চিপ উৎপাদন প্রযুক্তি সরবরাহের দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠান তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (টিএসএমসি)। বর্তমানে চিপ উৎপাদনকারীদের ৪ ন্যানোমিটারের উৎপাদন প্রযুক্তি বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানটি। ৩ ন্যানোমিটারের প্রসেস নোডের পরীক্ষাও চালাচ্ছে এ প্রতিষ্ঠান। তবে ১০ বছর আগেকার ২৮ ন্যানোমিটারের প্রসেস নোড বিক্রির মাধ্যমে এখনো আয় করছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর গিজচায়না।
স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিটিকস প্রকাশিত নতুন প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২৮ ন্যানোমিটারের প্রসেস নোড থেকে টিএসএমসি এখনো ভালো আয় করছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে টিএসএমসি, ইউএমসি ও এসএমআইসি ২৮ ন্যানোমিটার প্রসেস নোডের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
২০২১ সালে ২৮ ন্যানোমিটার ওয়াফার ফাউন্ড্রির রাজস্ব ৭২০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা টিএসএমসির মোট রাজস্বের তিন-চতুর্থাংশ। প্রতিষ্ঠানটি এখন ২৮ ন্যানোমিটারের প্রসেস নোডের উন্নয়নে বিনিয়োগ করে যাচ্ছে এবং কাওশিউংয়ে একটি ফ্যাব স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করছে। যেখানে ৭ ও ২৮ ন্যানোমিটার নোড উৎপাদন করা হবে। চলতি বছরই ফ্যাবটির নির্মাণকাজ শুরু হবে এবং ২০২৪ সাল থেকে ব্যাপক উৎপাদন শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ফ্যাব নির্মাণের পাশাপাশি জাপানের কুমামটোতে ফাউন্ড্রি পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাপান অ্যাডভান্সড সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করবে বলে টিএসএমসি সূত্রে জানা গেছে। এটি ২২ বা ২৮ ন্যানোমিটার প্রসেস নোডের প্রযুক্তি সরবরাহে কাজ করবে।
সামনের বছরগুলোয় টিএসএমসি ২৮ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে উৎপাদিত চিপের ব্যাপক চাহিদা দেখতে পাচ্ছে বলে ধারণা প্রযুক্তিবিদদের। তা না হলে প্রতিষ্ঠানটি এ খাতে নতুন করে বিনিয়োগ করত না। এ নোডের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৫৩ হাজার ৪১৪ কোটি নিউ তাইওয়ান ডলারের কাছাকাছি আয় করেছে।










