আগামী দিনে নতুন নতুন চমক দেখাবে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি। এ খাতে বাণিজ্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। ২০২৪ সাল নাগাদ এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি লেনদেন হবে এশিয়ায়। সেখানে নিজেদের পরখ করতে চায় মার্ক জাকারবার্গের মেটাভার্স। এ তথ্য জানিয়েছে এশিয়ান ইনসাইডার।

একদল বিশ্লেষক দাবি করছেন, ভার্চুয়ালি রিয়ালিটির নানা খাতে মেটাভার্স ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে কাজ করছে। তাদের নজরে রয়েছে এশিয়ার এক লাখ ২০ হাজার ডলারের বাজার। বিশ্লেষক চাং মে চুন, দেবর্ষি দাশগুপ্ত, তান তাম মেই, ক্যাথেরিন ওয়েই, উ চেং ওয়েই, রাউল ড্যানসেল, চ্যারিসা ইয়ং এবং আইরিন থামের লেখায় উঠে আসে এ সম্পর্কিত তথ্য।

বাস্তব জীবনে যা যা করা যায়, অ্যাভাটার ব্যবহার করে সবটাই করা যায় ফেসবুকের বর্ধিত সংস্করণ মেটাভার্সে। গেম থেকে শুরু করে বাজার করা। ছুটি উদযাপন থেকে শুরু করে জমি কেনা। ঘরে বসেই ভার্চুয়াল রিয়ালিটি ব্যবহার করে নেয়া যাবে এ সব অভিজ্ঞতা। গত নভেম্বরে মার্ক জাকারবার্গের ঘোষণার পর থেকেই মেটাভার্স বিশ্বব্যাপী মনোযোগের কেন্দ্রে আছে এখন।

এর মধ্যে মেটাভার্সের সুবিধা নিতে শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন কোম্পানিগুলো। অ্যাভাটারের মাধ্যমে আয়োজন করছে ইন্টারেকটিভ কনসার্ট ও ডিজিটাল কনটেন্ট। ভার্চুয়াল সঙ্গীত আয়োজন করে ব্ল্যাকপিংকের ফলোয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৬০ লাখ। হিমাংশু গোয়েল তৈরি করেছেন ভারতের প্রথম মেটা ইনফ্লুয়েন্সার কাইরা। ইনস্টাগ্রামে যার ফলোয়ার ১ লাখ ৬২ হাজার। প্রতিদিনের কর্মকাণ্ড ইনস্টাগ্রামে আপলোড করে সে।

মেটাভার্সে শপিং মল ভি-এভিনিউ তৈরি করেছে থাইল্যান্ডের মোবাইল কোম্পানি অ্যাডভান্সড ইনফো সার্ভিস (এআইএস)। কভিডের প্রাদুর্ভাবকালে এ বাজার ছিল বেশ জমজমাট। দুই শতাধিক দোকান এবং ২০ কোটি ভিজিটর সাড়া দেয় সেখানে।

পিছিয়ে নেই চীনও। মেটাভার্স ব্যবহার করে বিখ্যাত শাওলিন মন্দির ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলো ভ্রমণের সুযোগ দিচ্ছে। অন্যদিকে ভিয়েতনাম তৈরি করেছে গেম।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গোটা এশিয়া জুড়ে মেটার এই উত্থান বিভিন্ন কোম্পানিকে বিনিয়োগ করতে উত্সাহিত করছে।