ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ তথ্য চুরিতে পরিচালিত সাইবার হামলা এখন আরো ব্যয়বহুল ও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (আইবিএম) পরিচালিত বিস্তৃত জরিপ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে বলে টেকরাডারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বিশ্বের ৫৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর জরিপ পরিচালনা শেষে প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সাইবার হামলার পর তথ্য পুনরুদ্ধার ব্যয় ৪৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ এবং দুই বছর আগের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। শুধু যে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা নয়। ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান সবাই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আইবিএম জানায়, এসব ঘটনার সঙ্গে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবা ব্যবহারের ব্যয় বাড়ার বিষয় সম্পৃক্ত। হামলার শিকার বেশকিছু প্রতিষ্ঠান সূত্রে, বর্তমানে দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও পরিষেবা ব্যবহারের ফির হার বাড়িয়েছে। এজন্য সাইবার হামলার মাধ্যমে তথ্যচুরির ঘটনা দায়ী।

অন্যদিকে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান একবার তথ্য চুরির শিকার হয়, তাহলে দ্বিতীয়বার শিকার হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, প্রতি পাঁচটির মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠান (৮৩ শতাংশ) পুরো সময়ের মধ্যে একাধিকবার সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, যেসব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান প্রথমবার র্যানসমওয়্যার হামলার শিকার হওয়ার পর তথ্যের জন্য অর্থ দিয়েছে, ভবিষ্যতে যারা তথ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালায়নি তাদের তুলনায় ব্যয় কমেনি। আইবিএম সিকিউরিটি এক্স-ফোর্সের বৈশ্বিক প্রধান চার্লস হ্যান্ডারসন বলেন, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে উদ্যোগ নিতে হবে এবং আক্রমণকারীদের শক্ত হাতে দমন করতে হবে।