নিরাপত্তার স্বার্থে এসি কেনা বা সেটের সময় সবচেয়ে বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। এসি কেনার আগে অবশ্যই বিবেচনায় রাখুন ঘরের আকার। সঠিক পরিমাণের এসিই পারবে আপনার ঘর যথাযথভাবে ঠাণ্ডা করতে।

স্প্লিট এসির দাম একটু বেশি পড়ে। তবে উইন্ডো এসির তুলনায় স্প্লিট এসির বেশকিছু অসাধারণ সুবিধা রয়েছে। স্প্লিট এসি যেকোনো ঘরে সহজেই লাগানো যায়। আর ঘরে উইন্ডো এসি বসাতে হলে জানালা থাকা দরকার।

এসি কেনার সময়ে দেখে নিন এতে এয়ার ফিল্টার আছে কিনা। অনেক এসিতে গন্ধের ফিল্টার ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ফিল্টারও থাকে। দাম বেশি হলেও এসব ফিল্টারসহ এসি কিনলে বাড়তি সুবিধা পাবেন। কপার কয়েলের এসি কিনলে তা অনেক বেশি টেকসই হয়।

অনেক বাসা বেশ আগে বানানো হয়। ফলে সেখানে ফ্যান, লাইট, ইস্ত্রি চালানোর মতো বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা থাকলেও এসি লাগানোর বিষয়টি বিবেচনায় থাকে না। ফলে তেমন ওয়্যারিং ব্যবস্থা করা থাকে না। এমন একটি বাসায় হঠাৎ এসি লাগালে তা ভবনটি বহন করতে পারবে না। তাই এসি লাগানোর আগে এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে। 

অনেকে সুপরিচিত ব্র্যান্ডের দোকান থেকে এসি না কিনে ছোট ছোট দোকান থেকে কেনেন। ফলে এসব এসিতে সুপরিচিত ব্র্যান্ডের লোগো থাকে কিন্তু মান ঠিক থাকে না। তাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে। আবার অনেকে সার্ভিসিং করান স্থানীয় অদক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে। তারা সার্ভিসিং করানোর সময়ে এসির ভেতরে যে গ্যাস দেয়া হয় তা না দিয়ে কোনো দাহ্য গ্যাস দিয়ে দেয়। তাতে যেকোনো সময় ঘটে যায় দুর্ঘটনা। তাছাড়া ছয় মাস পরপর এসির সার্ভিসিং করানো দরকার, সেটা অনেকে করেন না। তাতেও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।

আবার অনেকে সব পণ্যে বিএসটিআই অনুমোদিত আছে কিনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিলেও এসির ক্ষেত্রে তেমনটা করেন না। ফলে মান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এসব বিষয় মাথায় রাখলে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। নিজেকে বাঁচানো সম্ভব হবে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা থেকে।