আমরা একটা জুট সেক্টর ডেভেলপমেন্ট ফান্ড চাই, স্বল্প সুদের ঋণ হলে আমাদের সুবিধা হয়। একটা ম্যান্ডেটরি জুট প্যাকেজিং আইন আছে। ১৯টিরও বেশি কৃষিপণ্যে বাধ্যতামূলক পাটের বস্তা ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা আছে। কিন্তু আইন কাগজে আছে, বাস্তবে বাধ্যতামূলক জুট প্যাকেজিং অ্যাক্টের কোনো বাস্তবায়ন নেই।

কেউ জুটের বস্তা ব্যবহার করে না; সবাই প্লাস্টিক পলিথিনেই আছে। আমরা চাইছি এই আইনের সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হোক। আমাদের কাঁচা পাটের বাজারের মধ্যে অসাধু মজুদদারি রয়েছে। কৃষকের কাছ থেকে কম দামে পাট কিনে সেটা মজুদ করে, পরে বেশি দামে বিক্রি করার ব্যবসা গড়ে উঠেছে। অবৈধ মজুদদারি বন্ধ করে স্বাভাবিক শিল্পবান্ধব একটি পাটের বাজার আমরা সরকারের কাছে দাবি করছি।

পাট আইন ২০১০, ২০১৭ থাকলেও এর কোনো বাস্তবায়ন নেই। ৫০০ মণের বেশি মজুদ করতে পারার কথা না, কিন্তু ৮ হাজার মণেরও স্টক বা মজুদ পাওয়া যায়। মানুষ বেপরোয়া পাট মজুদ করছে। ফলে মিলগুলো পাটশূন্য থাকে, কিনতে পারে না।

ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, আইএমএফের কথা শুনতে গিয়ে আমাদের সাবসিডি কমিয়ে দেয়া হচ্ছে।

গত কয়েক বছরে সাবসিডি ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা মনে করি যে পাট চাষ এবং শিল্পকে রক্ষা করার জন্য পূর্বের হারে সাবসিডি দেয়া উচিত সরকারের। এগুলো আমরা সবসময় দাবি করছি।

পাটপণ্যকে কৃষিপণ্য ঘোষণা করে পাট শিল্পকে কৃষিপণ্যের মতো সুযোগ-সুবিধা দেয়া, এগুলোই হচ্ছে আমাদের দাবি। এগুলো পূরণ হলে শিল্পের পুনর্জাগরণ হবে।