অর্থাৎ মোট ট্যাক্স জোনের প্রায় অর্ধেকই এই দুই শহরকেন্দ্রিক। যদি ৬৪টি জেলায় ট্যাক্স জোন বিস্তৃত করা যায় এবং উপজেলাগুলোকে এসব জোনের আওতায় আনা হয় তাহলে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য অর্জন অনেক সহজ হবে।
জ্বালানি সংকটের ফলে দেশের বড় শিল্পাঞ্চলগুলোতে উৎপাদন সক্ষমতা ২৫-৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। তবে যেসব কারখানায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে তারা এ সংকট তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে মোকাবেলা করতে পারছে।
আমাদের নিজস্ব কারখানাতেই সোলার প্যানেল চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণ করে।
কারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকলে এ চাহিদার বড় অংশই পূরণ করা সম্ভব। এতে ডিজেলের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপও হ্রাস পাবে।
ডিজেলচালিত জেনারেটর মূলত লোডশেডিংয়ের সময় অল্প সময়ের জন্য ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়। কিন্তু বর্তমানে ৪-৫ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় এগুলো চালাতে হচ্ছে, যা ব্যয়বহুল এবং অস্থিতিশীল। এ পরিস্থিতিতে কার্যকর বিকল্প হতে পারে সৌর জ্বালানি।
অনেক কারখানাই এরই মধ্যে রুফটপ সোলার এনার্জি ব্যবহার শুরু করেছে। তবে বর্তমানে সোলার প্যানেলের ব্যাটারি আমদানিতে প্রায় ৫৮ শতাংশ শুল্ক রয়েছে, যা এ খাতের প্রসারে বড় বাধা। যদি সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে বিশেষ করে ব্যাটারি ব্যাকড সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থায় শুল্ক সুবিধা দেয়, তাহলে দ্রুত এ খাতের বিস্তার সম্ভব।
এতে একদিকে ডিজেলের ব্যবহার কমবে, অন্যদিকে উৎপাদন ব্যয়ও হ্রাস পাবে। পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে। সরকারের পরিকল্পিত উদ্যোগে যদি শিল্প-কারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনকে উৎসাহিত করা হয় তাহলে এসব ছাদই একসময় ক্ষুদ্র সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে রূপান্তরিত হতে পারে।










