গোপনীয়তা লঙ্ঘনের দুই অভিযোগে অ্যামাজনকে
৩ কোটি ডলারের বেশি জরিমানা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি)। ধার্য
অর্থ দিতে সম্মত হয়েছে টেক জায়ান্টটি। খবর এপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জনপ্রিয় দুটি ডিজিটাল
পণ্যের মাধ্যমে গোপনীয়তা লঙ্ঘন করেছে অ্যামাজন। এ বিষয়ে আপত্তি এলেও তারা আমলে নেয়নি।
ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিভাইস অ্যালেক্সা
শিশুদের গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন করছে। এর মাধ্যমে বছরের পর বছর শিশুদের ভয়েস ও অবস্থানের
ডেটা রেকর্ড করে বাবা-মাকে প্রতারিত করা হয়েছে। এর জন্য আড়াই কোটি ডলার জরিমানা করা
হয়েছে।
এছাড়া ডোরবেল ক্যামেরা রিং-এর মাধ্যমে
গোপনীয়তা লঙ্ঘনের জন্য গ্রাহককে দিতে হবে ৫৮ লাখ ডলার। অভিযোগে বলা হচ্ছে, ইন্টারনেট
সংযুক্ত থাকায় এই ক্যামেরায় সহজে অ্যামাজনের কর্মীরা এক্সেস করতে পারেন। ব্যবহারকারীদের
ব্যক্তিগত ভিডিও ধারনের অভিযোগ এসেছে।
অ্যালেক্সার ডেটা সরিয়ে নেয়া সংক্রান্ত
নীতি সংশোধন ও কঠোর অবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি আরো স্বচ্ছ গোপনীয়তা নীতি আরোপের নির্দেশ
দিয়েছে এফটিসি।
আবহাওয়ার তথ্য থেকে গেম, সংগীতসহ অনেক
কিছুতেই আজকাল ভোক্তারা অ্যালেক্সার সাহায্য নিয়ে থাকেন। এখন থেকে ইন্টারনেট-সংযুক্ত
এই ডিভাইসে সংগৃহীত অনেক ডেটা মুছে ফেলতে বাধ্য হবে অ্যামাজন। মূলত অ্যালারিগমের পরিমার্জন
ও ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই সব ডেটা ব্যবহার হতো।
এফসিটি ভোক্তা সুরক্ষা প্রধান স্যামুয়েল
লেভিন বলেন, ডেটা সংরক্ষণের মাধ্যমে অ্যামাজন
মা-বাবাদের বিভ্রান্ত করত। তারা শিশুদের ভয়েস রেকর্ডিং অনির্দিষ্টকালের জন্য রাখত।
মা-বাবারা এই সব ডেটা মুছে ফেলার অনুরোধ করলেও মানেনি অ্যামাজন। তারা লাভের জন্য গোপনীয়তা
বিসর্জন দিয়েছে।
গত মাসে অ্যামাজন জানিয়েছিল, বিশ্বব্যাপী
অর্ধ বিলিয়নেরও বেশি অ্যালেক্সা-সক্ষম ডিভাইস বিক্রি করেছে। গত বছর পরিষেবাটির ব্যবহার
৩৫ শতাংশ বেড়েছে।
তবে অ্যামাজন বলছে, অ্যালেক্সা ও রিং বিষয়ে
এফটিসির দাবির সঙ্গে তারা একমত নয়। আইনও লঙ্ঘন করেনি।










