প্রয়াত শ্রদ্ধেয় স্যামসন এইচ চৌধুরীর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত স্মৃতি সীমিত হলেও প্রতিটি মুহূর্তই ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ, সৌজন্য বিনিময় কিংবা একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের অভিজ্ঞতা আমার কাছে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি ছিলেন পিতৃতুল্য একজন মানুষ, যার উপস্থিতি আশপাশের মানুষকে অনুপ্রেরণা দিত। তার জন্মশতবার্ষিকীতে আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

দূর থেকে তার ব্যবসায়িক যাত্রা পর্যবেক্ষণ করে উপলব্ধি করেছি শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও নিষ্ঠা ব্যবসায় কতটা অপরিহার্য। তিনি ব্যবসাকে শুধু মুনাফার অংকে সীমাবদ্ধ রাখেননি; গড়ে তুলেছেন এক অনন্য প্রতিষ্ঠান, যা আজ বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মর্যাদা এনে দিয়েছে। তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য তিনি হয়ে উঠেছিলেন এক জীবন্ত পাঠশালা।

আমার প্রয়াত বাবার সঙ্গে ব্যবসায় সম্পৃক্ত হওয়ার পর যখন কিছুটা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করি, তখনই তার সঙ্গে সরাসরি পরিচয়ের সুযোগ হয়। বিশেষ করে বাবার ইন্তেকালের পর তাকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি নানা সামাজিক ও বাণিজ্যিক পরিসরে। প্রতিবারই মনে হয়েছে, তিনি ছিলেন মহীরুহসম ব্যক্তিত্ব, রুচিসম্পন্ন মানুষ, যিনি কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন কীভাবে সততা ও আন্তরিকতা দিয়ে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো যায়।