যুক্তরাষ্ট্রের তদারকি সংস্থা ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) সাবেক উপদেষ্টা মেরেডিথ হুইটেকারকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সিগন্যাল। নতুন দায়িত্বে মেসেজিং অ্যাপটির পলিসি ও কৌশল নির্ধারণে ভূমিকা রাখবেন তিনি। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এফটিসি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন হুইটেকার। সেনা প্রকল্পে গুগলের প্রযুক্তি ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিশেষজ্ঞ।
ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সিগন্যাল। এজন্য অ্যাপটি কতজন ব্যবহার করছে তা নিজেরাও জানে না। গুগল প্লেস্টোরে অ্যাপটি ১০ কোটি বারেরও বেশি ডাউনলোড হয়েছে। অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরেও ডাউনলোডের দিক থেকে ১৫তম শীর্ষ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট।
এক সাক্ষাত্কারে হুইটেকার বলেন, গত এক দশকে মেটার মতো সোশ্যাল জায়ান্ট ব্যবহারকারীদের তথ্যের যে অপব্যবহার করছে তার বিরুদ্ধে জনসচেতনতার অংশ হিসেবে সিগন্যালের মতো অ্যাপে ঝুঁকছে একটি বড় অংশ।
২০১৪ সালে উন্মোচনের পর থেকেই সিলিকন ভ্যালিতে আস্থা অর্জন করেছে সিগন্যাল। অনুদানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত প্লাটফর্মটি অলাভজনকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ২০১৮ সালে এতে ৫ কোটি ডলার অনুদান দেন হোয়াটসঅ্যাপের সহপ্রতিষ্ঠাতা ব্রায়ান অ্যাকটন। ২০১৭ সালে হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়ে সিগন্যালের অন্তর্বর্তীকালীন সিইওর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। হোয়াটসঅ্যাপে যেখানে বড় কর্মী বাহিনী রয়েছে সেখানে সিগন্যালে মাত্র ৪০ জন কর্মী কাজ করছেন। ছোট্ট কর্মী বাহিনীর এ মেসেজিং অ্যাপে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন হুইটেকার। এফটিসি প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে গুগলে এআই গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। ২০১৯ সালে গুগল ছাড়ার পর এফটিসি চেয়ার লিনা খানকে এআই ইস্যুতে উপদেশ দিয়ে আসছিলেন তিনি।










