এ মুহূর্তে খাতটির মৌলিক সংকটগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ওভার ক্যাপাসিটি (চাহিদার তুলনায় উৎপাদনক্ষমতা বেশি)। এছাড়াও ক্লিংকারের ইনভয়েস মূল্যের চেয়ে উচ্চ অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু, অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স, ক্লিংকারের হাই কাস্টমস ডিউটি, ইম্পোর্ট হ্যাসেল, টাকার অবমূল্যায়ন, কাঁচামাল সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর, কাঁচামালের মূল্যে অস্থিরতা, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অধিক মূল্য, লাইটার ভ্যাসেল অপারেশনে সিন্ডিকেশন, মেগা প্রকল্প কমে যাওয়া, ডিফারেন্ট ভ্যাট রেট, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা ইত্যাদি।
সংকটগুলো কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজন
১. চাহিদা বাড়ানো যেমন—
(ক) মাটি পোড়ানো ইটের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব সিমেন্ট ব্লকের ব্যবহার বাড়ানো।
(খ) বিটুমিনাস রোডের পরিবর্তে কংক্রিটের রাস্তা তৈরি করা।
২. বাড়ি তৈরিতে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা।
৩. গ্রামীণ জনপদে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধন করা।
আমরা জানি, সিমেন্টের বর্তমান বাজার কোম্পানিগুলোর উৎপাদনক্ষমতার প্রায় অর্ধেক। যদি কোনো ইন্ডাস্ট্রি তার সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার করতে না পারে, তবে ধীরে ধীরে ওই ইন্ডাস্ট্রিগুলো রুগ্ন আকার ধারণ করে। ফলে কর্মসংস্থান কমে ও ব্যবসায়ীরা ঋণখেলাপি হয়। এতে জাতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
সরকার উপরোল্লেখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সিমেন্টের চাহিদা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়ার পাশাপাশি অন্যান্য পলিসি সাপোর্ট নিশ্চিত করলে এ খাতের উন্নয়ন হবে এবং রাজস্ব আয় বাড়বে বলে আমি মনে করি।










