সাইবার নিরাপত্তার জন্য জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন সিগন্যাল। সম্প্রতি টেকটাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপটির আধুনিক সংস্করণে হ্যাকাররা ড্রাকারিস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করছেন।
ব্লিপিং কম্পিউটারের তথ্যানুযায়ী, ড্রাকারিস অ্যান্ড্রয়েড স্পাইওয়্যার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সক্ষম হয়েছেন গবেষকরা। সাইবার স্পায়িংয়ের ক্ষেত্রে বিটটার এপিটি গ্রুপ স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করেছে। যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড, ভারত ও পাকিস্তানের ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে ড্রাকারিস স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করা হয়েছিল। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফেসবুকের প্যারেন্ট প্রতিষ্ঠান মেটা স্পাইওয়্যারটির কথা উল্লেখ করেছিল।
প্রতিবেদনে মেটা জানায়, ডাটা চুরি, ভৌগোলিক অবস্থান নির্ণয়সহ ব্যবহারকারীদের মাইক্রোফোন চালু করতেও সক্ষম ড্রাকারিস। হ্যাকাররা সিগন্যাল ডাউনলোড পোর্টালের মতো অবিকল একটি নকল পেজের মাধ্যমে অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের কাছে পাঠায়। নকল সাইটটিতে সিগন্যাল প্রিমিয়াম ডটকম ডোমেইন ব্যবহার করা হয়। মালওয়্যারটি ইনস্টল করার সময় কন্ট্যাক্ট লিস্ট, ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন, এসএমএস, স্টোরেজ ও লোকেশন ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়। বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও চ্যাট অ্যাপগুলোর ক্ষেত্রে প্রায়ই এ অনুমতিগুলো চাওয়া হয়।
অ্যাপটি চালু হওয়ামাত্র স্পাইওয়্যারটি ফায়ারবেজ সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। ব্যবহারকারীদের থেকে কোন তথ্য নেয়া হবে তা জানতেই ফায়ারবেজ সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত হয় স্পাইওয়্যারটি। সংশ্লিষ্টরা জানান, বিপজ্জনক সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষার জন্য কোথায় অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড হচ্ছে তা জেনে রাখা প্রয়োজন ব্যবহারকারীদের।










