গুগলের ডাটা সেন্টারের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতে আলাদা উপায়ে কাজ করার কথা জানিয়েছে মাইক্রোসফট ও মেটা। সম্প্রতি আলাদা প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। খবর টেকটাইমস।

ই-মেইল বার্তায় মাইক্রোসফট জানায়, একাধিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহের পর সেগুলো পর্যালোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেম পরীক্ষার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি, যা ডাটা সেন্টারের সার্বিক কার্যক্রমের তথ্য সম্পর্কে সতর্ক করবে। মাইক্রোসফটের এক মুখপাত্র জানান, গুগলের ডাটা সেন্টারগুলোর নিরাপত্তা বাড়াতে ও ক্ষয়ক্ষতির হার কমাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

মাইক্রোসফট আরো জানায়, প্রতিষ্ঠানটি এমন একটি পদ্ধতি তৈরিতে কাজ করছে, যেটি ডাটা সেন্টার স্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা থাকলে তা আগে থেকে শনাক্তের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে। অন্যদিকে এক ঘোষণায় মেটা জানায়, প্রতিষ্ঠানটি ডাটা সেন্টারের কর্মীদের নিরাপত্তায় এবং সিস্টেমকে নির্ভরযোগ্য করে তোলার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি পরীক্ষা করছে।

ফেসবুকের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটির মতে, দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করতে এবং কর্মীদের ওপর কেমন প্রভাব পড়বে সেটি যাচাইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। মেটার এসব উদ্যোগের মাধ্যমে গুগলের ডাটা সেন্টার ও সার্ভারে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়, এর কুলিং প্রযুক্তি ও এয়ারফ্লো সিস্টেমের স্থিতিশীলতায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে কিনা সে-সংক্রান্ত গভীর তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এসব কাজেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি যদি যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে এসব উন্নয়ন সম্ভব। ২০২১ সালের শেষ দিকে মাইক্রোসফট অসংগতি শনাক্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংবলিত একটি প্রযুক্তি উন্মোচন করেছে। বৈদ্যুতিক ও মেকানিক্যাল ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা সেন্টারে শক্তি এবং পানির ব্যবহার সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহে এটি ব্যবহার করা হয়।