ডাটা প্রটেকশন কমিশনে নতুন দুই কমিশনার নিয়োগের কথা জানিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ইউরোপে গুগল, ফেসবুক, অ্যাপল মাইক্রোসফট ও টুইটারের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টদের কার্যক্রম ও তথ্য সংরক্ষণ তদারক করে সংস্থাটি। খবর রয়টার্স।

আয়ারল্যান্ডের আইনমন্ত্রী হেলেন ম্যাকেন্টি বলেন, নতুন নিয়োগ পাওয়া কমিশনাররা বর্তমানে থাকা কমিশনার হেলেন ডিক্সনকে সহযোগিতা করবেন এবং বর্তমান কাজের চাপ ও ক্রমাগত বাড়তে থাকা জটিল তদন্তের চাহিদা পূরণ করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারনেট জায়ান্টদের বেশির ভাগকেই নিয়ন্ত্রণ করে আয়ারল্যান্ড। কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নে তাদের যে সদর দপ্তর তার অধিকাংশই এখানে অবস্থিত। কিন্তু বড় টেক মাল্টিন্যাশনালদের প্রতি দীর্ঘ ও ধীর তদন্তের জন্য তারা দীর্ঘকাল ধরে সমালোচনার মুখে রয়েছে। তথ্য ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সুরক্ষার ক্ষেত্রে প্যান ইউরোপীয় পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য চাপ তৈরি করাও হচ্ছে।

নতুন ইইউ গোপনীয়তা আইনের অধীনে তিনটি মাল্টিন্যাশনালের তদন্ত এরই মধ্যে সম্পন্ন করেছে ডিক্সনের অফিস। ২০১৮ সাল থেকে এ আইন জারি করা হয়। এর মধ্যে গত বছর হোয়াটসঅ্যাপকে ২২ কোটি ৫০ লাখ ইউরো জরিমানা করেছে সংস্থাটি।

গত ফেব্রুয়ারিতে রয়টার্সকে ডিক্সন জানান, ২০১৪ সালে যেখানে মাত্র ১৪ জন ছিল, সেখান থেকে বেড়ে মোট কর্মী ১৯৫ জনে পৌঁছেছে। সংখ্যাটা আরো বাড়ানো দরকার। যদিও তিনি মামলাগুলোর জমে থাকা কাজ ত্বরান্বিত করার জন্য আরো দুজন কমিশনারকে নিয়োগ দেয়ার আহ্বান বাতিল করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা যদি গতির বিষয়ে কথা বলি তাহলে আমার মনে হয় না তিনজন প্রধানের সংস্থা এসব পরিস্থিতি উন্নতি করতে পারবে।