পুঁজিবাজারকে আরো গতিশীল, স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে গত ১ এপ্রিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) লিখিতভাবে আয়কর-সংক্রান্ত একগুচ্ছ প্রস্তাব দাখিল করেছে ডিবিএ।

আমাদের প্রস্তাবে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের নগদ লভ্যাংশের ওপর উৎসে কর্তিত করকে চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়েছে। এতে দ্বৈত করের চাপ কমবে, কর ব্যবস্থা সহজ হবে এবং কোম্পানিগুলো নগদ লভ্যাংশ প্রদানে আরো উৎসাহিত হবে। মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর রেয়াত সুবিধার বর্তমান সীমা তুলে দিয়ে যেকোনো পরিমাণ বিনিয়োগকে অনুমোদনের দাবি জানাচ্ছি। ফলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা পেশাদার ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন এবং দীর্ঘমেয়াদি তহবিল প্রবাহ বাড়বে।

তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের মতো মিউচুয়াল ফান্ড ও অন্যান্য সিকিউরিটিজে মূলধনি মুনাফার ওপর সমহারে কর আরোপ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শেয়ার লেনদেনের টার্নওভারের ওপর কর্তিত টিডিএসকে ন্যূনতম কর নয়, অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করারও সুপারিশ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের পুনরায় বাজারে সক্রিয় করতে নেগেটিভ ইকুইটি বা লোকসানগ্রস্ত বিনিয়োগ হিসাবের ক্ষেত্রে সুদ আয়, নগদ লভ্যাংশ ও মূলধনি মুনাফার ওপর পূর্ণ কর অব্যাহতির প্রস্তাবটি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

Capital-market-Outline-111

দেশের বড় ও কর সুবিধাভোগী কোম্পানিগুলোকে ধাপে ধাপে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে উৎসাহ প্রদান করা প্রয়োজন। পাশাপাশি বন্ড মার্কেট সম্প্রসারণে নীতিগত প্রণোদনাও সময়ের দাবি। যেসব তালিকাভুক্ত কোম্পানি দীর্ঘদিন বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন বা লভ্যাংশ ঘোষণা করে না, তাদের কর সুবিধা বাতিল করা উচিত।