দেশের অন্য ব্যবসায়ীদের থেকে স্যামসন ভাই ছিলেন আলাদা। ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সর্বদা মানুষের কল্যাণকেই উদ্যোক্তার মূল কেন্দ্রে রেখেছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে কখনো কোনো বিতর্কে জড়াননি।
পাবনায় পৈতৃক ভিটে এবং ঢাকায় নানাভাবে জনকল্যাণমূলক কাজ করেছেন স্যামসন ভাই। তবে এ সবকিছুই করেছেন আড়ালে থেকে, প্রচারের আলোয় আসতে চাননি। স্যামসন ভাই আমাদের কার্যক্রম পরিচালনায় সর্বদা দিকনির্দেশনা ও সমর্থন দিয়েছেন, এজন্য আইসিসি বাংলাদেশ সৌভাগ্যবান। বিশ্বের বিভিন্ন রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আইসিসির সম্মেলন ও কংগ্রেসে তিনি নিয়মিত উপস্থিত থেকেছেন। সব ক্ষেত্রেই সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল তার।
তার প্রস্থানের মধ্য দিয়ে আমাদের সময়ের এক কিংবদন্তি উদ্যোক্তাকে হারিয়েছিলাম আমরা। একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান রেখে গেছেন তিনি। সেটা যেমন তার পরিবারের জন্য, তেমনি সমাজের জন্য। ব্যবসাক্ষেত্রে দেশে ও বিদেশে সমাদৃত হয়েছেন স্যামসন ভাই। তিনি যে কাজেই হাত দিয়েছেন, চেষ্টা করেছেন সেগুলো যেন তার পছন্দমতো দেশের ও সমাজের স্বার্থে কাজে লাগে। স্যামসন এইচ চৌধুরী ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব ও ক্ষণজন্মা পুরুষ। আজ জন্মশতবার্ষিকীতে তার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।










