ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) তালিকাভুক্ত জরুরি ওষুধের খুচরা মূল্য নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় ২০২২ সালের আগস্ট থেকে এ পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতসহ বৈশ্বিক নানা কারণে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে সরবরাহ টিকিয়ে রাখা কঠিন করে তুলছে। এ পরিস্থিতিতে ডিজিডিএ তালিকাভুক্ত জরুরি ওষুধকে শুল্ক ও কর থেকে অব্যাহতি দেয়া হলে উৎপাদন ব্যয়ের চাপ কমবে এবং ভোক্তাদের জন্য দাম স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে।
জীবনমান উন্নয়নের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এসএমসি নগর এলাকার বাইরে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এক্ষেত্রে স্যানিটারি ন্যাপকিনে আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট অব্যাহতি দেয়ায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি, যা পণ্যের দাম সাশ্রয়ী করে দেশের সর্বস্তরে ব্যবহার বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। তবে মাসিক স্বাস্থ্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি শিশুর স্বাস্থ্যবিধিও একটি সুস্থ প্রজন্ম গঠনে সমান জরুরি। তাই বেবি ডায়াপারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের শুল্ক ও ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া যেতে পারে, যাতে পণ্যটি আরো সাশ্রয়ী এবং ব্যবহার বাড়বে।
একটি প্রতিযোগিতামূলক এবং উন্মুক্ত বাজারে চাহিদা সৃষ্টির জন্য ব্র্যান্ডগুলোর যথাযথভাবে বিজ্ঞাপন ও প্রচারে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। তবে আয়কর আইন ২০২৩-এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী প্রচার ব্যয়ের করযোগ্য অংশ মোট টার্নওভারের দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে, যা বাস্তব ব্যবসায়িক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ সীমাবদ্ধতা বৈধ বাজার সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। কার্যকরভাবে চাহিদা তৈরির জন্য এ সীমা পুরোপুরি তুলে দেয়া বা অন্তত ৮-১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো উচিত।










