২৫ সেপ্টেম্বর ১৯২৫: গোপালগঞ্জের আড়ুয়াকান্দিতে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩০: চাঁদপুরের একটি মিশন স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন।
১৯৩২: পিতা বদলি হয়ে যান পাবনার আতাইকুলায়। সেখানে গ্রামীণ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন।
১৯৩৩: ময়মনসিংহ ভিক্টোরিয়া মিশন স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে ভর্তি হন।
১৯৩৫: পশ্চিমবঙ্গে যান এবং বিষ্ণুপুরের শিক্ষা সংঘ উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন।
১৯৪২: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে পাবনায় ফিরে আসেন।
১৯৪৩: আতাইকুলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
১৯৪৩: রয়্যাল ইন্ডিয়ান নেভিতে যোগ দেন।
১৯৪৬: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকদের বিরুদ্ধে নৌ-বিদ্রোহে অংশ নেন।
১৯৪৭: ডাক বিভাগে সরকারি কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন। অনিতা বিশ্বাসকে বিয়ে করেন।
১৯৫২: চাকরি ছেড়ে পিতার ওষুধের দোকান ‘হোসেন ফার্মেসি’ চালানো শুরু করেন।
১৯৫৬: আতাইকুলায় ছোট ওষুধ কোম্পানি ‘ইসন্স’ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৫৮: ডা. কাজী হারুনুর রশিদ, ডা. পিকে সাহা এবং রাধা বিনোদ রায়ের সঙ্গে ‘স্কয়ার’ ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৬৪: স্কয়ার প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়।
১৯৭৪: বেলজিয়ামের জানসেন ফার্মাসিউটিকার লাইসেন্সধারী হন।
১৯৮৫: স্কয়ার জাতীয় ও বহুজাতিক সব ওষুধ কোম্পানির মধ্যে বাজার নেতৃত্ব অর্জন করে।
১৯৮৭: স্কয়ার প্রথম বাংলাদেশী কোম্পানি হিসেবে বিদেশে ওষুধ রফতানি করে।
১৯৮৮: স্কয়ার টয়লেট্রিজ আলাদা বিভাগ হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।
১৯৯১ : স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়।
১৯৯৬: দুই বছরের জন্য মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৯৭: স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস জাতীয় রফতানি ট্রফি লাভ করে।
১৯৯৮: আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ কর্তৃক ‘বিজনেস এক্সিকিউটিভ অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পান।
২০০১: স্কয়ার কনজিউমার প্রডাক্টস লিমিটেড কার্যক্রম শুরু করে। ডেইলি স্টার ও ডিএইচএল ওয়ার্ল্ডওয়াইড এক্সপ্রেস কর্তৃক ‘দেশসেরা উদ্যোক্তা পুরস্কার ২০০০-০১’ লাভ করেন।
২০০৩: শিল্প ও বাণিজ্য খাতে বিশেষ অবদানের জন্য ‘মার্কেন্টাইল ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড ২০০৩’ পান।
২০০৪: স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনিসেফের বৈশ্বিক সরবরাহকারী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন (২০০৭ পর্যন্ত)।
২০০৬: স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড কার্যক্রম শুরু করে।
২০০৯ : স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ইনসুলিন, হরমোন ও স্টেরয়েড উৎপাদন শুরু করে ইউএস এফডিএ, এমএইচআরএ ও ডব্লিউএইচওর মানদণ্ড মেনে। রফতানি খাতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) ঘোষণা করা হয়।
২০১০: ডেইলি স্টার ও ডিএইচএল কর্তৃক ‘সেরা প্রতিষ্ঠান’ পুরস্কার লাভ। ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স কর্তৃক ‘লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ লাভ।
৫ জানুয়ারি ২০১২: স্যামসন এইচ চৌধুরী সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
২০১৩: মরণোত্তর একুশে পদক প্রাপ্তি।










