অর্থাৎ গ্যাস খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি সরকার ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, সেখানে নীতিসহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবায়নযোগ্য খাত থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া গেলে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমে যাবে। পাশাপাশি প্রাথমিক জ্বালানিতে বিনিয়োগ করে গ্যাস পাওয়া গেলে সস্তায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। ১৫ বছরের বাজেট দেখলে বোঝা যায় জ্বালানি খাতকে কীভাবে অবহেলিত রাখা হয়েছে। জ্বালানির চেয়ে বিদ্যুতে বাজেট ১০-২০ গুণ পর্যন্ত বেশি। নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কারণ তাদের বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সহায়তাটা বেশি জরুরি। তৈরি পোশাক শিল্পে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রয়োজন পড়ে। বেসরকারি খাতকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে যে লক্ষ্য দেয়া হয়েছে, তারা সেটা করে ফেলতে পারবে। এটা করতে হলে ব্যাটারি স্টোরেজ সুবিধা তৈরি করতে হবে। এজন্য দরকার ব্যাটারি। কিন্তু এর ওপর কর আরোপিত রয়েছে। এ কর উঠিয়ে দিলে বাজার কিন্তু ব্যাটারিতে সয়লাব হয়ে যাবে।
এ মুহূর্তে গার্মেন্ট সেক্টর ব্যাক টু ব্যাক এলসি সুবিধা ও বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা পায়। ফলে যেসব গার্মেন্ট মালপত্র আমদানি হয় তা পাহারা দেয়ার জন্য কাস্টমসের লোক রয়েছে। বন্ডেড ওয়্যারহাউজের মাধ্যমে যদি ব্যাটারি আমদানি সুবিধা দেয়া হয়, তাহলে ওই ব্যাটারিও কাস্টমসের লোক পাহারা দেবে। ব্যাটারি ট্যাক্স শূন্য করে দিতে হবে।










