বিগত কয়েক দশকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে এবং দেশে উচ্চতর ডিগ্রিধারীর সংখ্যাও বেড়েছে। কিন্তু উচ্চ শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। দেশের উচ্চ শিক্ষা নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
দেশের শিক্ষার মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছে। আমি মনে করি আমাদের শিক্ষার্থীরা যথেষ্ট মেধাবী, কিন্তু আমরা তাদের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে পারিনি। উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে কিছু ঘাটতি থেকে গেছে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সব পর্যায়েই উপযুক্ত শিক্ষকের অভাব রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টিকে কতটা যথাযথ মনে করেন? বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় মানসম্মত শিক্ষক নিশ্চিতকরণে কী করণীয়?
প্রাথমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষার প্রতিটি স্তরেই উপযুক্ত দক্ষ শিক্ষকের অভাব রয়েছে, এটি অস্বীকারের উপায় নেই। এর অন্যতম কারণ শিক্ষকদের কম বেতন-ভাতা এবং সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি। বিশেষত আমাদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষকদের বেতন খুবই কম। ফলে মেধাবী শিক্ষার্থীরা এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতায় আসতে চান না। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বেতন-ভাতার সমস্যাটা কিছুটা কম। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আমরা মেধাবী শিক্ষকও পাচ্ছি। কিন্তু এ স্তরে আবার গবেষণাসহ সুযোগ-সুবিধার কিছু স্বল্পতা আছে। এ স্বল্পতার কারণে আমরা তাদের মেধার পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারছি না। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে নিয়োগে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি, যেটি একেবারেই কাম্য নয়। এ বিষয়গুলোও উপযুক্ত দক্ষ শিক্ষকের সংকটের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। এ সংকট নিরসনে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা এবং সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে, যাতে আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এ পেশায় আকৃষ্ট হয়। এছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়াও এমন হতে হবে যাতে মেধাবীরাই শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়। শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণের মতো বিষয়গুলো পরিহার করতে হবে।
ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপনের আলাপটি কয়েক বছর ধরে জোরদারভাবে উঠে আসছে। বলা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের কথা। এ বিষয়ে আপনারা কী ভাবছেন?
বিশ্বের শ্রমবাজারে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন চাহিদা তৈরি হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষ করে তুলতে ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপনের বিকল্প নেই। উন্নত বিশ্বে ইন্ডাস্ট্রির চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়, গবেষণা করা হয়। আমরাও বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। এরই মধ্যে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে একটি প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছি। এ প্রকল্পের অধীনে শিক্ষকদের গবেষণায় অর্থায়ন করা হবে এবং যারা এ গবেষণা করবেন তারা ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে কোলাবরেশন করেই গবেষণা করবেন। অর্থাৎ ইন্ডাস্ট্রিগুলো যে ধরনের বিষয়ে গবেষণার প্রয়োজন অনুভব করে এ প্রকল্পের অধীনে সে বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে এবং গবেষণার ফলাফলগুলোও ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ব্যাপ্তি ও মানোন্নয়নে অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি আগ্রহের ঘাটতির কথাটিও শোনা যাচ্ছে। এটা কতটা সত্য? অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি অনুপস্থিত। পরিস্থিতি বদলাতে কী করা যেতে পারে?
আমাদের দেশে শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় সংকট বাজেটের ঘাটতি। শিক্ষায় যে বরাদ্দ দেয়া হয় তা যথেষ্ট নয়। বিশেষত গবেষণা খাতে যে বরাদ্দ দেয়া হয় তা খুবই অপ্রতুল। গবেষণায় আগ্রহের যে ঘাটতির কথা বলা হচ্ছে তার কারণ প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব। একটি মানসম্পন্ন গবেষণা করতে মোটা অংকের অর্থের প্রয়োজন হয় এবং নিজ অর্থায়নে এ ধরনের গবেষণা সম্ভব নয়। এ কারণে শিক্ষকরা যখন পর্যাপ্ত আর্থিক বরাদ্দের নিশ্চয়তা পান না তারা গবেষণায় পিছিয়ে যান। এছাড়া আমাদের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার উপযুক্ত পরিবেশও নেই। যদি আমরা প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ নিশ্চিত করতে পারি এবং উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারি তবে আমাদের শিক্ষকরাও ভালো মানের গবেষণা করবেন বলেই আমি মনে করি।
বিশ্বের বিভিন্ন র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেক পিছিয়ে। যেসব প্যারামিটার র্যাংকিংয়ে ভালো অবস্থান তৈরিতে ভূমিকা রাখে সেগুলোয় আপনারা কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন?
বিশ্ব র্যাংকিং তৈরিতে গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কার্যকর গবেষণায় এগিয়ে থাকে, মানসম্মত জার্নালে আর্টিকেলের সংখ্যা বেশি থাকে, সাইটেশনের সংখ্যা বেশি থাকে, শ্রমবাজারে শিক্ষার্থীদের সাফল্যের হার বেশি থাকে তারা র্যাংকিংয়েও এগিয়ে থাকে। আমরা আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যাতে এসব প্যারামিটারে ভালো করতে পারে সে বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধিতে আমরা একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আশা করছি শিগগিরই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু হবে।
বৈশ্বিক বাজারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েট প্রফেশনালদের কোনো ইতিবাচক ব্র্যান্ড তৈরি হয়নি। উচ্চ শিক্ষার পর কোয়ালিটি জবে এটা একটা নেতিবাচক প্রভাব রাখছে। আপনি কী ভাবছেন এ বিষয়ে?
আমি বিষয়টির সঙ্গে পুরোপুরি একমত নই। আমাদের যেসব শিক্ষার্থী দেশের বাইরে যাচ্ছে তারা কিন্তু প্রত্যেকেই ভালো করছে এবং বিদেশীরা আমাদের মেধাবী হিসেবেই বিবেচনা করে। আমাদের দেশে যদি কিছু ঘাটতি থেকেও থাকে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিদেশে গিয়ে সহজেই সেটি কাটিয়ে উঠছে। কিছু ক্ষেত্রে বলা হয় মাস্টার্স বা পিএইচডির আগে দেশের শিক্ষার্থীদের বাড়তি এক বছরের কোর্স করতে হয়। তবে এটি মূলত ওইসব দেশের সিস্টেমের অংশ। শুধু বাংলাদেশ নয় আন্তর্জাতিক সব শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একই নিয়ম অনুসরণ করে। এটি করার কারণ হলো শিক্ষার্থীরা যাতে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাপদ্ধতির সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে পারে। এছাড়া আমেরিকা-ইউরোপে এমন অনেক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যেগুলো আমাদের শিক্ষার্থীদের ফুল স্কলারশিপে সরাসরি পিএইচডির সুযোগ দেয়। সার্বিকভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা ভালো অবস্থানে আছে বলেই আমি মনে করি।

ছবি: নিজস্ব আলোকচিত্রী
দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বর্তমানে ১৭০। এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নেই। এসব বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আপনারা কী ভাবছেন? এছাড়া আমাদের দেশের চাহিদা অনুযায়ী এত অধিকসংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন আছে কি?
আমাদের দেশে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছে। তারা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুক। এ শিক্ষার্থীদের অবশ্যই উচ্চ শিক্ষার সুযোগ দিতে হবে। এ কারণে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধিকে আমি নেতিবাচক বলব না। তবে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকার বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগজনক। আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাতে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করে। উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় মান নিশ্চিতের জন্য ইউজিসির বেশকিছু নীতিমালা আছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব নীতিমালা মেনেই শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করছি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আমাদের মনিটরিং টিম যাচ্ছে। সংকট নিরসনে কোথাও যদি ইউজিসির সহযোগিতা প্রয়োজন হয় আমরা সেটিও করতে প্রস্তুত। আর আমাদের শিক্ষার্থীরা এখন যথেষ্ট সচেতন। প্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকে থাকতে হলে অবশ্যই সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। আর প্রতিষ্ঠানগুলো যদি পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত না করে তাহলে শিক্ষার্থীরাই এসব প্রতিষ্ঠান বর্জন করবে।
বিগত দেড় দশকে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনগুলোয় রিজেন্ট বোর্ড বা সিন্ডিকেটে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে এসব ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দলীয়করণে জোরালো ভূমিকা পালন করেছেন। এ বিষয়গুলো আপনারা কীভাবে দেখছেন?
রাজনৈতিক বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কখনই কাম্য নয়। আমরা এটুকু বলতে পারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো কিছু করা হবে না। রিজেন্ট বোর্ড ও সিন্ডিকেটগুলোয় তাদেরই নির্বাচন করা হবে যারা প্রকৃতপক্ষেই শিক্ষানুরাগী এবং শিক্ষার উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোয় সবকিছুই হবে আইন অনুযায়ী। নিয়োগ থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে ইউজিসির ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়। আপনার মতে দেশের উচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিতে ইউজিসির ক্ষমতা ও ভূমিকা কেমন হওয়া প্রয়োজন?
ক্ষমতার সীমাবদ্ধতাকে আমি বড় কোনো বিষয় হিসেবে দেখছি না। আমি মনে করি ইউজিসির বর্তমানে যে ক্ষমতা রয়েছে সে ক্ষমতার মধ্যে থেকেই যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় যদি কোনো অনিয়ম করে তাহলে ইউজিসির এখনো ব্যবস্থা গ্রহণের পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। আর আমার মতে ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতা হবে পারস্পরিক সহযোগিতার। এখানে কর্তৃত্বপরায়ণতার বিষয় নেই। তবে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় যদি আইনের ব্যত্যয় ঘটায় সেক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই কঠোর হব।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় একক ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুও করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতি বছরই বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তেরি হচ্ছে। এ বিষয়ে আপনারা কী ভাবছেন?
গুচ্ছ পদ্ধতির পক্ষে ও বিপক্ষে দুদিকেই মতামত আছে। আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যখন কথা বলেছি তখন এক অংশ বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে আবার আরেক অংশ নেতিবাচক হিসেবে দেখছে। যারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছে তাদের কাছে খরচ ও ভোগান্তি কমার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। আবার আরেকটি অংশ বলছে একক পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হলে একজন শিক্ষার্থী একটি পরীক্ষায় খারাপ করলে তার অন্য কোথাও সুযোগ থাকছে না। এছাড়া এ পদ্ধতিতে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হতে অনেক দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়। সব মিলিয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে আরো আলোচনা, বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আমার আহ্বান থাকবে তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে যেন শিক্ষার্থীদের মতামতের বিষয়টি বিবেচনা করে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে আপনার মতামত কী? কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত?
বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বাজেট ঘাটতি। আমাদের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আছে, কিন্তু আমরা তাদের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে পারছি না। ফলে তারা তাদের মেধার বিকাশ ঘটানোর সুযোগ পাচ্ছে না। শিক্ষার উন্নয়ন করতে হলে আমাদের সর্বাগ্রে বাজেট সংকট দূর করতে হবে। শিক্ষায় আমরা উন্নয়নের কথা বলছি, অথচ দেশে জিডিপির বিবেচনায় শিক্ষায় বরাদ্দ প্রতিনিয়ত কমানো হচ্ছে। এ বছরেও বাজেট কর্তন করা হয়েছে। এত স্বল্প বরাদ্দ দিয়ে শিক্ষাঙ্গনের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়। এ ধারায় পরিবর্তন আনতে হবে এবং শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।










