উন্নত প্রযুক্তির দুই ন্যানোমিটার চিপ তৈরিতে নতুন উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের কথা ভাবছে জাপান। ২০২৫ সাল নাগাদ এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও কাজ করবে দেশটি। খবর গিজমোচায়না।
নিকেই এশিয়া প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, পরবর্তী প্রজন্মের আধুনিক চিপ উৎপাদনের মাধ্যমে বাণিজ্যিকীকরণ কার্যক্রমে অংশ নিতে জাপান প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এর অংশ হিসেবে টোকিও এবং ওয়াশিংটন একটি সেমিকন্ডাক্টর টেকনোলজি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একে অন্যকে সহায়তা করবে। চুক্তিতে দুটি দেশের প্রাইভেট বা ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকেও যুক্ত করবে। মূলত চিপের বিষয়ে গবেষণা, ডিজাইন তৈরি ও ব্যাপক উৎপাদনে এটি সহায়তা করবে।
তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি এরই মধ্যে তাদের অ্যাডভান্সড দুই ন্যানোমিটার প্রসেস নোডের জন্য নির্ধারিত প্রযুক্তির ব্যাপক উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে। অন্যদিকে জাপান পরবর্তী প্রজন্মের চিপগুলোর অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের মাধ্যমে সেমিকন্ডাক্টরের একটি স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে চাইছে। একই সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্বের মধ্যে একটি নতুন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা বা জাপানি করপোরেশনগুলো একটি নতুন উৎপাদন কেন্দ্রও স্থাপন করতে পারে।
বর্তমানে দেশটির অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় উন্নত সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয় কমানোর জন্য ভর্তুকি দিয়েছে। চলতি বছর থেকেই যৌথ গবেষণা কার্যক্রম শুরু হবে বলে দেশ দুটি সূত্রে জানা গেছে। ২০২৫ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে গবেষণার পাশাপাশি ব্যাপক উৎপাদনের বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হবে।
বিশ্বের অন্যতম চুক্তিভিত্তিক চিপ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান টিএসএমসিও জাপানের কুমামটোতে একটি উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে ভাবছে। তবে এখানে উন্নত মানের কোনো চিপ তৈরি করা হবে না। এর পরিবর্তে দশ থেকে দুই ন্যানোমিটার চিপ প্রযুক্তির উন্নয়নে কাজ করবে।










