ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয় ইতিহাসের কালজয়ী দিকনির্দেশক। অন্যান্য জাতীয় আন্দোলনের মতো ভাষা আন্দোলনেও চুয়াডাঙ্গাবাসী পিছিয়ে থাকেনি, বরং গৌরবময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে চুয়াডাঙ্গায় প্রথম ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে ১৯৪৮ সালের ১৬ আগস্ট। পাকিস্তানের প্রথম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ওইদিন সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গার শ্রীমন্ত টাউন হলে ‘আজি হতে শতবর্ষ পরে’ নামে একটি নাটক মঞ্চস্থ হয়।

নাটকের বিষয়বস্তু ছিল ১০০ বছর পর ভারত ও পাকিস্তানের বাংলা ভাষা কী রূপ ধারণ করবে। নাটকের লেখক ও নির্দেশক ছিলেন অ্যাডভোকেট শশধর চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে অর্জুনকুমার চট্টোপাধ্যায়। নাটকের কাহিনী ছিল: স্বর্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাকী বসে আবৃত্তি করছেন, আজি হতে শতবর্ষ পরে...। ঠিক সেই মুহূর্তে শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দাবার গুটি ও ছক হাতে ঢুকে কবি নজরুলকে খুঁজতে লাগলেন।

বিপরীত দিক থেকে নজরুল ঢুকলেন আজি হতে শতবর্ষ আগে...আবৃত্তি করতে করতে। তারপর নানা কথার মাঝে তিনজন ঠিক করলেন, পৃথিবী কেমন আছে দেখতে যাবেন। যথাযথ অনুমতি নিয়ে তিনজন কলকাতার গড়ের মাঠে নামলেন।

চারদিকে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্য হলো, সবাই কী ভাষায় কথা বলছে, বোঝা যায় না। হঠাৎ এক বুড়ো লাঠিতে ভর দিয়ে তিনজনের কাছাকাছি এসে থমকে দাঁড়ালেন। বললেন, আহা, অনেকদিন পর শুনলাম এমন পরিষ্কার বাংলা কথা।

শরত্বাবু জানতে চাইলেন, কেন, এখনকার মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে না? বৃদ্ধ বললেন, হিন্দি, উর্দু, ইংরেজি আর বাংলা মিশিয়ে কী সব জগাখিচুড়ি ভাষা হয়েছে বোঝা মুশকিল। আমার বয়সের কেউ তো আর বেঁচে নেই, তাই কথা বলার লোক পাই না। বৃদ্ধের কথা শুনে তিনজনেরই মন খারাপ হয়ে গেল। তাঁরা স্বর্গে ফিরে যেতে মনস্থ করলেন। হঠাৎ নজরুলের মনে পড়ল, ঢাকা তো পূর্ব বাংলার রাজধানী, সেখানকার অবস্থাটা দেখা দরকার। তিনজনে ঢাকায় নামলেন। চারদিকে অনেক পরিবর্তন, কিন্তু সবার মুখে পরিষ্কার বাংলা ভাষা! তারা প্রাণ খুলে কথা বলে উত্ফুল্লচিত্তে স্বর্গে ফিরে গেলেন।

সেদিন বিপুলসংখ্যক দর্শক নাটকটি উপভোগ করেন। ওইদিন থেকেই চুয়াডাঙ্গাবাসীর চিত্তে রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে ধীরে ধীরে জনমত গড়ে উঠতে শুরু করে। এরপর বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় সভা-মিছিল হয়েছে।

তখন চুয়াডাঙ্গায় কোনো কলেজ ছিল না। গোটা মহকুমায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল মাত্র ১০টি। এসব বিদ্যালয়ের ছাত্ররাই আন্দোলন বেগবান করেছিলেন। ভাষা আন্দোলনকে উপলক্ষ করেই চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা প্রথমবারের মতো রাজপথে নেমে এসে ধর্মঘট ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়। এতে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার বদলে সর্বমহলের সমর্থনই ছিল।

২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্রদের মিছিলে গুলিবর্ষণের খবর চুয়াডাঙ্গায় পৌঁছে মূলত সংবাদপত্রের মাধ্যমে। তবে বিভিন্ন সূত্রে খবর জেনে ২২ ফেব্রুয়ারি বিকালেই চুয়াডাঙ্গা ভি. জে. হাইস্কুল মাঠে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন শেখ রহিম বখশ ও মোহাম্মদ শাহজাহান। সভাপতিত্ব করেন ডা. আসহাব-উল হক। বক্তব্য রাখেন ওহিদ হোসেন জোয়ারদার, মজিবুর রহমান, মো. রফাতুল্লাহ, শেখ রহিম বখশ, ওয়ালিউল ইসলাম, ফয়জুর রহমান জোয়ারদার, মোহাম্মদ শাহজাহান, মীর্জা সুলতান রাজা, আবদুল হান্নান জোয়ারদার, গোলাম কাইয়ুম জোয়ারদার, কামরুজ্জামান জোয়ারদার, ভুলু মিয়া প্রমুখ।

২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারী মিছিলে চুয়াডাঙ্গার আজগর আলী, তৈয়বুর রহমান ও মহিউদ্দিন আহমেদ ছিলেন। আজগর আলী গুলিবিদ্ধ হয়ে কারাবরণ করেন। ঢাকার জগন্নাথ কলেজের ছাত্র চুয়াডাঙ্গার সন্তান ওহিদ হোসেন জোয়ারদারকে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে আন্দোলন বেগবান করার জন্য চুয়াডাঙ্গায় পাঠানো হয়।

২৩ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গা ভি. জে. হাইস্কুল ও বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এক প্রতিবাদ মিছিল বের করে শহর প্রদক্ষিণ করে। মোহাম্মদ শাহজাহান, শেখ রহিম বখশ, আবুল হাশেম, আজিজুল হক, আবুল খায়ের; ছাত্রীদের মধ্যে বেলা, পান্না, হেনা, পাখি, উম্মে আতিয়া বানু রেবা প্রমুখ মিছিলের নেতৃত্ব দেন।

মিছিল শেষে আলী হোসেন জোয়ারদারের বাগানে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শশধর চট্টোপাধ্যায়, আজিজুল হক, আবুল হাশেম, মোহাম্মদ শাহজাহান, সুধীন সরকার, ওয়াজেদ আনোয়ারুল কাদির, খাদেমুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এ সবকিছুর নেপথ্যে সব পেশার ও মতের মানুষের সমর্থন ছিল।

২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের আহ্বানে সম্মেলন কক্ষে বৃহত্তর কুষ্টিয়া অর্থাৎ কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের সব রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক আহূত ওই সভায় তত্কালীন পুলিশ সুপার এমএল হক মন্তব্য করেন, হিন্দুস্তানের হিন্দুরা পায়জামা পরে এ দেশে এসে ভাষা আন্দোলনের নামে উসকানি দিয়ে পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে চাচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গার ডা. আসহাব-উল হক উঠে দাঁড়িয়ে পুলিশ সুপারের উসকানিমূলক বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণের দাবি জানালে গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়। উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে শেষ পর্যন্ত পুলিশ সুপার সরাসরি স্বীকার না করলেও তার মন্তব্য যে মিথ্যা, সেটা অসংলগ্ন কথাবার্তায়ই প্রমাণ হয়।

২৫ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গায় বিরাট জনসভা হয় এবং ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ণ হরতাল পালিত হয়। এ প্রসঙ্গে আজাদ পত্রিকায় বলা হয়:

চুয়াডাঙ্গা: ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় পুলিশের গুলিতে নিহতদের স্মরণে ও বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গত ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি এখানে পূর্ণ হরতাল পালন এবং ২৫ ফেব্রুয়ারি বিরাট জনসভা হয়।

কয়েকজন ভাষাসৈনিক

ডা. আসহাব-উল হক: ১৯২১ সালের ৪ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। মা হাজেরা খাতুন, বাবা আহমেদ আলী জোয়ার্দার। চুয়াডাঙ্গা শহরের মাস্টারপাড়ার কালিপদ পণ্ডিতের পাঠশালায় লেখাপড়ার হাতেখড়ি। এরপর চুয়াডাঙ্গা ভি. জে. উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করে কলকাতা খিদিরপুর একাডেমিতে ভর্তি হন। সেখান থেকে ম্যাট্রিক পাস করে কৃষ্ণনগর সরকারি কলেজ; এরপর কলকাতার অ্যাম্পবেল মেডিকেল স্কুলে পড়াশোনা করে সবশেষে ঢাকা মিটফোর্ড থেকে এলএমএফ পাস করেন।

তেজস্বী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ডা. আসহাব-উল হক ছাত্রজীবনেই প্রতিবাদমুখর ছিলেন। দশম শ্রেণীর ছাত্র থাকাকালে সহপাঠীদের নিয়ে জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়া হরতাল প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর বিভিন্ন সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ছাত্র সংঠনের নেতৃত্ব দেন। এ কারণে দুবার তাঁর ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে যায় এবং দুবারই কর্তৃপক্ষ ছাত্রত্ব বাতিলের নির্দেশ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।

১৯৪০ সালে তিনি সর্বপ্রথম র্যাডিক্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। ১৯৪৬ সালে মাত্র ২৫ বছর বয়সে বঙ্গীয় আইনসভার নির্বাচনে প্রার্থী হন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেন।

১৯৪৯-৫১ পর্যন্ত ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত থাকেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে চুয়াডাঙ্গায় স্থানীয়ভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৪ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে চুয়াডাঙ্গা মহকুমা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হন। এ সময় তিনি ২১ দফার সমর্থনে প্রচারণায় নামেন। ১৯৭০ সালে পূর্ব ান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে চুয়াডাঙ্গার যে গৌরবময় ভূমিকা, তার নেপথ্যে প্রধান অবদান ডা. আসহাব-উল হকের।

সাধারণ মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রাণিত করা, কুষ্টিয়া দখলকারী পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর হামলা চালানো, পাকিস্তানি বাহিনীকে প্রথমবারের মতো পরাজিত করা, বহির্বিশ্বের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা, বিদেশী সাংবাদিক এনে খবরের উপাদান জোগাড় করে দেয়া— সবকিছুই ডা. আসহাব-উল হক করেছেন।

তাঁর উদ্যোগেই সর্বপ্রথম ভারতের হূদয়পুরে যুব অভ্যর্থনা ক্যাম্প গড়ে ওঠে। অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করলে ডা. আসহাব-উল হক কলকাতায় চলে যান। সেখানে তাঁকে রেড ক্রসের দায়িত্ব দেয়া হয়। পরে বহির্বিশ্বে জনসমর্থন আদায়ের জন্য জাতিসংঘে পাঠানো প্রতিনিধি দলের সদস্য মনোনীত হয়ে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশ সফর করেন। স্বাধীনতার পর ডা. আসহাব-উল হক আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হন। ১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কারাবন্দি ছিলেন। পরে মুক্তি পেয়ে আর রাজনীতিতে ফেরেননি। ২০১০ সালের ৭ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

মোহাম্মদ শাহজাহান: ১৯৩৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর আলমডাঙ্গা উপজেলার রংপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক বাড়ি চুয়াডাঙ্গা শহরের শেখপাড়ায়। মা শুভতারা, বাবা খোদাদাদ হোসেন। ১৯৫১ সালে চুয়াডাঙ্গা ভি. জে. উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৫৬ সালে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে বিএ পাস করেন।

মোহাম্মদ শাহজাহানের স্কুলজীবনই সংস্কৃতিচর্চা ও রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয়। বিশেষ করে শ্রমিকদের দাবি আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে স্থানীয় প্রতিবাদকারীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। এরপর ভি. জে. উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক ও কুষ্টিয়ার গোস্বামী-দুর্গাপুর স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলে জাতীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং অবিসংবাদিত শ্রমিক নেতা হয়ে ওঠেন।

মোহাম্মদ শাহজাহান মুক্তিযুদ্ধের একজন বিশিষ্ট সংগঠক। তিনি শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধকালীন কার্যকরী সভাপতি। বিভিন্ন দেশে ঘুরে সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭২ সালে আইএলও সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। জাসদ গঠনে নেপথ্য অবদান রাখেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর গণ-অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯৭৬ সালে গ্রেফতার হন। ১৯৭৮ সালে মুক্তি পেয়ে জাতীয়ভিত্তিক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন জাতীয় শ্রমিক জোট গঠন করেন এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন।

১৯৮২ সালে ইতালির তুরিনে আইএলও ফেলোশিপ লাভ করে সমগ্র ইউরোপে ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফর করেন। এরপর জাসদ জাতীয় পরিষদের অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা নির্বাচনী এলাকা থেকে সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালের ২৪ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

শেখ রহিম বখশ: ১৯২৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। মা টুনি বিবি, বাবা শেখ মাদার বখশ। ১৯৫২ সালে ছাত্র ছিলেন। পাশাপাশি একটি শিশু সংগঠন পরিচালনা করতেন। ভাষাসৈনিক শেখ রহিম বখশের উদ্যোগেই চুয়াডাঙ্গায় প্রথম প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয় এবং ছাত্রছাত্রীরা মিছিল করে।

 

লেখক: চুয়াডাঙ্গা জেলার আঞ্চলিক ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গবেষক