দীর্ঘ ২৭ বছর সেবা দেয়ার পর ১৫ জুন বিদায় নেয় অন্যতম পুরনো ব্রাউজার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। গুগল ক্রোম, মোজিলা ফায়ারফক্সের মতো ব্রাউজারগুলো অনেক আগেই এক্সপ্লোরারের জনপ্রিয়তায় সরাসরি ধাক্কা দিয়েছিল। তবে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সার্ভিস বন্ধ হওয়ার ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন জাপান।
নিক্কেই এশিয়ার সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বেশির ভাগ দেশেই পুরনো এ ব্রাউজার তেমন ব্যবহার না হলেও জাপানের বিভিন্ন সংস্থা এখনো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ওপর নির্ভরশীল। প্রাইমারি ব্রাউজার হিসেবেই মাইক্রোসফটের এ ব্রাউজার ব্যবহার করছে তারা। প্রযুক্তি-সংক্রান্ত ডাটা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কেইম্যানস নেটের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় বলা হয়, জাপানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অন্তত ৪৯ শতাংশ কর্মী এখনো এক্সপ্লোরারকে নিজেদের প্রাথমিক ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহার করেন।
জাপানের অনেক সরকারি সংস্থা সরকারি ওয়েবসাইট চালানোর জন্য এখনো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ওপরে নির্ভরশীল। একাধিক জাপানি সংস্থা রয়েছে, যারা এ ব্রাউজারকে অভ্যন্তরীণ টুল হিসেবে ব্যবহার করে। কর্মীদের উপস্থিতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যয়ের হিসাব রাখার জন্য এ ব্রাউজার করে তারা।
জাপানের বহু সরকারি সংস্থা ব্রাউজার হিসেবে এখনো এক্সপ্লোরার ব্যবহার করে। সে দেশের ইনফরমেশন টেকনোলজি প্রমোশন এজেন্সি তাদের ব্যবহারকারীদের অনেক দিন আগেই অন্য ব্রাউজারে শিফট করে, কিন্তু সেভাবে সাড়া মেলেনি।
জরিপে অংশগ্রহণকারী এক-পঞ্চমাংশ বলছেন, কীভাবে বিকল্প ব্রাউজার গ্রহণ করতে হবে, এ ধারণা নেই তাদের।










