স্বাধীনতার পর
পাঁচ
দশক
সময়ে
বাংলাদেশ
বিভিন্ন
ধরনের
উত্থানের
মধ্য
দিয়ে
গেছে।
দেশটি
নানা
সূচকে
উল্লেখযোগ্য
অগ্রগতি
অর্জন
করেছে।
শিল্পায়নের
পথে
এগিয়ে
যাওয়া
সম্ভবত
এ
সময়ে
দেশটির
অন্যতম
এক
অভূতপূর্ব
অর্জন।
স্বাধীনতার
সময়
নতুন
করে
স্থানীয়
কিংবা
বৈদেশিক
বিনিয়োগ
করার
মতো
অবকাঠামো,
উদ্যোক্তা,
শিক্ষিত
কর্মী
এবং
মূলধনের
ক্ষেত্রে
দেশটি
পিছিয়ে
ছিল।
নানা
আর্থসামাজিক
সূচকের
হিসেবেও
দেশটি
নিম্নে
অবস্থান
করত
এবং
অন্যদের
তুলনায়
জনসংখ্যা
বৃদ্ধির
উচ্চহার,
চূড়ান্ত
দারিদ্র্য,
অপুষ্টি
ও
অশিক্ষার
কারণে
চিহ্নিত
হয়েছিল।
যা
হোক,
একই
পরিপ্রেক্ষিতে
থাকা
অন্য
অনেক
দেশ
যেখানে
নিম্ন
আয়ের
ফাঁদে
স্থবির,
সব
ধরনের
প্রতিকূলতা
পার
করে
বাংলাদেশ
উন্নয়নের
একটি
ধ্রুব
ধারা
ধরে
রেখে
নিম্ন-মধ্যআয়ের
দেশে
পরিণত
হয়ে
এখন
স্বল্পোন্নত
দেশের
কাতার
থেকে
উন্নত
হতে
প্রস্তুত।
বাংলাদেশের
দ্রুত
এ
অগ্রগতির
পেছনে
শিল্প
খাতের
ইতিবাচক
পরিবর্তন
মূল
চালিকাশক্তি
হিসেবে
কাজ
করেছে।
এই নিবন্ধে,
বাংলাদেশের
শিল্প
খাতের
এ
পরিবর্তনের
ধারাবিবরণী
দেয়ার
পাশাপাশি
স্বাধীনতাপূর্বকালে
শিল্প
খাতের
অবস্থাকে
ভিত্তি
ধরে
পরিবর্তনের
ধরন
বিশ্লেষণের
চেষ্টা
করব।
নিবন্ধটি
বাংলাদেশের
শিল্প
খাতের
সাম্প্রতিককালের
ধারা,
সম্ভাবনা
এবং
প্রতিকূলতার
প্রতিও
দৃষ্টি
প্রদানের
পাশাপাশি
কিছু
মূলনীতি
উপস্থাপন
করে,
যার
মাধ্যমে
২০৪১
সালের
মধ্যে
বাংলাদেশকে
উচ্চ
আয়ের
দেশে
পরিণত
করা
সম্ভব।
১. শিল্প
খাতের পরিবর্তন: বৈশিষ্ট্য এবং
প্রতিকূলতা
গত ৫০
বছরে
বাংলাদেশের
শিল্প
খাতে
লক্ষণীয়
পরিবর্তন
সাধিত
হয়েছে।
উন্নয়নের
বিভিন্ন
পর্যায়কালে
ভাগ
করা
হলে
একে
১.
পুনর্নির্মাণ
পর্যায়
(১৯৭২-১৯৯০),
২.
উত্থান
প্রস্তুতি
পর্যায়
(১৯৯১-২০০৯)
এবং
৩.
উত্থানপর্ব
(২০১৮-বর্তমান)
হিসেবে
চিহ্নিত
করা
যায়।
পুনর্নির্মাণ
পর্যায়ের
শুরুতে
বাংলাদেশে
খুব
সামান্য
পরিমাণ
শিল্প
প্রতিষ্ঠান,
বিনিয়োগকারী
এবং
উদ্যোক্তা
নিয়ে
যাত্রা
হয়।
দুর্বল
অর্থনৈতিক
খাত,
অবকাঠামোর
অভাবের
পাশাপাশি
রাজনৈতিক
অস্থিরতার
মধ্য
দিয়ে
চলা
শুরু
হয়।
বস্তুগত
ও
অবস্তুগত
অবকাঠামো
নির্মাণের
ক্ষেত্রেও
কিছু
প্রতিকূলতা
দেখা
যায়।
অবকাঠামো
তৈরি
একটি
সময়সাপেক্ষ
বিষয়
এবং
নীতি
ও
অর্থনৈতিক
কাঠামো
তৈরির
ক্ষেত্রেও
নানা
সমস্যার
মুখে
পড়তে
হয়।
১৯৯১
থেকে
২০০৯
সময়কে
‘উত্থানের
প্রচেষ্টা
পর্যায়’
বলে
চিহ্নিত
করা
যায়,
যেখানে
পূর্ববর্তী
দশকে
গৃহীত
অনেক
নীতি
তার
ফল
প্রদান
শুরু
করে
(আকাশ, ২০০৪)
এবং
২০১০
থেকে
(উত্থানের শুরু)
শিল্প
খাতে
বাংলাদেশের
দ্রুত
পরিবর্তন
লক্ষিত
হয়েছে।
দেশের
রফতানি
আয়
২০১০
থেকে
২০১৯
সালে
১০
থেকে
৪৬
বিলিয়ন
মার্কিন
ডলারে
পৌঁছে,
অর্থাৎ
দ্বিগুণ
বৃদ্ধি
পেয়েছে।
কারখানার
স্বয়ংক্রিয়
কার্যক্রম
এবং
ডিজিটালাইজেশন
খুব
দ্রুত
সম্পন্ন
হয়েছে।
এ
সময়ের
সবচেয়ে
বড়
অর্জন,
জাতিসংঘ
কর্তৃক
বাংলাদেশকে
স্বল্পোন্নত
দেশের
কাতার
থেকে
উত্তীর্ণ
হিসেবে
চিহ্নিত
করা।
পরবর্তী
অনুচ্ছেদগুলো
বাংলাদেশের
এই
তিন
পর্যায়ের
শিল্প
উন্নয়ন
সম্পর্কে
সংক্ষিপ্ত
তথ্য
উপস্থাপন
করে।
বিভাগ অনুসারে জিডিপিতে ভূমিকা
প্রথম পর্যায়ে
(১৯৭২-৯০)
বাংলাদেশের
শিল্প
খাত
লক্ষণীয়
কিছু
ছিল
না।
প্রাথমিকভাবে
দেশটি
কৃষিভিত্তিক
অর্থনীতির
দেশ
ছিল
বলাই
যুক্তিযুক্ত।
১৯৭২
সালে
দেশের
মোট
অর্থনীতির
৬০
ভাগ
কৃষি
থেকেই
লাভ
আসত।
১৯৭২
থেকে
১৯৯০
সালের
মধ্যে
জিডিপিতে
কৃষির
ভূমিকা
প্রায়
২৫
শতাংশ
কমে
আসে,
যেখানে
শিল্প
খাতের
ভূমিকা
৫
শতাংশের
কিছু
বেশি
এবং
সেবা
খাতের
ভূমিকা
২০
শতাংশ
বৃদ্ধি
পায়।
এ
সময়ের
মধ্যে
শিল্প
এবং
সেবা
খাতের
প্রবৃদ্ধির
কারণে
কৃষি
খাতের
ভূমি
হ্রাস
পেয়েছিল।
তথ্যানুসারে
১৯৯১
থেকে
২০০৯
সময়কালে
জিডিপিতে
শিল্প
খাতের
প্রভাব
১৩
দশমিক
৯
শতাংশ
বৃদ্ধি
পায়।
২০০৯
সালে
তা
বেড়ে
দাঁড়ায়
২৯
দশমিক
৭
শতাংশ,
যখন
কৃষির
ভূমিকা
দাঁড়ায়
২০
দশমিক
৬
শতাংশ।
মোট
জাতীয়
উৎপাদনে
কৃষির
অবদান
২০১৯
সালে
১৩
দশমিক
৩
শতাংশে
নেমে
আসে,
যেখানে
সেবা
খাতের
অবদান
দাঁড়ায়
৪৯
দশমিক
৭
শতাংশ।
মোট দেশজ
উৎপাদনে
(জিডিপি) প্রথম
পর্যায়ে
(১৯৭২-৯০),
দ্বিতীয়
(১৯৯১-২০০৯)
এবং
তৃতীয়
পর্যায়ে
(২০০৯-১৯)
কৃষির
অবদান
কমতে
থাকে,
যা
যথাক্রমে
মাইনাস
২
দশমিক
১৬,
মাইনাস
২
দশমিক
৫০
এবং
মাইনাস
৩
দশমিক
১৯
শতাংশ।
জাতীয়
উৎপাদনে
সেবা
এবং
শিল্প
খাতের
অবদান
লক্ষণীয়রূপে
বৃদ্ধি
লাভ
করে
কিন্তু
শতকরা
হিসেবে
তিন
পর্যায়ে
সেবা
খাতের
অবদান
যথাক্রমে
৪
দশমিক
৭৬,
দশমিক
৫৬
এবং
দশমিক
৬৮
শতাংশ।
শিল্প
খাতের
বার্ষিক
গড়
যথাক্রমে
২
দশমিক
৮৩,
৪
দশমিক
৬৪
এবং
দশমিক
৯৫
শতাংশ।
২০১০
সালে
মোট
জাতীয়
উৎপাদনে
শিল্প
খাতের
অবদান
ছিল
৫২
শতাংশ,
যা
২০১৯
সালে
বেড়ে
দাঁড়ায়
৫৫
দশমিক
৫
শতাংশ
যেখানে
শিল্প
খাতের
জিডিপি
৩১
দশমিক
২
শতাংশ
বৃদ্ধি
পেয়েছিল।
শিল্প খাতের
প্রবৃদ্ধি
শিল্প খাতের
সার্বিক
প্রবৃদ্ধি
লক্ষ
করে
সেখান
থেকে
আসা
জিডিপির
অবদানের
ক্ষেত্রে
কিছু
ধারা
পাওয়া
যায়।
১৯৭২-৭৩
সালের
খাতভিত্তিক
অবদানে
জিডিপিতে
শিল্পের
অবদান
ছিল
মাত্র
১০
দশমিক
৪
শতাংশ।
২০১৮-১৯-এ
এসে
তা
বেড়ে
৩১
দশমিক
২
শতাংশে
পরিণত
হয়।
এ
বৃদ্ধির
প্রধান
কারিগর
মূলত
উৎপাদন
খাত।
১৯৭২-৭৩
সালে
জিডিপিতে
উৎপাদন
খাতের
অবদান
ছিল
৬
দশমিক
৬
শতাংশ,
যা
১৯৯-৯১
সালে
বেড়ে
৮
দশমিক
৭,
২০০৯-১০
সালে
১৭
দশমিক
৯
এবং
২০১৯
সালে
১৯
দশমিক
৯
শতাংশ
হয়।
এই
মূল্য
সংযোজনের
প্রধান
অংশ
মূলত
বৃহৎ
পরিসরের
উৎপাদন
খাত
হতে
এসে
থাকে।
জিডিপিতে
ক্ষুদ্র
এবং
কুটির
শিল্পের
অবদান
এখনো
সামান্য।
২
থেকে
৫
শতাংশের
মধ্যেই
অবস্থান
করে।
প্রথম
পর্যায়ে
(১৯৭২-৯০)
মোট
শিল্প
খাতের
মধ্য
থেকে
উৎপাদন
খাতের
অংশ
৬৩
দশমিক
৩
থেকে
৫৬
দশমিক
১
শতাংশে
নেমে
যায়।
বৃহৎ
ও
মাঝারি
প্রতিষ্ঠানের
উৎপাদনের
পরিমাণ
৪১
দশমিক
৩
থেকে
৩২
দশমিক
৫
শতাংশে নেমে
যায়।
এই
পর্যায়ে
ক্ষুদ্র
ও
কুটির
শিল্পের
সামান্য
অংশ
বেড়েছিল।
সর্বাধিক
বৃদ্ধি
মূলত
নির্মাণ
এবং
অন্যান্য
শিল্প
খাতের
(শক্তি এবং
বিদ্যুৎ
অন্তর্ভুক্ত)
ক্ষেত্রে
লক্ষ
করা
যায়।
দেখা
যাচ্ছে,
প্রাথমিক
পর্যায়ে
নির্মাণ,
শক্তি
ও
বিদ্যুৎ
খাতে
প্রবৃদ্ধি
হয়েছিল,
যা
জিডিপি
সিংহভাগ
অবদান
রাখে।
পরবর্তী
দুই
পর্যায়ে
(১৯৯১-২০০৯)
এবং
(২০১০-১৯)
বৃহৎ
ও
মাঝারি
শিল্প
প্রতিষ্ঠানের
ক্ষেত্রে
একটি
স্থিতিশীল
বৃদ্ধি
লক্ষিত
হয়।
এই
দুই
পর্যায়ে
অন্যান্যের
মধ্যে
বস্ত্র,
চামড়া
ও
জুতা
তৈরি,
ওষধি
ও
রাসায়নিক,
লাইট
ইঞ্জিনিয়ারিং
বিশেষভাবে
এবং
দ্রুত
বেড়ে
উঠেছিল।
বাংলাদেশের উৎপাদন খাতের গঠনে
পরিবর্তন
বাংলাদেশের শিল্প
খাত
মূলত
উৎপাদনমুখী
প্রতিষ্ঠান
নিয়েই
গঠিত।
বাংলাদেশের
শিল্প
খাত
গঠনের
মধ্যে
উৎপাদনমুখী
প্রতিষ্ঠানের
অবস্থা
পর্যবেক্ষণ
করলে
দেখা
যাবে,
এখানে
মোটামুটি
চারটি
বিষয়
প্রধান।
এগুলো
হলো
১.
বছরে
গঠিত
প্রতিষ্ঠানের
সংখ্যা,
২.
শিল্প
প্রতিষ্ঠানের
অবদান,
৩.
এসব
প্রতিষ্ঠানের
মাধ্যমে
কর্মক্ষম
হওয়া
মানুষের
সংখ্যা
ও
৪.
শিল্পপ্রতিষ্ঠানের
উৎপাদনমুখিতা
বৃদ্ধির
পরিমাণ।
স্বাধীনতার
কিছু
দিন
পর
বাংলাদেশে
প্রায়
তিন
হাজার
(কিছু কম)
প্রতিষ্ঠান
ছিল
বলে
উল্লেখ
করা
হয়।
১৯৭২-৮১
সালের
মধ্যে
সরকার
গৃহীত
জাতীয়করণ
নীতির
কারণে
এ
প্রতিষ্ঠানের
সংখ্যা
কমে
আসে।
পরবর্তী
সময়ে
আশির
দশকে
গৃহীত
নীতিগুলো
বিশেষত
নিউ
ইন্ডাস্ট্রিয়াল
পলিসি
এবং
সংশোধিত
শিল্পনীতি
গ্রহণের
ফলে
নথিভুক্ত
এবং
কথিত
প্রতিষ্ঠানের
সংখ্যা
বাড়তে
শুরু
করে।
১৯৮০-৮১
থেকে
১৯৯০-৯১-এর
মধ্যে
নথিভুক্ত
প্রতিষ্ঠানের
সংখ্যা
১২
গুণ
বৃদ্ধির
কথা
উল্লেখ
করা
হয়।
উপযুক্ত
পরিবর্তন
এবং
নিয়মবদ্ধ
পদ্ধতির
কারণে
এ
সংখ্যা
বৃদ্ধি
পেয়েছিল।
প্রাথমিক
দশকগুলোয়
উৎপাদন
খাত
মূলত
খাদ্য
ও
বস্ত্র
শিল্প
কারখানার
সমন্বয়ে
গঠিত
ছিল।
কৃষির
সঙ্গে
সরাসরি
সম্পর্ক
থাকার
কারণেই
হয়তো
শুরুর
দিকে
এ
রকম
হয়েছিল।
আশির
দশকের
মাঝামাঝি
দুটি
নতুন
প্রতিষ্ঠানের
উত্থান
শুরু
হয়
তৈরি
পোশাক
এবং
ওষুধ
শিল্প।
বাংলাদেশে
তৈরি
পোশাক
খাতের
উত্থানের
পেছনে
বেশকিছু
বিষয়
ভূমিকা
রেখেছে।
স্বাধীনতার
আগে
বাংলাদেশে
কোনো
ধরনের
রফতানিযোগ্য
পোশাক
খাত
ছিল
না।
১৯৭৪
সালে
‘মাল্টি
ফাইবার
অ্যারেঞ্জমেন্ট’
চালুর
ফলে
বস্ত্র
খাতের
পরিবর্তন
হয়
এবং
উন্নয়নশীল
দেশে
তৈরি
পোশাক
রফতানির
সুযোগ
তৈরি
হয়।
কোটার
মাধ্যমে
নিষিদ্ধ
দেশগুলো
যেমন
দক্ষিণ
কোরিয়া
কোটামুক্ত
দেশের
খোঁজে
ছিল,
যেখানে
তারা
নিজেদের
উৎপাদনস্থল
তৈরি
করতে
পারবে।
দাইয়ু
করপোরেশন
ও
ইয়াঙ্গুন
করপোরেশনের
মতো
উৎপাদন
প্রতিষ্ঠানগুলো
প্রথমে
বাংলাদেশের
স্থানীয়
বিনিয়োগকারীদের
সহযোগিতা
প্রদান
করতে
আসে।
সত্তরের
দশকের
শেষ
পর্যায়ে
বাংলাদেশে
মাত্র
নয়টি
রফতানিমুখী
গার্মেন্ট
ফ্যাক্টরি
ছিল।
পরবর্তী
সময়ে
পোশাক
খাতের
বিরাষ্ট্রীয়করণ
এবং
রফতানি
প্রক্রিয়াকরণ
ক্ষেত্র
তৈরি
করার
কারণে
তৈরি
পোশাক
খাত
পুনরুজ্জীবিত
হয়।
Everything
but arms (EBA), WTO, Agreement on Textiles and Clothing
প্রভৃতি
নীতির
মাধ্যমেও
বাংলাদেশ
বৃহত্তর
পরিসরে
লাভবান
হয়।
১৯৮৩-৮৪তে
থাকা
মাত্র
১৯৪টির
মতো
তৈরি
পোশাক
প্রতিষ্ঠান
থেকে
দ্রুত
বৃদ্ধি
পেয়ে
১৯৯০
সালে
৭২৭টিতে
এবং
২০০০
সালে
এ
সংখ্যা
বেড়ে
হয়
৪
হাজার
৭৩৫,
যা
১৯৯০-এর
তুলনায়
৬
দশমিক
৫
গুণ
বেশি।
২০১১
সালের
শেষের
দিকে
এ
সংখ্যা
৬
হাজার
৯৮৪তে
উন্নীত
হয়েছে।
পাকিস্তান
আমলে
পূর্ব
পাকিস্তানের
জনগণ
আমদানি
করা
ওষুধের
ওপর
নির্ভরশীল
ছিল
যার
মধ্যে
৯০-৭০
শতাংশ
পশ্চিম
পাকিস্তান
থেকে
আমদানি
করা
হতো।
বাংলাদেশ
সরকার
প্রথম
পাঁচসালা
পরিকল্পনা
করার
সময়
১৯৭৩
সালে
ওষুধ
শিল্পের
প্রতি
অত্যন্ত
গুরুত্বারোপ
করে।
সরকার
১৯৮২
সালে
জাতীয়
ওষুধ
নীতি
গ্রহণ
করে।
পৃথিবীর
মাত্র
১৪টি
দেশের
জাতীয়
ওষুধ
নীতি
রয়েছে
এবং
এই
নতুন
পদক্ষেপ
দেশের
ওষুধ
শিল্পকে
এগিয়ে
নিয়ে
যায়।
অন্যান্য
ক্ষেত্রের
মধ্যে
চামড়া
এবং
চামড়াজাত
পণ্য
খাতে
বেশকিছু
ধারা
বদল
লক্ষ
করা
যায়।
১৯৯০-এর
আগে
সে
খাতের
বেশির
ভাগ
কাঁচামাল
ট্যানারি
থেকে
আসত,
যার
মধ্যে
বেশির
ভাগই
ক্রোমিয়াম
ট্যান
করা।
১৯৯১
সালে
বাংলাদেশ
কাঁচা
ও
এই
ক্রোমিয়াম
ট্যানড
চামড়া
রফতানি
নিষিদ্ধ
করে।
সে
সময়
থেকেই
প্রক্রিয়াজাত
চামড়া
কিংবা
চামড়াজাত
পণ্য
রফতানি
বৃদ্ধি
পায়।
অন্যান্য
খাতের
উপখাতেও
প্রায়
একই
রকম
বিষয়
লক্ষিত
হয়েছে।
১৯৭২-৭৩
থেকে
১৯৮০-৮১-এর
মধ্যবর্তী
সময়ে
উৎপাদিত
খাদ্য,
তামাক
এবং
বস্ত্রই
মোট
উৎপাদনের
৭০
শতাংশ
হিসেবে
যুক্ত
হতো।
নব্বইয়ের
দশকে
তৈরি
পোশাক
খাত
থেকে
মোট
উৎপাদনে
অংশগ্রহণ
বাড়তে
শুরু
করে।
পরিধেয়
খাত
থেকে
আগত
অংশের
পরিমাণ
মোট
উৎপাদনের
১০
দশমিক
৯
থেকে
বৃদ্ধি
পেয়ে
২০১১
সালে
৩৫
দশমিক
৬
শতাংশে
উন্নীত
হয়।
প্রধান
শিল্প
খাতগুলোর
মধ্যে
চামড়া
ও
চামড়াজাত
পণ্য,
রাসায়নিক,
বৈদ্যুতিক
যন্ত্রপাতি,
মূল
ধারার
ধাতু
ও
অধাতব
খনিজ
উৎপাদন
অন্যতম।
সময় অতিক্রমের
সঙ্গে
সঙ্গে
উৎপাদন
খাতে
কর্মসংস্থান
কয়েক
গুণ
বৃদ্ধি
পেয়েছে।
১৯৭২-৭৩
সালে
এ
খাতে
মোট
১
লাখ
৮২
হাজার
লোকের
কর্মসংস্থান
হয়েছিল।
সে
সময়
পুরো
উৎপাদন
খাতের
কর্মসংস্থানের
এক-চতুর্থাংশ
বস্ত্র
ও
খাদ্য
খাতের
মাধ্যমে
নিশ্চিত
করা
হতো।
তৈরি
পোশাক
শিল্পের
উত্থানের
সঙ্গে
সঙ্গে
উৎপাদন
খাতে
দ্রুতত
কর্মসংস্থান
বৃদ্ধি
পেতে
আরম্ভ
করে।
১৯৯১
সালে
তৈরি
পোশাক
খাতে
মোট
উৎপাদন
খাতের
৩০
শতাংশ
কর্মসংস্থানের
ধারক
ছিল।
সেখান
থেকে
২০০০
সালে
৪৫
ও
২০১১
সাল
নাগাদ
৫৫
শতাংশে
উন্নীত
হয়।
২০১৭
সালের
কর্মী-বল
জরিপ
(লেবার ফোর্স
সার্ভে)
একটি
চমকপ্রদ
তথ্য
দেয়।
৩
দশমিক
৩
মিলিয়ন
চাকরির
সংস্থান
নিয়ে
২০১৭
সালে
মোট
উৎপাদনে
তৈরি
পোশাক
খাতের
কর্মসংস্থানের
অংশ
৩৭
দশমিক
৯
শতাংশে
নেমে
যায়।
খাদ্য
ও
বস্ত্র
শিল্পে
কর্মসংস্থানের
পরিমাণ
অপরিবর্তিত
থাকার
পরও
অন্যান্য
খাতে
(অধাতব খনিজ
উৎপাদন,
ধাতব
পণ্য,
বৈদ্যুতিক
যন্ত্রপাতি
ইত্যাদি)
কর্মসংস্থানের
পরিমাণ
কয়েক
গুণ
বৃদ্ধি
পেয়েছে।
এখান
থেকে
দেখা
যায়,
উৎপাদন
খাতে
বৈচিত্র্য
আসার
কারণে
কর্মসংস্থান
তৈরির
নিরাপত্তা
নিশ্চিত
সহজ
হয়েছে।
রফতানি ও
উৎপাদন খাতের
প্রবৃদ্ধি
আগেই আলোচিত
হয়েছে
বাংলাদেশের
উৎপাদন
খাতের
প্রবৃদ্ধির
বৈশিষ্ট্য
লক্ষ
করে
বলা
যায়,
মূলত
রফতানিমুখী
খাতগুলো
দ্বারা
দ্রুত
এই
প্রবৃদ্ধি
সাধিত
হয়েছে।
একে
স্পষ্ট
করে
বোঝার
জন্য
স্বাধীনতা-পূর্ব
অবস্থা
লক্ষ
করা
অত্যন্ত
জরুরি।
ঔপনিবেশিক
কালপর্ব
শেষ
হলে
পূর্ব
পাকিস্তানে
উল্লেখযোগ্য
কোনো
রফতানিযোগ্য
পণ্য
ছিল
না।
বেশির
ভাগ
পাটকল
পশ্চিমবঙ্গে
স্থাপিত
হওয়ার
কারণে
দেশভাগের
পর
পূর্ব
পাকিস্তানে
একটিও
পাটকল
ছিল
না।
১৯৫১
সালে
প্রাথমিকভাবে
কিছু
পাটকল
স্থাপন
করা
হয়
এবং
এ
কারণে
১৯৬৬-৬৭
সাল
পর্যন্ত
বাংলাদেশের
রফতানিপণ্যের
সিংহভাগ
অংশজুড়ে
ছিল
এই
কাঁচা
পাট
এবং
পরবর্তী
সময়ে
পাটজাত
পণ্য
দ্বিতীয়
স্থান
অধিকার
করে।
স্বাধীনতার
পর
পাট
থেকেই
বাংলাদেশের
সর্বাধিক
রফতানি
আয়
হতে
থাকে।
১৯৭৩
সালে
মোট
রফতানিপণ্যের
মধ্যে
৫২
শতাংশ
পাটজাত
পণ্যের
দখলে
ছিল,
যেখানে
কাঁচা
পাটের
পরিমাণ
ছিল
৩১
দশমিক
৬
শতাংশ।
বিশ্বব্যাপী
চাহিদা
হ্রাস,
টাকার
মূল্যমান
কমে
যাওয়া,
পাট
ও
পাটজাত
পণ্যের
মূল্যহ্রাসের
কারণে
পাট
এবং
পাটজাত
পণ্য
রফতানির
পরিমাণ
পড়ে
যায়।
এরই
মধ্যে
১৯৮১
সাল
থেকে
তৈরি
পোশাক
খাত
লক্ষণীয়
অবদান
রাখতে
শুরু
করে।
নব্বইয়ের
শুরুতে
মোটা
রফতানি
পণ্যের
মধ্যে
তৈরি
পোশাক
৪১
শতাংশ
জায়গা
দখল
করে
নেয়।
বছর-বছর
হিসেবে
১৯৯০
থেকে
প্রতি
বছরই
তৈরি
পোশাক
খাত
দ্রুত
বিকশিত
হয়েছে।
১৯৯১
সালে
মোট
রফতানিপণ্যের
মধ্যে
তৈরি
পোশাক
৫০
শতাংশ
থেকে
২০০৯
সালে
বেড়ে
দাঁড়ায়
৭৯
এবং
২০২০
সাল
নাগাদ
৮৩
শতাংশে
পরিণত
হয়।
তৈরি
পোশাক
ছাড়া
খুব
কম
সংখ্যক
প্রতিষ্ঠানই
রফতানিতে
ভূমিকা
রাখতে
সক্ষম
হয়েছে।
তবে
এক্ষেত্রে
অন্যান্য
পণ্যের
মধ্যে
চামড়া
ও
চামড়াজাত
পণ্য,
মাছ
এবং
হিমায়িত
খাদ্য
গুরুত্বপূর্ণ।
১. বাংলাদেশের
শিল্প
খাতের
সম্ভাবনা
এবং
সম্ভাব্য
প্রতিকূলতা
শিল্প
খাতে
উন্নতির
যাত্রায়
বাংলাদেশ
উল্লেখযোগ্য
ফল
লাভ
করেছে,
বিশেষত
গত
দুই
দশকে।
এই
বৃদ্ধি
ধরে
রাখার
জন্য
বাংলাদেশ
সরকার
দীর্ঘমেয়াদি
লক্ষ্য
ও
বৃহৎ
পরিসরে
বিভিন্ন
পরিকল্পনা
গ্রহণের
পাশাপাশি
বেশকিছু
সুবৃহৎ
প্রজেক্টে
কাজ
শুরু
করেছে।
পদ্মা
সেতু
চালু
হলে
তা
জিডিপিতে
অতিরিক্ত
১
দশমিক
২৬
শতাংশ
অবদান
রাখবে
বলে
ধারণা
করা
হয়।
এ
সেতুর
মাধ্যমে
পিছিয়ে
পড়া
বহু
অঞ্চল
বিনিয়োগের
সুবিধা
লাভ
করবে।
অন্যান্য
প্রজেক্টের
মধ্যে
পদ্মায়
রেল
সংযোগ
এবং
রেল
যোগাযোগ
ব্যবস্থার
উন্নতি,
রূপপুর
পারমাণবিক
বিদ্যুৎ
কেন্দ্র,
পায়রায়
গভীর
সমুদ্রবন্দরের
মতো
পরিকল্পনাগুলো
বাস্তবায়ন
হলে
বাংলাদেশের
শিল্প
খাতে
নতুন
নতুন
সম্ভাবনা
তৈরি
হবে।
বাংলাদেশ
সরকারের
তরফ
থেকে
বিশেষায়িত
অর্থনৈতিক
অঞ্চল
(এসইজেড) তৈরি
করার
পরিকল্পনা
গ্রহণ
করা
হয়েছে,
যা
ভবিষ্যতে
বাংলাদেশের
রফতানি
শিল্প
খাতে
অবদান
রাখবে
বলে
আশা
করা
যায়।
এক্ষেত্রে
হাইটেক
পার্ক
তৈরির
কথাও
ভাবা
হচ্ছে।
একাধিক
অঞ্চলকে
সংযুক্ত
করার
চেষ্টাও
দেশের
শিল্প-অর্থনীতিতে
গুরুত্বপূর্ণ
প্রভাব
রাখবে।
তবে এক্ষেত্রে
কয়েকটি
প্রতিকূলতার
সম্ভাবনা
রয়েছে
যা
বাংলাদেশকে
শক্ত
হাতে
মোকাবেলা
করতে
হবে।
প্রথমত,
বিশ্ব
খুব
দ্রুত
স্বয়ংক্রিয়
ব্যবস্থার
দিকে
এগিয়ে
যাচ্ছে
এবং
চতুর্থ
শিল্পবিপ্লব
প্রযুক্তির
সঙ্গে
নিজেকে
খাপ
খাইয়ে
নেয়ার
চেষ্টা
করছে।
এই
উন্নতির
সঙ্গে
এগিয়ে
যাওয়ার
মতো
পরিকল্পনা
ও
প্রয়োজনীয়
প্রযুক্তিগত
ব্যবস্থা
নিশ্চিতের
পাশাপাশি
উপযুক্ত
দক্ষ
জনশক্তি
তৈরি
না
করলে
চতুর্থ
শিল্পবিপ্লবের
আশীর্বাদ
গ্রহণ
সম্ভব
হবে
না।
এতে
বেকারত্ব
বৃদ্ধি
পাওয়ার
সম্ভাবনাও
তৈরি
হবে।
এখান
থেকে
বলা
যায়,
‘দরিদ্র
এবং
অদক্ষ
শ্রমিকদের
কর্মসংস্থান
নষ্ট
হওয়ার
সম্ভাবনা
রয়েছে।’
দ্বিতীয়ত,
২০২৬
সাল
নাগাদ
বাংলাদেশ
স্বল্পোন্নত
দেশের
কাতার
থেকে
উন্নীত
হবে
বলে
ধারণা
করা
যায়।
ফলে
বর্তমানে
বাংলাদেশ
এমন
কিছু
সুবিধা
ভোগ
করছে,
যা
পরবর্তী
সময়ে
আর
ভোগ
করতে
পারবে
না।
বিশেষত
ইউরোপীয়
ইউনিয়ন
ও
ব্রিটেনে
এই
সুবিধাগুলো
হারাবে।
প্রস্তুতি
গ্রহণ
না
করলে
এ
উন্নীত
হওয়ার
ফলে
দেশের
মোট
উৎপাদন
ব্যবস্থা
ব্যাহত
হবে।
এ
মুহূর্তের
হিসাবে,
স্বল্পোন্নত
দেশের
কাতার
থেকে
উন্নীত
হওয়ার
পর
বিশ্ব
বাণিজ্য
সংস্থার
আরোপিত
করের
কারণে
তৈরি
পোশাক
খাত
১৩
দশমিক
৫
শতাংশ
(৫ দশমিক
৪
বিলিয়ন
মার্কিন
ডলার)
পিছিয়ে
যাবে।
তৃতীয়ত,
বিস্তৃত
আঞ্চলিক
অর্থনৈতিক
অংশীদারিত্ব,
ট্রান্স-প্যাসিফিক
পার্টনারশিপের
মতো
ব্যবস্থার
কারণে
অন্যান্য
প্রধান
প্রতিযোগীর
তুলনায়
বাংলাদেশ
কিছুটা
প্রতিকূল
পরিস্থিতি
লক্ষ
করছে।
চতুর্থত,
বাংলাদেশের
রফতানি
খাত
এখনো
প্রধানত
পোশাক
এবং
বস্ত্র
খাতের
ওপর
নির্ভরশীল
এবং
এ
খাত
যথেষ্ট
দুর্বল
ও
অনিশ্চিত।
সর্বশেষ
হলেও
গুরুত্বপূর্ণ
আরেকটি
বিষয়,
বাংলাদেশের
উৎপাদন
এবং
উৎপাদন
খাতের
বৈচিত্র্য
বৃদ্ধির
ক্ষেত্রে
বেশকিছু
প্রাতিষ্ঠানিক
এবং
অবকাঠামোগত
প্রতিকূলতা
রয়েছে।
অস্বীকার
করার
উপায়
নেই,
অভ্যুদয়ের
সময়
আন্তর্জাতিক
বহু
বিশেষজ্ঞ
বাংলাদেশ
নিয়ে
যে
ধূসর
আশাবাদ
বা
নেতিবাচক
ভবিষ্যদ্বাণী
করেছিলেন,
সন্দেহাতীতভাবে
বাংলাদেশ
সেসব
পেরিয়ে
এসেছে।
ক্রমাগত
নানা
প্রতিকূলতা
পার
করে
বাংলাদেশ
উন্নয়নের
দিকে
এগিয়েছে।
অগুনতি
সীমাবদ্ধতা
এবং
প্রতিকূলতা
পেরিয়ে
বাংলাদেশ
যেভাবে
উন্নতি
করেছে
তাকে
কখনো
কখনো
‘আশ্চর্য
উন্নয়ন’
বলে
আখ্যায়িত
করা
হয়।
এ
উন্নয়নের
অন্যতম
ভিত্তি
হলো
শিল্প
খাতের
দ্রুত
প্রবৃদ্ধি।
নীতি
পরিবর্তন
ও
উপযুক্ত
পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনা
গ্রহণের
মাধ্যমে
বাংলাদেশ
তার
শিল্প
খাতে
উপযুক্ত
লাভ
এবং
দেশে
উন্নয়ন
ঘটাতে
সক্ষম
হয়েছে।
সম্পূর্ণরূপে
কৃষিভিত্তিক
এবং
আমদানিনির্ভর
দেশ
হতে
বাংলাদেশ
ক্রমে
পরিবর্তিত
হয়ে
একটি
উৎপাদননির্ভর
রফতানিমুখী
দেশে
পরিণত
হয়েছে।
শিল্প
খাতের
দ্রুত
প্রবৃদ্ধি
সাধিত
হয়েছে
এবং
সেখানে
যদিও
তৈরি
পোশাক
খাত
প্রধান,
তবু
ওষুধ,
চামড়া
ও
চামড়াজাত
পণ্য,
পাদুকা,
রাসায়নিক,
ইলেট্রনিকস
এবং
হালকা
ইঞ্জিনিয়ারিং
ইত্যাদি
খাত
ইদানীং
এগিয়ে
যাচ্ছে।
সজীব
বাজার,
চাহিদা,
স্বল্পমূল্যে
শ্রমিক,
উদ্ভাবন
এবং
তরুণ
উদ্যোক্তাদের
প্রচেষ্টা
এ
রকম
একটি
দৃঢ়
ক্ষেত্র
তৈরিতে
প্রাথমিকভাবে
ভূমিকা
রাখছে।
২০৪১
সাল
নাগাদ
বাংলাদেশকে
উচ্চ
আয়ের
দেশের
তালিকায়
উন্নীত
করতে
শিল্প
খাতে
একটি
স্থির
এবং
ধ্রুব
প্রবৃদ্ধি
ধরে
রাখা
প্রয়োজন।
পরবর্তী
সময়ে
সরকার
এবং
বেসরকারি
উদ্যোক্তা—উভয়ের
তরফ
থেকেই
অধিক
সমন্বিত
পরিকল্পনা
এবং
পদক্ষেপ
প্রয়োজন।
পরিশেষে
সরকারের
তরফ
থেকে
প্রাতিষ্ঠানিক
গুণাগুণ
বৃদ্ধি,
বৃহৎ
পরিকল্পনার
সময়ানুগ
প্রয়োগ
নিশ্চিতের
পাশাপাশি
আঞ্চলিক
সংযুক্তির
মাধ্যমে
বাণিজ্য
সুবিধা
বৃদ্ধির
মাধ্যমে
বাণিজ্যবৈচিত্র্য
বৃদ্ধি
সহায়ক
নীতি
গ্রহণ
করতে
হবে।
অন্যদিকে
বেসরকারি
খাত
থেকে
সামাজিক
দায়িত্বে
বিনিয়োগের
ক্ষেত্রে
অধিক
সতর্কতা
এবং
দায়িত্বশীলতা
প্রদর্শন
করতে
হবে।
এ
দুটি
ক্ষেত্র
সংযুক্ত
হয়ে
কাজ
করলে
বাংলাদেশের
ভবিষ্যৎ
উন্নয়নের
যাত্রা
অবাধ
হবে।
ড. বজলুল
হক খন্দকার: ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের
অর্থনীতির
অধ্যাপক
ও
সানেমের
চেয়ারম্যান
মাহতাব উদ্দিন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির শিক্ষক ও সানেমের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েটস





