দেশজুড়ে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও রাজনীতিতে আগ্রহীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে যাত্রা শুরু করেছে অনলাইন ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ওয়েবসাইট পলিটিক্স ম্যাটারস৷ আজ বুধবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে এর উদ্বোধন হয়। ইউএসএআইডি’র স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ প্রকল্প পলিটিক্স ম্যাটারসের আওতায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নে রয়েছে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়ান সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।

এসময় ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচন বর্জন বা প্রতিহত করার সংস্কৃতি লালন করা দেশের জন্য অসুবিধাজনক। এর থেকে সবাইকে বের হয়ে আসতে হবে। আমরা এখানে যেমন পাশাপাশি বসে আছি, কথা বলছি, আলোচনা করছি, সারা দেশে এই সংস্কৃতি তৈরি হওয়া প্রয়োজন। আমি আশা করি আগামী নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণ মূলক হবে। সব দলের আংশগ্রহণে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। মন্ত্রী বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বাংলাদেশের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করার আশা প্রকাশ করেন। 

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, নির্বাচন ও সুশাসন প্রশ্নে সব দল একমত না হতে পারলে পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, সব রাজনৈতিক দল সুষ্ঠ নির্বাচনের প্রক্রিয়া তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে। সব দলকেই এর দায়ভার নিতে হবে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক কোনো রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করেনি, করবে না। সুষ্ঠু অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন কঠিন কাজ৷ তবে সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় না। সেজন্য নির্বাচন কমিশন, সরকারসহ সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।

পলিটিক্স ম্যাটারস রাজনীতি সম্পর্কীয় আটটি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করবে। প্রশিক্ষণ কোর্সগুলো হলো- গণতন্ত্র ও নির্বাচন, দ্বন্দ্ব ব্যবস্থাপনা, রাজনৈতিক প্রচারণা, কমিউনিটি অ্যাডভোকেসি ও রাজনৈতিক দল, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, রাজনৈতিক দলের কার্যকর চর্চা, রাজনৈতিক নেতৃত্বের উন্নয়ন এবং প্রশিক্ষকের জন্য প্রশিক্ষণ।