব্যাপক
হ্রাস
পাবে।
জীবাশ্ম
ও
তরল
জ্বালানির
ব্যবহার
বহুলাংশে
কমে
যাবে।
ঢাকা
মহানগরীর
যাতায়াত
ব্যবস্থায়
ভিন্ন
মাত্রা
ও
গতি
যোগ
হবে।
যানজট
বহুলাংশে
হ্রাস
পাবে।
মহানগরবাসীর
কর্মঘণ্টা
সাশ্রয়
হবে।
কর্ণফুলী টানেল:
বন্দরনগরী
চট্টগ্রামকে
চীনের
সাংহাই
প্রদেশের
আদলে
সাজানোর
পরিকল্পনা
হাতে
নেয়া
হয়েছে।
এর
অংশ
হিসেবে
পতেঙ্গা
ও
আনোয়ারায়
কর্ণফুলী
নদীর
তলদেশে
সড়ক
নির্মাণের
কাজ
চলছে
পুরোদমে।
কাজের
বর্তমান
গতি
ধরে
রাখতে
পারলে
নির্ধারিত
সময়ে
অর্থাৎ
২০২২
সালের
ডিসেম্বরের
মধ্যে
এ
প্রকল্পের
কাজ
শেষ
হবে।
কর্ণফুলী
টানেল
নির্মাণের
ফলে
ঢাকা-চট্টগ্রাম
ও
কক্সবাজারের
মধ্যে
আধুনিক
যোগাযোগ
ব্যবস্থা
গড়ে
উঠবে
এবং
এশিয়ান
হাইওয়ের
সঙ্গে
সংযোগ
স্থাপিত
হবে।
ফলে
যোগাযোগ
ব্যবস্থার
ব্যাপক
উন্নয়ন
হবে।
সার্বিকভাবে
যোগাযোগ
ব্যবস্থার
সহজীকরণ,
আধুনিকায়ন,
শিল্প-কারখানার
বিকাশ
সাধন
এবং
পর্যটন
শিল্পের
উন্নয়নের
মাধ্যমে
কর্ণফুলী
টানেল
বেকারত্ব
দূরীকরণসহ
দেশের
অর্থনৈতিক
উন্নয়নে
ব্যাপক
প্রভাব
ফেলবে।
পায়রা সমুদ্রবন্দর: সরকারি
অর্থায়নে
নৌপরিবহন
মন্ত্রণালয়
বাস্তবায়ন
করছে
এ
প্রকল্প।
খরচ
হচ্ছে
চার
হাজার
৫১৭
কোটি
টাকা।
২০২৩
সালের
জুনে
বন্দরটি
চালুর
পরিকল্পনা
করছে
সরকার।
পায়রা
গভীর
সমুদ্রবন্দর
চালু
হলে
দেশের
অর্থনীতি
চাঙ্গা
হবে।
সুপরিসর
চ্যানেল
দিয়ে
চলতে
পারবে
বড়
বড়
জাহাজ।
প্রায়
ছয়
হাজার
একর
জায়গার
ওপর
গড়ে
উঠছে
সমগ্র
পায়রা
সমুদ্রবন্দর।
শিল্প
কলকারখানার
প্রসার,
নতুন
কর্মসংস্থান
তৈরি,
জাহাজ
নির্মাণ
শিল্পের
প্রসার,
দক্ষিণাঞ্চলীয়
জেলাগুলোয়
খাদ্যশস্য
সরবরাহ,
আঞ্চলিক
ট্রানজিট
সুবিধা
ও
ইকোনমিক
করিডোর
প্রতিষ্ঠার
পাশাপাশি
ব্লু
ইকোনমির
সুযোগ
কাজে
লাগাতে
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা
পালন
করবে
পায়রা
বন্দর।
পদ্মা
সেতু
চালু
হলে
বরিশাল
থেকে
পটুয়াখালী
হয়ে
কুয়াকাটা
সৈকত
পর্যন্ত
চার
লেনের
সড়ক
নির্মাণ
হবে।
ফলে
পায়রা
বন্দরের
সঙ্গে
দেশের
অভ্যন্তরীণ
যোগাযোগ
সুগম
হবে।
রেলপথের
মাধ্যমে
রাজধানী
ঢাকা
ও
অন্যান্য
জেলার
সঙ্গে
যুক্ত
থাকবে
পায়রা
বন্দর।
পায়রা
থেকে
নৌপথে
দেশের
বিভিন্ন
স্থানের
নৌযান
চলাচলে
বর্তমানে
দুটি
রুট
রয়েছে।
একটি
পটুয়াখালী
হয়ে
বরিশাল,
অন্যটি
ভোলার
পশ্চিম
থেকে
শুরু
করে
কাজল
ও
তেঁতুলিয়া
নদ
হয়ে
কালীগঞ্জ।
আকাশপথে
যোগাযোগ
প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে
একটি
বিমানবন্দর
গড়ে
উঠবে
বিমান
ও
পর্যটন
মন্ত্রণালয়ের
তত্ত্বাবধানে।
মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র: সরকারের
দীর্ঘমেয়াদি
চিন্তাভাবনার
অংশ
হিসেবে
জাপান
সরকারের
অর্থায়নে
কক্সবাজারের
মহেশখালীতে
মাতারবাড়ী
বিদ্যুৎকেন্দ্র
নির্মাণ
করা
হচ্ছে।
প্রকল্পটি
২০২৩
সালের
জুনের
মধ্যে
বাস্তবায়নের
কথা।
এখন
পর্যন্ত
অগ্রগতি
৩৮
দশমিক
৫০
শতাংশ।
এ
প্রকল্পের
আওতায়
আমদানি
করা
কয়লা
লোড-আনলোড
জেটি,
বিদ্যুৎ
উৎপাদনকেন্দ্র,
টাউনশিপ
নির্মাণ,
স্থানীয়
এলাকায়
বিদ্যুতায়ন,
বিদ্যুৎ
সঞ্চালন
লাইন
নির্মাণ
ও
বিদ্যুৎকেন্দ্রের
সংযোগ
সড়ক
নির্মাণ
হচ্ছে।
এটি
বাস্তবায়ন
হলে
দেশের
বিদ্যুৎ
ঘাটতি
পূরণের
পাশাপাশি
কর্মসংস্থানের
সুযোগ
সৃষ্টিসহ
দক্ষ
জনবল
তৈরি
করবে
মাতারবাড়ী
বিদ্যুৎকেন্দ্র।
রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র: ঢাকা
থেকে
১৬০
কিলোমিটার
দূরে
পাবনার
ঈশ্বরদী
উপজেলার
রূপপুরে
তৈরি
হচ্ছে
দেশের
প্রথম
পারমাণবিক
বিদ্যুৎকেন্দ্র।
সরকারের
অগ্রাধিকারভুক্ত
এ
প্রকল্প
বাস্তবায়ন
হচ্ছে
রাশিয়ার
সহযোগিতায়।
প্রকল্পটি
বাস্তবায়ন
হলে
একটি
কেন্দ্র
থেকেই
দুই
হাজার
৪০০
মেগাওয়াট
বিদ্যুৎ
উত্পন্ন
হবে।
পুরোদমে
এ
কেন্দ্রের
উৎপাদন
শুরু
হলে
২৪
থেকে
২৫
হাজার
লোকের
কর্মসংস্থান
হবে।
রূপপুর
পারমাণবিক
বিদ্যুৎকেন্দ্র
প্রকল্পটি
দেশের
ইতিহাসের
সবচেয়ে
ব্যয়বহুল
প্রকল্প।
এর
নির্মাণব্যয়
ধরা
হয়েছে
এক
লাখ
১৩
হাজার
৯২
কোটি
৯১
লাখ
টাকা।
এর
মধ্যে
রাশিয়া
দিচ্ছে
৯১
হাজার
৪০
কোটি
টাকা।
কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণ: বর্তমানে কক্সবাজার
বিমানবন্দরে
নয়
হাজার
ফুট
দীর্ঘ
একটি
রানওয়ে
রয়েছে।
এটি
১০
হাজার
৭০০
ফুটে
উন্নীত
করার
কাজ
চলছে।
এর
মধ্যে
এক
হাজার
৩০০
ফুট
থাকবে
সমুদ্রের
মধ্যে।
কক্সবাজার
বিমানবন্দরের
মহেশখালী
চ্যানেলের
দিকে
জমি
অধিগ্রহণের
মাধ্যমে
সম্প্রসারিত
হচ্ছে
এ
রানওয়ে।
প্রকল্পটি
বাস্তবায়িত
হলে
নতুন
প্রজন্মের
উড়োজাহাজ
বোয়িং-৭৭৭-৩০০
ইআর,
৭৪৭-৪০০
ও
এয়ারবাসের
মতো
উড়োজাহাজ
সহজেই
ওঠানামা
করতে
পারবে।
প্রকল্পে
ব্যয়
হচ্ছে
এক
হাজার
৫৬৮
কোটি
৮৬
লাখ
টাকা।
পদ্মা সেতুর
রেলসংযোগ: বাংলাদেশের নির্মাণ
ইতিহাসে
সবচেয়ে
বড়
প্রকল্প
পদ্মা
বহুমুখী
সেতু।
দোতলা
এ
সেতুর
নিচ
দিয়ে
চলবে
ট্রেন।
ঢাকা
থেকে
পদ্মা
সেতু
হয়ে
যশোর
পর্যন্ত
নতুন
রেলপথ
নির্মাণ
করা
হচ্ছে।
স্বাধীনতার
পর
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
উন্নয়ন
প্রকল্পগুলোর
মধ্যে
এটিই
সবচেয়ে
বড়
প্রকল্প।
এতে
ব্যয়
ধরা
হয়েছে
৩৯
হাজার
২৪৭
কোটি
টাকা।
২০১৬
সালে
পদ্মা
সেতু
রেল
সংযোগ
প্রকল্পটির
অনুমোদন
দেয়া
হয়।
২০২৪
সালের
জুনে
প্রকল্পের
কাজ
শেষ
হওয়ার
কথা।
এ
প্রকল্পের
মাধ্যমে
নতুন
প্রযুক্তি
বাংলাদেশে
প্রথমবারের
মতো
প্রবর্তন
করা
হচ্ছে
বাংলাদেশ
রেলওয়েতে।
গড়ে
তোলা
হচ্ছে
২৩
কিলোমিটার
এলিভেটেড
ভায়াডাক্টে
পাথরবিহীন
রেললাইন।
এলিভেটেড
ভায়াডাক্টের
ওপর
দুটি
প্লাটফরম,
একটি
মেইনলাইন
ও
দুটি
লুপ
লাইনসহ
রেলওয়ে
স্টেশন
নির্মাণ
এবং
তাতে
লিফট
স্থাপন
করা
হবে।
প্রায়
১১
মিটার
উঁচু
রেললাইনের
নিচ
দিয়ে
সড়কের
জন্য
আন্ডারপাস
নির্মাণের
মাধ্যমে
উভয়
পথে
নিরবচ্ছিন্ন
ও
নিরাপদ
ট্রেন
এবং
গাড়ি
চলাচল
নিশ্চিত
করারও
উদ্যোগ
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমান
রেল সেতু:
১৯৯৮ সালের ২৩
জুন
যমুনা
নদীর
ওপর
বঙ্গবন্ধু
চালু
হয়েছিল।
সড়কপথের
পাশাপাশি
সেতুটিতে
রয়েছে
একটি
রেলপথও।
স্বাধীনতার
পর
রেলওয়ের
উন্নয়নে
এটি
ছিল
প্রথম
মাইলফলক।
ঢাকাসহ
দেশের
মধ্যাঞ্চলের
সঙ্গে
উত্তর
ও
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের
মধ্যে
নির্বিঘ্নে
আরো
বেশি
সংখ্যক
ট্রেন
চলাচল
নিশ্চিত
করতে
বঙ্গবন্ধু
সেতুর
৩০০
মিটার
উজানে
আলাদা
রেল
সেতু
নির্মাণ
করছে
সরকার।
সেতুটি
নির্মাণ
হলে
রেলের
পূর্বাঞ্চল
ও
পশ্চিমাঞ্চলের
মধ্যে
চলাচলকারী
ট্রেনগুলোকে
ক্রসিংজনিত
কারণে
অপেক্ষা
করতে
হবে
না।
বিদ্যমান
বঙ্গবন্ধু
সেতু
দিয়ে
বর্তমানে
প্রতিদিন
সর্বোচ্চ
৩৮টি
ট্রেন
পারাপার
হতে
পারে।
চলাচল
ঝুঁকিপূর্ণ
হওয়ায়
সেতুর
ওপর
দিয়ে
ঘণ্টায়
মাত্র
১৫
কিলোমিটার
গতিতে
ট্রেনগুলো
চলে।
এ
কারণে
বিদ্যমান
৩৮টি
ট্রেন
পারাপার
করতে
গিয়েই
ট্রেনগুলোর
অনেক
রানিং
টাইম
নষ্ট
হয়।
ঢাকা
থেকে
দেশের
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের
ট্রেন
যাত্রীদের
দুর্ভোগের
বড়
কারণ
এটি।
নতুন
সেতুটি
চালু
হলে
প্রতিদিন
সর্বোচ্চ
৮৮টি
ট্রেন
চলাচল
করতে
পারবে।
ট্রেনগুলো
চলতে
পারবে
ঘণ্টায়
১০০
কিলোমিটার
গতি
নিয়ে।
এ
কারণে
ঢাকার
সঙ্গে
দেশের
উত্তরাঞ্চল
ও
পশ্চিমাঞ্চলের
মানুষের
ট্রেনে
যোগাযোগ
আরো
সহজ
হয়ে
আসবে।
বিদ্যমান
বঙ্গবন্ধু
সেতুর
ওপর
দিয়ে
বর্তমানে
কোনো
পণ্যবাহী
ট্রেন
পারাপার
হয়
না।
নতুন
সেতুটি
এই
সীমাবদ্ধতাও
দূর
করবে।
বিমানবন্দর-গাজীপুর বিআরটি: ঢাকা শহরের
গণপরিবহন
ব্যবস্থার
উন্নয়নে
২০৩৫
সাল
নাগাদ
দুটি
বাস
র?্যাপিড
ট্রানজিট
লাইন
বা
বিআরটি
নির্মাণের
উদ্যোগ
নিয়েছে
সরকার।
এরই
ধারাবাহিতায়
বিমানবন্দর
থেকে
গাজীপুরে
তৈরি
করা
হচ্ছে
একটি
বিআরটি
করিডোর।
খরচ
হচ্ছে
৪
হাজার
২০০
কোটি
টাকার
বেশি।
বিমানবন্দর
থেকে
শিববাড়ী
গাজীপুর
টার্মিনাল
পর্যন্ত
এ
লাইনে
২৫টি
বিআরটি
স্টেশন
থাকবে
ও
এ
লাইনের
মাধ্যমে
প্রতিদিন
প্রায়
চার
লাখ
যাত্রী
যাতায়াত
করবে।
বিআরটি
সিস্টেম
চালুর
মাধ্যমে
উত্তরা
ও
গাজীপুর
শহর
এলাকায়
এবং
এ
করিডোরের
উভয়
পাশের
আবাসিক
ও
বাণিজ্যিক
পর্যায়ে
ট্রানজিট
ওরিয়েন্টেড
ডেভেলপমেন্ট
এক
নতুন
মাত্রা
যোগ
করবে।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: হযরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর
থেকে
কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী
হয়ে
ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের
কুতুবখালী
পর্যন্ত
নির্মাণ
করা
হচ্ছে
ঢাকা
এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে।
প্রায়
৮
হাজার
৯৪০
কোটি
টাকা
খরচ
হচ্ছে
উড়ালসড়কটি
নির্মাণে।
১৯
দশমিক
৭৩
কিলোমিটার
এক্সপ্রেসওয়ের
নকশায়
সংস্থান
রাখা
আছে
৩১টি
র্যাম্পের,
যেগুলোর
দৈর্ঘ্য
আরো
২৭
কিলোমিটার।
সরকারের
সংশোধিত
কৌশলগত
পরিবহন
পরিকল্পনার
(আরএসটিপি) তথ্যানুযায়ী
বাস্তবায়নের
পর
এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে
দিয়ে
প্রতিদিন
প্রায়
৮০
হাজার
যানবাহন
চলাচল
করতে
পারবে।
এক্সপ্রেসওয়ে
জুড়ে
থাকবে
১১টি
টোলপ্লাজা,
এর
মধ্যে
পাঁচটি
হবে
এক্সপ্রেসওয়ের
ওপরে।
সংশ্লিষ্টরা
বলছেন,
প্রকল্পটি
বাস্তবায়িত
হলে
ঢাকা
শহরের
যানজট
অনেকাংশে
কমে
যাবে।
ভ্রমণের
সময়
ও
খরচ
কমবে।
সার্বিকভাবে
যোগাযোগ
ব্যবস্থা
সহজীকরণ,
আধুনিকায়নের
মাধ্যমে
দেশের
অর্থনৈতিক
উন্নয়নেও
ভূমিকা
রাখবে
এ
প্রকল্প।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: ঢাকা
বিমানবন্দর
থেকে
সাভার
ইপিজেড
পর্যন্ত
২৪
কিলোমিটার
দীর্ঘ
উড়ালসড়ক
(এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে)
নির্মাণ
করছে
সরকার।
উড়ালসড়কটি
নির্মাণে
কিলোমিটারপ্রতি
খরচ
হচ্ছে
প্রায়
৭০৪
কোটি
টাকা।
সম্প্রতি
এর
পরীক্ষামূলক
পাইলিংয়ের
কাজ
শুরু
হয়েছে।
বিমানবন্দর
ইন্টারসেকশন
থেকে
শুরু
হয়ে
আব্দুল্লাপুর-আশুলিয়া-বাইপাইল
দিয়ে
ইপিজেড
পর্যন্ত
অংশে
নির্মাণ
করা
হবে
ঢাকা-আশুলিয়া
এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে।
মূল
উড়ালসড়কটি
দৈর্ঘ্য
২৪
কিলোমিটার।
বিভিন্ন
পয়েন্ট
থেকে
উড়ালসড়কে
ওঠানামার
জন্য
তৈরি
করা
হবে
১৬টি
র্যাম্প
বা
সংযোগ
সড়ক।
ঢাকা
ও
আশুলিয়া-সাভার
এলাকার
যানজট
নিরসনে
ভূমিকা
রাখবে
এই
উড়ালসড়ক।
এশিয়ান
হাইওয়ের
সঙ্গে
সরাসরি
সংযুক্ত
হয়ে
তৈরি
করবে
আন্তঃদেশীয়
সড়ক
যোগাযোগের
সুযোগ।
বিমানবন্দর
এলাকায়
ঢাকা-আশুলিয়া
এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে
সংযুক্ত
হবে
নির্মাণাধীন
ঢাকা
এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ের
সঙ্গে।
এর
ফলে
ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়ক,
ঢাকা-সিলেট
মহাসড়ক,
ঢাকা-ময়মনসিংহ
মহাসড়ক,
ঢাকা-জামালপুর
মহাসড়ক,
ঢাকা-মানিকগঞ্জ-তেঁতুলিয়া
মহাসড়ক,
ঢাকা-মাওয়া-বরিশাল
মহাসড়কের
সঙ্গে
সংযোগ
তৈরি
করবে
এই
প্রকল্প।
শামীম রাহমান: সাংবাদিক





