আগামী অর্থবছরের ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে। ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন এবং ভ্যাট রিটার্ন দেয়ার প্রক্রিয়াকে আরো সহজ করা হবে। রাজস্ব আহরণ বাড়াতে বিত্তশালীদের ওপর ন্যায্য করারোপের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।
ভ্যাটের মতো আয়করের ক্ষেত্রেও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে অনলাইনে আয়কর ফেরত প্রদানের ব্যবস্থা চালু করা হবে, যার মাধ্যমে কর ফেরতের অর্থ সরাসরি করদাতার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
নতুন বাজেটে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন খাতের কর অব্যাহতি সুবিধা কমিয়ে আনা হবে। আয়কর রিটার্নের অনুরূপ আগামী বছর থেকে শতভাগ অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়ার বিধান করা হবে।
১ কোটি ২৮ লাখ টিআইএনধারীর মধ্যে যারা এখনো আয়কর রিটার্ন জমা দেননি তাদের নিকট এরই মধ্যে নোটিস পাঠানো শুরু হয়েছে। খেলাপি করদাতাদের করের আওতায় এনে তাদের কাছ থেকে আইনানুগ কর আদায় করা হবে।
তাছাড়া বকেয়া কর আদায় এবং কর ফাঁকি উদঘাটন করে তা আদায়ের ক্ষেত্রে শক্তিশালী বিধিবিধান কার্যকর করা হবে।










