প্রতি বছরই অনেক অনেক মানুষ নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি জমায় সেখানে অভিবাসন ও ভালো কাজের আশায়। অনেকেই নিজের দেশের দুর্দশাময় পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে বাঁচতে চায়। কিন্তু কখনো কখনো সেখানে গিয়ে তারা মুখোমুখি হয় নতুন দুর্দশার। কাউকে আবার পথেই পড়তে হয় প্রবল ভোগান্তির মুখে।

সম্প্রতি বেশকিছু গণমাধ্যমের বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের সেসব দুর্দশার চিত্র উঠে এসেছে। সেখানে যেমন পথের ভয়াবহতার কথা উঠে এসেছে, তেমনই এসেছে সেখানে পৌঁছানোর পরে মুখোমুখি হওয়া পরিস্থিতিরও। এই তালিকায় বাংলাদেশী রয়েছেন অনেক বেশি। বর্তমান সময়ে ইতালিতে বসবাসের ক্ষেত্রে অনেক বেশি দুর্দশার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশী অভিবাসীরা। এখনো ইতালিতে থাকা অভিবাসীরা নানান দুর্দশার মুখোমুখি হচ্ছেন।

অন্যান্য অনেক উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশও ক্রমাগত নগরায়ণের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ২০১৬ সালের তথ্য বলছে মোট জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশ নগরে বসবাস করে (ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্ডিকেটর ২০১৮)। শিক্ষার দিক থেকে যদিও এই চিত্র খুব একটা ইতিবাচক নয়। তবে কোনো রকম শিক্ষা না থাকা শ্রমিকের সংখ্যা ১৯৯৯-২০০০ সালের ৪৮ দশমিক ১ শতাংশ থেকে কমে ২০১০ সালে ৪০ দশমিক ১ শতাংশে নেমেছে।

বাংলাদেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমাতে অনেকেই খুব বেশি সচেষ্ট থাকে। বাংলাদেশীদের অভিবাসনের একটা দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সেই সুদূর অতীত যখন থেকে এটা ব্রিটিশ শাসন বা ভারতের অংশ ছিল তখন থেকেই। ঔপনিবেশিকতার সংযোগের অংশ হিসেবে ১৯২০ সালের দিকে অনেক বাঙালি নাবিক ব্রিটিশ ব্যবসায়ী নাবিকদের সঙ্গে লন্ডনে স্থায়ী হয়ে যায়। এরপরে ১৯৫০-৬০-এর দিকে এবং ১৯৭০-৮০-এর দিকে অনেক বাংলাদেশী যুক্তরাজ্যে অভিবাসন নিয়ে গিয়েছে। তবে সেই সময়ের অভিবাসনের ধারা পরবর্তী সময়ের তুলনায় অনেক ধীর ছিল।

বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের তথ্য বলছে, বাংলাদেশী অভিবাসীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করে ১৯৮০ সালের দিকে। সেই সময়ের তথ্য বলছে, এসব অভিবাসনও তিনটি ধাপে হতো। যার প্রথম ধাপ ছিল ১৯৭৮-১৯৮৯ সালের দিকে। সে সময় বাংলাদেশী শ্রমিকরা মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় যেত। বিশেষ করে গালফ করপোরেশন কাউন্সিলের ছয়টি সদস্য দেশে যেত। কারণ ১৯৭৩ সালে তেলের বাজার প্রসারিত হওয়ায় সেখানে শ্রমিকের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছিল। দ্বিতীয় ধাপটা ছিল ১৯৯০ থেকে ২০০০ সালে। সেই সময়ে অভিবাসনে বাইরে যাওয়ার হার চার গুণ বেড়ে যায়। কারণ মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বাজারে প্রবেশ করে বাংলাদেশী শ্রমিকরা। তৃতীয় ধাপটা ছিল ২০০১ থেকে ২০০৮ সালে। এই সময়ে বাংলাদেশীদের পূর্ব ইউরোপ, ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোতে প্রবেশাধিকার পায়। বিএমইটির তথ্য বলছে, ২০০৮ সালের পরে শ্রমিকদের বাইরে যাওয়ার সংখ্যাটা অনেক ওঠানামা করেছে কিন্তু সেটা কখনো ২০০৬ সালের হারের নিচে নামেনি। বরং ২০১৭ সালে বিদেশে অভিবাসনের সর্বোচ্চ হারের রেকর্ড তৈরি হয়। যদিও এসব তথ্যে শুধু বৈধভাবে দেশের বাইরে যাওয়াদের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে। আবার যেহেতু বাংলাদেশীরা কোনো একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়ার আগে বেশকিছু দেশ হয়ে যায়, তাতেও সঠিক সংখ্যায় পার্থক্য আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আলোকচ্ছটার একদম শেষ প্রান্তের তথ্য বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে অনেক শ্রমিক মৃত্যুবরণও করে। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সালে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৮ হাজার মরদেহ দেশে ফেরত আসে। ওই সব দেশে অনেক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও স্বল্পকালীন চুক্তিতে ওই সব দেশে ছিলেন এসব শ্রমিক। এসব থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশীদের দুর্দশা কিছুটা উপলব্ধি করা যায়। এসব অভিবাসীর বেশির ভাগই প্রথমে মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণ ভিসায় যায়, তারপর যায় উত্তর আমেরিকায়। সেখান থেকে পাড়ি জমায় ইতালিতে।

সম্প্রতি বাংলাদেশীরা মূলত ইতালিতে যায় তিনটি পথে—অনিয়মিত অভিবাসন, কোটা পদ্ধতি এবং পারিবারিক পুনর্মিলনের মাধ্যমে। অনিয়মিত অভিবাসীরা বিভিন্ন পথ ব্যবহার করে ইতালিতে পৌঁছায়। আকাশপথ, সড়কপথ ও সমুদ্রপথে, কেউ কেউ আবার এই তিনটি পথেই পৌঁছায়। এক্ষেত্রে খুবই বেশি যে কৌশলটি ব্যবহূত হয় সেটি হলো বৈধ ভিসায় কোনো একটি ট্রানজিট দেশে চলে যাওয়া, সেখান থেকে সড়ক বা সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইতালিতে প্রবেশ করা। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রানজিট দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, আলবেনিয়া, রোমানিয়া, রাশিয়া, তুরস্ক, লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মরক্কো ও আলজেরিয়া। কিছু কিছু ট্রানজিট দেশ থেকে ইতালির এই যাত্রাপথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে হয়। সেটাও খুব অনিশ্চিত একটি সফর, এমনকি সে পথ পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে প্রাণও হারায়। এছাড়া এই সফরের পথে তাদের আরো কিছু সমসার মুখোমুখি পড়তে হয়। কারণ তাদের অনেকেই আগে কখনো বাংলাদেশের বাইরে যায়নি, বিদেশী ভাষায় কথা বলার মতো দক্ষতা তাদের নেই, আবার কেউ কেউ পুরোপুরি নাবালক। এভাবে অবৈধ অভিবাসনের সময়ে অনেকেই ধরা পড়ে যায় আর প্রবাসের জেলে আটকা পড়ে থাকে অথবা কাউকে কাউকে আবার বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। বাংলাদেশে তারা আবার সেই ঋণের চক্রে পড়ে। কারণ তাদের বিদেশে পাঠাতে গিয়ে অনেক পরিমাণ ঋণের অর্থ দিয়েই এই অবৈধ সফর শুরু হয়। আইওএম ইতালির তথ্য বলছে, ২০১৬-২০১৭ সালে সমুদ্রপথে সেখানে পৌঁছানো ৬১৯ জনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। সেখানে তারা জানায়, বাংলাদেশ থেকে ইতালির এই যাত্রাপথেই তাদের সময় কেটেছে পাঁচ মাস। যাদের সবচেয়ে কম সময় লেগেছে, তাদেরও কেটে গিয়েছে এক মাস।

তাছাড়া প্রাপ্তবয়স্কদের অর্ধেক জানিয়েছে, বাংলাদেশ ছেড়ে ইতালি যাওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে এক বছর বা তারও বেশি সময় তারা অন্য কোনো দেশে বসবাস করেছে। এর ফলে তাদের সফর আরো বেশি দুর্দশাগ্রস্ত হয়েছে। এই যাত্রাপথে শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক সবাই অনেক ধরনের নির্যাতনেরও শিকার হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন। তার মধ্যে কোনো ধরনের বেতন ছাড়াই কাজ করিয়ে নেয়া, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করা, বাড়ির কাজ করা, বাগান পরিচর্যা করা, দোকানে সহযোগিতা করা ওয়েটার হিসেবে কাজ করার ক্ষেত্রেও যুক্ত করা হয় তাদের। অনেক সময় তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কাজ করতেও বাধ্য হতে হয়েছে, তাছাড়া কোনো সরকারী বাহিনী ছাড়াই অন্য কোনো দল বা ব্যক্তির দ্বারা তারা কোনো গোপন জায়গায় আটকে রাখার মতো ঘটনাও ঘটে ৬৩ শতাংশের সঙ্গে। ২০১৭ সালে যেসব শিশুর সাক্ষাৎকার নেয়া হয়, তাদের সবাই অন্তত একধরনের শোষণমূলক আচরণের মুখে পড়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বেতনবিহীন কাজ, জোর করে করানো কাজ, বিয়ে দিয়ে দেয়া বা ইচ্ছের বিরুদ্ধে আটকে রাখার মতো ঘটনা। সেই সঙ্গে ৭৭ শতাংশ এবং ১২ শতাংশ সরাসরি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা চোখের সামনে কাউকে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে দেখেছেন। (আইওএম ২০১৭, পৃ-৪) অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে ইতালির এই যাত্রাপথের মধ্যেই অনেক বাংলাদেশী বিভিন্ন ঘরানার দুর্দশার মুখে পড়েন।

ইতালিয়ান মিনিস্ট্রি অব লেবার অ্যান্ড সোশ্যাল পলিসি তাদের ২০১৬ সালের রিপোর্টে জানায়, ২০১৬ সালে ইতালিতে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০৩ জন বাংলাদেশী নিয়মিত বসবাস করছিলেন। যেখানে ১৯৯৫ সালে ইতালিতে সরকারিভাবে ৫ হাজার ৫৪১ জন বসবাস করতেন (মেলানি নাইটস অ্যান্ড রাসেল কিং, দি জিওগ্রাফি অব বাংলাদেশী মাইগ্রেশন টু রোম, ১৯৯৮)। ওই রিপোর্টে এও বলা হয়েছে ২০১৬ সালে ইতালিতে যতজন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের জনগণ ছিল তার মধ্যে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল বাংলাদেশী, যেটা ২০১৫ সালের তুলনায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। এর মাধ্যমে ইতালিতে বাংলাদেশীদের সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে তীব্রভাবে বৃদ্ধিকেই প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে মোটেও অনিয়মিত অভিবাসীদের যুক্ত করা হয়নি। আইওএমের (২০১৭) তথ্য অনুযায়ী, ৮ হাজার ১৩১ বাংলাদেশী ২০১৬ সালে সমুদ্রপথে ইতালি পৌঁছায়, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে ৭ হাজার ১০৬ জন একই কাজ করেন। এর মাধ্যমে নাইজেরিয়ার পরে সবচেয়ে বেশি প্রবেশকারী জাতির নাম হয়ে যায় বাংলাদেশী।

এভাবে একের পর এক দেশে চলাচল করা এবং এক জায়গায় স্থির না থাকার কারণে বিশেষ করে দক্ষিণ ইউরোপে, তারা থাকার ও কাজ করার অনুমতি পাওয়ার ক্ষেত্রেও দোদুল্যমান থাকে, কখনো কখনো আইনিভাবে সেখানে সাময়িক থাকার অনুমতি পেলেও কাজের অনুমতি মেলে না, আবার কখনো কখনো ঘটে ঠিক উল্টোটা। এভাবেই জায়গা ও আইনি বিষয়াদিতে দুর্দশার মুখোমুখি পড়েন বাংলাদেশী অভিবাসীরা। ২০১৭ সালে ত্রিয়ানদাফিলিডৌ এবং বারতোলিনির গবেষণা বলছে, হোস্ট দেশের কিছু আইন ও নীতি অভিবাসীদের দুর্দশার ক্ষেত্রে আরো বেশি প্রভাব ফেলে। আর সেসবের কারণে সেখানে অবৈধভাবে আরো বেশি অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ে, কারণ তারা ভিসার বাইরে গিয়ে সেখানে বসবাস করা শুরু করে, অবৈধভাবে কাজ করে এবং অবশ্যই অবৈধভাবে প্রবেশ করে। ত্রিয়ানদাফিলিডৌ এবং বারতোলিনি বলেন, বৈধভাবে থাকা ও কাজ করার ক্ষেত্রে পূরণ করা অসম্ভব এমন অনেক বেশি শর্ত জুড়ে দিয়ে দেশগুলো পরোক্ষভাবে অসৎ নিয়োগকর্তাদের স্বার্থের প্রতি সমর্থন জানায়।

আরো একটি পর্যবেক্ষণ বলছে, ১৯৮০ সালের মধ্যবর্তী সময় থেকে ইতালির অভিবাসন আইন ও নিয়মিতকরণের বারবার পরিবর্তন বাংলাদেশীদের সেখানে অবৈধভাবে হলেও প্রবেশের ক্ষেত্রে উৎসাহিত করেছে। কারণ অতীত অভিজ্ঞতা বলে, সেখানে বৈধতা পাওয়ার একটি আশা সবসময় থেকেই গেছে। (মিজানুর রহমান এবং মোহাম্মদ আলমগীর কবীরের বাংলাদেশী মাইগ্রেশন টু ইউরোপ: দি ফ্যামিলি পারস্পেকটিভ ২০১২, কাজী আব্দুল মান্নান এবং খন্দকার মুরশেদা ফারহানা, অ্যান ইমপেরিক্যাল স্টাডি অব বাংলাদেশী মাইগ্র্যান্টস টু ইতালি, ২০১৪)। আবার যেহেতু ইতালিতে বাংলাদেশী সম্প্রদায় বাড়ছে, এর ফলে আরো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেখানে আরো বেশি অভিবাসী বাড়ছে।

ইতালিয়ান মিনিস্ট্রি অব লেবার অ্যান্ড সোশ্যাল পলিসিসের ২০১৬ সালের রিপোর্ট বলছে, সেখানে ওই বছরে যে পরিমাণ নিয়মিত অভিবাসী বাংলাদেশী ছিল, তাদের মধ্যে ৫৯ শতাংশ ছিল চাকরিজীবী, আর ১১ শতাংশ ছিল বেকার। তার মানে দাঁড়ায়, ২০১৬ সালে অনিষ্ক্রিয়তার হার ছিল ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ এই বড় অংশ বেসরকারি নানান কাজে জড়িত। আর অনানুষ্ঠানিক খাতের এসব কাজকে আরো বেশি দুর্দশাপ্রবণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ সেখানে বৈধতার অভাব রয়েছে, রয়েছে খারাপ কাজের পরিস্থিতি, আনুষ্ঠানিক কাজের চাকরিতে যেসব সুবিধা রয়েছে সেসবের ঘাটতি রয়েছে, সেই সঙ্গে রয়েছে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনিশ্চয়তা। বাংলাদেশীদের একটা বড় অংশ এসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।

প্রবাসে আয়ের ক্ষেত্রেও বেশ সমস্যার মুখোমুখি পড়ে বাংলাদেশীরা। কর্মক্ষেত্রে যেসব বাংলাদেশী আছেন তাদের ৪৮ শতাংশ ৮০০ ইউরো থেকে ১২০০ ইউরো আয় করেন প্রতি মাসে। আর ৩৩ শতাংশের আয় ৮০০ ইউরোরও কম। বাকি ১৯ শতাংশ আয় করে ১২০০ ইউরোর বেশি। তবে এই সংখ্যা অন্যান্য অভিবাসী দলের সমানই। তবে যাদের আয় ৮০০ ইউরোর কম তারা সেখানে শালীন জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে গিয়ে বেশ হিমশিম খেতে হয়, বিশেষ করে যদি তাদের বাংলাদেশেও টাকা পাঠাতে হয়। সব মিলিয়ে তারা সেখানে বেশ দুর্দশাগ্রস্ত জীবন কাটায়।

 

[লেখকদ্বয়ের Bangladeshi Migrants of Italy and Their Precaritু শীর্ষক গবেষণা প্রবন্ধ থেকে নির্বাচিত অংশের অনুবাদ করেছেন রেশমা জাহান]