কারণ এটা অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। শিল্পকারখানা, গাড়ি থেকে শুরু করে এটা মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত। ফলে জ্বালানি না থাকলে এগুলো কোনো কিছুই সচল রাখা সম্ভব নয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি খাতে সর্বোচ্চ বাজেট প্রায়োরিটি দিতে হবে। আরেকটি জিনিস সরকারকে মাথায় রাখতে হবে, সেটি হলো জীবাশ্ম জ্বালানি যেহেতু ব্যয়বহুল এবং এটা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়ও অনেক বেশি, ফলে যতটুকু সম্ভব নবায়নযোগ্য বিদ্যুতে তৎপর হওয়া। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুতের প্রকল্পগুলো দ্রুত অনুমোদন দিতে পারে। কারণ এগুলোয় কোনো জ্বালানির প্রয়োজন নেই। দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এখন গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকভাবে লোডশেডিং হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জনগণকে রাখার কোনো সুযোগ নেই। ফলে বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থার দিকে নজর দিতে হবে। নতুন সরকার এসেছে, দ্রুত নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের টেন্ডার করতে পারে, বেসরকারি খাত এটার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জ্বালানি অবকাঠামো ও মজুদের দিকে নজর দিতে হবে। বাজেটে বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা কতটুকু করা যাবে, কারণ সরকার যে রাজস্ব আয় করছে তাতে বিশাল অর্থের ঘাটতি থাকছে।

জ্বালানি আহরণ, ক্রয়ের বাইরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে জরুরি ভিত্তিতে বরাদ্দ দিয়ে জনপ্রত্যাশার বিষয়টিতে নজর দিতে হবে। সর্বোপরি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টিতে সরকারকে কৌশলী হতে হবে। সরকারের যখন রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হয়, তখন সে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়। এ ঋণ পরিশোধে বিপুল পরিমাণ সুদ দিতে হয়। অন্যদিকে একই সঙ্গে বেসরকারি খাত ঋণ নিতে গেলে তাদের উচ্চ সুদে ও শর্তে ঋণ নিতে হয়।