তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও কয়লার ওপর এ হার আরোপিত রয়েছে যথাক্রমে আড়াই শতাংশ ও ৫ শতাংশ মাত্র। এইচএফওর ওপর এ অতিরিক্ত শুল্ক বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ বাড়াচ্ছে। যেখানে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (বিপিডিবি) ভর্তুকি দিতে হয়, সেখানে এ অতিরিক্ত শুল্ক ভর্তুকির পরিমাণ বাড়াচ্ছে। এজন্য এইচএফওর ওপর শুল্ক কয়লার সমপরিমাণ হওয়া উচিত।

বিপিডিবি ও পেট্রোবাংলা উভয়ই এখন অর্থনৈতিকভাবে রুগ্‌ণ অবস্থার মধ্যে রয়েছে। এবং ভর্তুকি ছাড়া এ দুটি প্রতিষ্ঠান এখন চলতেই পারছে না। সেক্ষেত্রে তাদের ওপর আয়কর আরোপ করার সুযোগ কোথায়? বর্তমানে উভয়ই দ্বৈত আয়করের আওতায় আছে এবং মোট বিক্রির ওপর প্রায় ৬ শতাংশ আয়কর দিচ্ছে। এ আয়করের পরিমাণ শূন্য হওয়া বাঞ্ছনীয়।