আজ দেশের এলপিজি খাত মূলত বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল, যারা আমদানি, সংরক্ষণ ও বিতরণ অবকাঠামো গড়ে তুলেছে।
তবে দেশের প্রায় সম্পূর্ণ এলপিজি চাহিদা আমদানিনির্ভর হওয়ায়, বৈশ্বিক অস্থিরতা সরাসরি আমাদের ওপর প্রভাব ফেলে—বিশেষ করে ভাড়া বৃদ্ধি, সরবরাহ বিঘ্ন এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে ঝুঁকি বৃদ্ধির মাধ্যমে।
এ চ্যালেঞ্জপূর্ণ বাস্তবতায় ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড দেশের বৃহত্তম এলপিজি অপারেটর হিসেবে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আন্তর্জাতিক সরবরাহ উৎসের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক, আধুনিক অবকাঠামো বিনিয়োগ এবং বিস্তৃত বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ওমেরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সরবরাহ সচল রেখেছে। পাশাপাশি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এলপিজি রফতানির মাধ্যমে আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতায়ও অবদান রাখছে।
আসন্ন বাজেট বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এক্ষেত্রে আমদানি উৎস বৈচিত্র্যকরণ, দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি এবং বৃহৎ পরিসরে সংরক্ষণ ও টার্মিনাল অবকাঠামো বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান অপরিহার্য।
একই সঙ্গে একটি স্বচ্ছ ও স্থিতিশীল মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা বেসরকারি বিনিয়োগ টেকসই রাখতে সহায়ক হবে। নিয়ন্ত্রক স্থিতিশীলতা ও বাজারে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। সঠিক নীতিগত সহায়তায় বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী ও সহনশীল জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হবে—যেখানে এলপিজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের মতো দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো এ যাত্রার নেতৃত্ব দেবে।










