সুইডেনের একটি গণমাধ্যম এক প্রতিবেদনে জানায়, প্রতিষ্ঠানটি তাদের রফতানি অব্যাহত রেখেছে। এর পর পরই প্রতিষ্ঠানটির বাজার হিস্যায় পতন ঘটে। এপ্রিলেই রাশিয়ায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিত করে দিয়েছে এরিকসন। এরপর আগস্টে এক বিবৃতিতে জানায়, সামনের মাসগুলোয় প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরিভাবে দেশটি ত্যাগ করবে। প্রতিষ্ঠানটি ৯০ কোটি সুইডিশ ক্রোনা বা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার জরিমানা দিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র জানান, সামরিক আগ্রাসনের আগে দেশটিতে যেসব পণ্য সরবরাহ করা হয়েছিল, আমরা সেগুলোর সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছি। কার্যক্রম পুরোপুরি গুটিয়ে নেয়ার আগে চুক্তির অধীনে থাকা বাধ্যবাধকতা সম্পন্ন করাই এর লক্ষ্য। এরিকসনের প্রতিযোগী নকিয়াও এক ঘোষণায় বছর শেষ হওয়ার আগে রাশিয়ায় কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার কথা জানিয়েছিল। এক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, সুইডেনের কৌশলগত পণ্য পরিদর্শন কর্তৃপক্ষের কাছে ১২টি পণ্যের জন্য ছাড়পত্র চেয়ে আবেদন করেছিল এরিকসন। এর মধ্যে মাত্র সাতটি পণ্যের জন্য অনুমোদন মিলেছে।










